ঢাকা ১২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের টস বন্ডের চারটি গুদাম সিলগালা দেশের দুই জেলায় বজ্রবৃষ্টিসহ ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কবার্তা রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, শিমের কেজি ২০০ টাকা তিন মাসে দ্বিগুণ হলো এয়ার অ্যাস্ট্রার উড়োজাহাজ বহর নেতানিয়াহুকে সমর্থন নেই ট্রাম্পের, ইরান ইস্যুতে দিলেন কড়া বার্তা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মিষ্টির শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন: ইসি বিএনপি জোটেরই থাকবে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসন: ইসি ক্যাশলেস লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার হবে সম্পূর্ণ ফ্রি

সালমানের হাত ধরে চালু হল ড্রাইভিং স্কুল!

  • আপডেট সময় : ০৩:২২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • / 281
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ  দুবাইয়ের আল কুয়োজ এলাকায় বেলহাসা ড্রাইভিং সেন্টারের পঞ্চম ব্রাঞ্চটি উদ্বোধন হল বৃহস্পতিবার।

ভিরমি খাওয়ার মতোই কথা। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ফুটপাথবাসীকে পিষে মারার অভিযোগ উঠেছিল যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে, তিনি কিনা ড্রাইভিং স্কুলের মুখ!

কিছু দিন আগেই অ্যান্টি স্মোকিংয়ের প্রচার করেছিলেন শাহরুখ খান। সেই সময় অনেকেই বলেছিলেন, এ বার হয়তো ড্রাইভিং স্কুলের প্রচার করতে দেখা যাবে সলমন খানকে। অবশেষে সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। গাল্ফ নিউজের খবর অনুযায়ী, আল কুয়েজের একটি মলে অত্যন্ত গোপনতা বজায় রেখে ড্রাইভিং স্কুলটির উদ্বোধন করেন সলমন। সেখানে হাজির হতে পেরেছিলেন একমাত্র আমন্ত্রিতরাই।

২০০২ সালে ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলায় নাম জড়ায় বলিউড তারকা সলমন খানের। প্রায় ১৩ বছর পর উপযুক্ত তথ্য প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস হয়ে যান ‘ভাইজান’। ২০১৫-র ডিসেম্বরের শুরুতে, বম্বে হাইকোর্ট রায়ে জানিয়েছিল, সলমন খান ঘটনার দিন গাড়ি চালাচ্ছিলেন এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকী ওই দিন তিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন তারও কোনও পাকাপোক্ত প্রমাণ মেলেনি। তাই ২০০২-এর ২৮ সেপ্টেম্বরের ওই রাতে সলমনের গাড়িটি কে চালাচ্ছিলেন তা কার্যত আজও রহস্য!

সাইকেল চালাতেও ভালবাসেন ‘ভাইজান’। ছবি: সলমনের ইনস্টাগ্রাম পেজের সৌজন্যে।

এখন প্রশ্ন হল, দুবাইয়ের ওই ড্রাইভিং স্কুলের শিক্ষার্থীরা কী শিখবেন? নিন্দুকেরা কিন্তু এও বলছেন যে, কী ভাবে ড্রাইভারের সিটে বসেও গাড়ি না চালানো যায়, সেটারই হয়তো ট্রেনিং হবে! দুবাইয়ের ট্রাফিক পুলিশই বলতে পারবে বেলহাসা ড্রাইভিং সেন্টারের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ।

এমন পরিস্থিতিতে সলমনকে ড্রাইভিং স্কুলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করার ঘটনা কিন্তু টুইটারেত্তিতে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সব মিলিয়ে শিরোনামে ‘ড্রাইভিং অ্যাম্বাসাডর সল্লু ভাই’!

সূত্রঃ আনন্দবাজার

নিউজটি শেয়ার করুন

সালমানের হাত ধরে চালু হল ড্রাইভিং স্কুল!

আপডেট সময় : ০৩:২২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ  দুবাইয়ের আল কুয়োজ এলাকায় বেলহাসা ড্রাইভিং সেন্টারের পঞ্চম ব্রাঞ্চটি উদ্বোধন হল বৃহস্পতিবার।

ভিরমি খাওয়ার মতোই কথা। মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ফুটপাথবাসীকে পিষে মারার অভিযোগ উঠেছিল যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে, তিনি কিনা ড্রাইভিং স্কুলের মুখ!

কিছু দিন আগেই অ্যান্টি স্মোকিংয়ের প্রচার করেছিলেন শাহরুখ খান। সেই সময় অনেকেই বলেছিলেন, এ বার হয়তো ড্রাইভিং স্কুলের প্রচার করতে দেখা যাবে সলমন খানকে। অবশেষে সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। গাল্ফ নিউজের খবর অনুযায়ী, আল কুয়েজের একটি মলে অত্যন্ত গোপনতা বজায় রেখে ড্রাইভিং স্কুলটির উদ্বোধন করেন সলমন। সেখানে হাজির হতে পেরেছিলেন একমাত্র আমন্ত্রিতরাই।

২০০২ সালে ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলায় নাম জড়ায় বলিউড তারকা সলমন খানের। প্রায় ১৩ বছর পর উপযুক্ত তথ্য প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস হয়ে যান ‘ভাইজান’। ২০১৫-র ডিসেম্বরের শুরুতে, বম্বে হাইকোর্ট রায়ে জানিয়েছিল, সলমন খান ঘটনার দিন গাড়ি চালাচ্ছিলেন এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকী ওই দিন তিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন তারও কোনও পাকাপোক্ত প্রমাণ মেলেনি। তাই ২০০২-এর ২৮ সেপ্টেম্বরের ওই রাতে সলমনের গাড়িটি কে চালাচ্ছিলেন তা কার্যত আজও রহস্য!

সাইকেল চালাতেও ভালবাসেন ‘ভাইজান’। ছবি: সলমনের ইনস্টাগ্রাম পেজের সৌজন্যে।

এখন প্রশ্ন হল, দুবাইয়ের ওই ড্রাইভিং স্কুলের শিক্ষার্থীরা কী শিখবেন? নিন্দুকেরা কিন্তু এও বলছেন যে, কী ভাবে ড্রাইভারের সিটে বসেও গাড়ি না চালানো যায়, সেটারই হয়তো ট্রেনিং হবে! দুবাইয়ের ট্রাফিক পুলিশই বলতে পারবে বেলহাসা ড্রাইভিং সেন্টারের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ।

এমন পরিস্থিতিতে সলমনকে ড্রাইভিং স্কুলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করার ঘটনা কিন্তু টুইটারেত্তিতে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সব মিলিয়ে শিরোনামে ‘ড্রাইভিং অ্যাম্বাসাডর সল্লু ভাই’!

সূত্রঃ আনন্দবাজার