ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিজ্ঞা করেন নৌকায় ভোট দেবেন: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০৪:৫২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮
  • / 327
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ  শনিবার বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার তালতলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় তিনি স্থানীয় ভোটারদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চান।

শেখ হাসিনা বলেন, “আপনাদের কাছে আমি চাই, আরেকটি বার আওয়ামী লীগকে ভোট দিন।অতীতে ভোট দিয়েছেন, আগামীতেও নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাদেরকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন।

“আপনাদের কাছে ওয়াদা চাই। প্রতিজ্ঞা করেন, নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন।”

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ‘চিরদিন অন্ধকারে ছিল’। কেবল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই এ অঞ্চলের উন্নয়ন হয়েছে।

“আজকে আমরা রূপপুরে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট করছি, আর একটি পাওয়ার প্ল্যান্ট করব এই দক্ষিণাঞ্চলে। আমি একটা দ্বীপ খুঁজে বেড়াচ্ছি, ফিজিবিলিটি স্টাডি করছি। পরীবিক্ষণ শেষ হলে পরে এখানে আমরা আরও বিদ্যুৎ কেন্দ্র করে দেব।”

বর্তমান সরকারের সময়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন করে দিচ্ছি, নদীগুলো ড্রেজিং করে দিলে একদিকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে, অপর দিকে নৌপথ সচল করে দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের যাতে প্রসার ঘটে সেই ব্যবস্থা করে দেব।এই অঞ্চলে আমরা ব্যাপক উন্নয়ন করে যাচ্ছি, যাতে আপনাদের, যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভাগ্য পরিবর্তন হয়।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের শিশু যেন ভবিষ্যতে একটি উন্নত দেশ পায়, সেই সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়েই তার সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

“আপনারা নৌকায় ভোট দিয়েছিলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে এই দেশ কখনো ব্যর্থ হয়নি। যখনই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন তখনই মানুষের জীবনমান উন্নত হয়েছে, মানুষের জীবন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে গেছে।”

এ সময় বিএনপির সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, “এরা যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এসেছে, মানুষের জীবনমান উন্নত হয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে, যাতে দেশের একটি মানুষও গৃহহীন না থাকে, একটি মানুষও যাতে দরিদ্র না থাকে।

“আমি কমিউনিটি ক্লিনিক করে দিয়েছি, বিনা পয়সায় মানুষ চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে। প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল ৩০ শয্যার ছিল, আমরা ৫০ শয্যা করে দিয়েছি।”

তিনি বলেন, কেবল রাজধানী বা শহরের মানুষের সুখের জন্য তিনি উন্নয়ন করছেন না। প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন, গ্রামের মানুষ যেন নাগরিক সুবিধা পায়, সেই চেষ্টা তিনি করে যাচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

প্রতিজ্ঞা করেন নৌকায় ভোট দেবেন: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:৫২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮

বিডিসংবাদ ডেস্কঃ  শনিবার বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার তালতলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় তিনি স্থানীয় ভোটারদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চান।

শেখ হাসিনা বলেন, “আপনাদের কাছে আমি চাই, আরেকটি বার আওয়ামী লীগকে ভোট দিন।অতীতে ভোট দিয়েছেন, আগামীতেও নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাদেরকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন।

“আপনাদের কাছে ওয়াদা চাই। প্রতিজ্ঞা করেন, নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন।”

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ‘চিরদিন অন্ধকারে ছিল’। কেবল আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই এ অঞ্চলের উন্নয়ন হয়েছে।

“আজকে আমরা রূপপুরে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট করছি, আর একটি পাওয়ার প্ল্যান্ট করব এই দক্ষিণাঞ্চলে। আমি একটা দ্বীপ খুঁজে বেড়াচ্ছি, ফিজিবিলিটি স্টাডি করছি। পরীবিক্ষণ শেষ হলে পরে এখানে আমরা আরও বিদ্যুৎ কেন্দ্র করে দেব।”

বর্তমান সরকারের সময়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন করে দিচ্ছি, নদীগুলো ড্রেজিং করে দিলে একদিকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে, অপর দিকে নৌপথ সচল করে দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের যাতে প্রসার ঘটে সেই ব্যবস্থা করে দেব।এই অঞ্চলে আমরা ব্যাপক উন্নয়ন করে যাচ্ছি, যাতে আপনাদের, যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভাগ্য পরিবর্তন হয়।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের শিশু যেন ভবিষ্যতে একটি উন্নত দেশ পায়, সেই সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়েই তার সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

“আপনারা নৌকায় ভোট দিয়েছিলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে এই দেশ কখনো ব্যর্থ হয়নি। যখনই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন তখনই মানুষের জীবনমান উন্নত হয়েছে, মানুষের জীবন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে গেছে।”

এ সময় বিএনপির সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, “এরা যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এসেছে, মানুষের জীবনমান উন্নত হয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে, যাতে দেশের একটি মানুষও গৃহহীন না থাকে, একটি মানুষও যাতে দরিদ্র না থাকে।

“আমি কমিউনিটি ক্লিনিক করে দিয়েছি, বিনা পয়সায় মানুষ চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে। প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল ৩০ শয্যার ছিল, আমরা ৫০ শয্যা করে দিয়েছি।”

তিনি বলেন, কেবল রাজধানী বা শহরের মানুষের সুখের জন্য তিনি উন্নয়ন করছেন না। প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন, গ্রামের মানুষ যেন নাগরিক সুবিধা পায়, সেই চেষ্টা তিনি করে যাচ্ছেন।