ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের পদত্যাগপত্র গৃহীত

  • আপডেট সময় : ০৮:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 89
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

অনিয়মের অভিযোগে ছুটিতে পাঠানো হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে নিউজ আপডেটে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আক্তারুজ্জামানের পদত্যাগপত্র ৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গৃহীত হয়েছে।

সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের অনুসন্ধান কার্যক্রমের প্রেক্ষাপটে ৩১ আগস্ট তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। ২৬ আগস্টের এক নিউজ আপডেটে বলা হয়, সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে বিচারপতি আক্তারুজ্জামানের বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর একইভাবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য ছিল।

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনর্গঠনের পর প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট কাউন্সিল কার্যক্রম শুরু করে। কাউন্সিলের অপর দুই সদস্য হলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

কাউন্সিল কার্যক্রম শুরুর পর হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হক নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতিকে জমা দেন এবং ১৯ নভেম্বর তাদের পদত্যাগ গৃহীত হয়।

২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতির বিষয়ে অভিযোগের প্রেক্ষাপটে প্রধান বিচারপতি তাদের বেঞ্চ প্রদান স্থগিত করেন। এরমধ্যে বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন গত ৩০ জানুয়ারি পদত্যাগ করেন। আর বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলাম ও এস এম মাসুদ হোসেন দোলন স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাননি।

বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান ও আশীষ রঞ্জন দাস এরই মধ্যে অবসর নিয়েছেন। এছাড়া সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত শেষে রাষ্ট্রপতি দু’জন বিচারপতিকে অপসারণ করেন। তারা হলেন খিজির হায়াত (১৮ মার্চ) ও খোন্দকার দিলীরুজ্জামান (২১ মে)। অপর পাঁচ বিচারপতির বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলছে।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের পদত্যাগপত্র গৃহীত

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

অনিয়মের অভিযোগে ছুটিতে পাঠানো হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে নিউজ আপডেটে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি আক্তারুজ্জামানের পদত্যাগপত্র ৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গৃহীত হয়েছে।

সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের অনুসন্ধান কার্যক্রমের প্রেক্ষাপটে ৩১ আগস্ট তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। ২৬ আগস্টের এক নিউজ আপডেটে বলা হয়, সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে বিচারপতি আক্তারুজ্জামানের বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর একইভাবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য ছিল।

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনর্গঠনের পর প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট কাউন্সিল কার্যক্রম শুরু করে। কাউন্সিলের অপর দুই সদস্য হলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

কাউন্সিল কার্যক্রম শুরুর পর হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হক নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতিকে জমা দেন এবং ১৯ নভেম্বর তাদের পদত্যাগ গৃহীত হয়।

২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতির বিষয়ে অভিযোগের প্রেক্ষাপটে প্রধান বিচারপতি তাদের বেঞ্চ প্রদান স্থগিত করেন। এরমধ্যে বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন গত ৩০ জানুয়ারি পদত্যাগ করেন। আর বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলাম ও এস এম মাসুদ হোসেন দোলন স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাননি।

বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান ও আশীষ রঞ্জন দাস এরই মধ্যে অবসর নিয়েছেন। এছাড়া সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্ত শেষে রাষ্ট্রপতি দু’জন বিচারপতিকে অপসারণ করেন। তারা হলেন খিজির হায়াত (১৮ মার্চ) ও খোন্দকার দিলীরুজ্জামান (২১ মে)। অপর পাঁচ বিচারপতির বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলছে।

বিডিসংবাদ/এএইচএস