ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান

এফআর টাওয়ারের সামনে নির্মাণ করা হচ্ছে লোহার ছাউনি

  • আপডেট সময় : ০৮:১৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০১৯
  • / 198
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

রাস্তায় জনসাধারনের চলাচল নিরাপদ করতে বনানীর এফ আর টাওয়ারের সামনে রাস্তার উপরে নির্মাণ করা হচ্ছে লোহার ছাউনি। গত ২৮ মার্চ বনানীর এই ভবনে আগুন লাগার পর থেকেই বন্ধ রয়েছে সামনের রাস্তার এক পাশ। নগরীর ব্যস্ততম এই রাস্তায় যান চলাচল চালু করতে ও জনসাধারনের চলাচল নিরাপদ করতে এফ আর টাওয়ারের সামনে নির্মাণ করা হচ্ছে লোহার গ্রীল ও উচু ছাউনি।

দিনরাত কাজ করছেন শ্রমিকরা। মঙ্গলবার থেকে খুলে দেয়া হতে পারে রাস্তার এ অংশ।
বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ৮ম তলা থেকে বলে ধারণা ব্যক্ত করেছে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি।

রোববার সকাল সাড়ে ১০ টায় মন্ত্রণালয়ের ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ১২টায় পার্শ্ববর্তী সফুরা টাওয়ারে বনানী থানার অস্থায়ী কন্ট্রোলরুমে ব্রিফিংকালে কমিটির প্রধান মন্ত্রণালয়টির অতিরিক্ত সচিব ফয়জুর রহমান এ কথা জানান।
কমিটি তদন্তকালে বিভিন্ন ব্যক্তির বক্তব্য শোনেন।

বিফ্রিংয়ে তিনি জানান, ২৩ তলা ভবনের ৮ম তলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কমিটি প্রধান বলেন, আমরা পুরো ভবন ঘুরে দেখেছি যে এটি নির্মাণে বিল্ডিং কোড মানা হয়নি। আগুন লাগার পর ভবনটির ইমারজেন্সি এক্সিট অপ্রশস্থ থাকায় ভবনে অবস্থানরত মানুষ দ্রুত নামতে পারেনি এবং সেন্ট্রাল এলার্ম সিস্টেমও কাজ করেনি।

কমিটি আগামী ৩ এপ্রিলের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিবে বলে জানানো হয়। এ সময় তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত হয়েছে ২৬ জন, আহত হয়েছে অন্তত ৭০ জন। টানা ছয় ঘণ্টা চেষ্টার পর ফায়ার সার্ভিস, সেনা নৌ ও বিমান বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুণ নিয়ন্ত্রণে আসে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

এফআর টাওয়ারের সামনে নির্মাণ করা হচ্ছে লোহার ছাউনি

আপডেট সময় : ০৮:১৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০১৯

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

রাস্তায় জনসাধারনের চলাচল নিরাপদ করতে বনানীর এফ আর টাওয়ারের সামনে রাস্তার উপরে নির্মাণ করা হচ্ছে লোহার ছাউনি। গত ২৮ মার্চ বনানীর এই ভবনে আগুন লাগার পর থেকেই বন্ধ রয়েছে সামনের রাস্তার এক পাশ। নগরীর ব্যস্ততম এই রাস্তায় যান চলাচল চালু করতে ও জনসাধারনের চলাচল নিরাপদ করতে এফ আর টাওয়ারের সামনে নির্মাণ করা হচ্ছে লোহার গ্রীল ও উচু ছাউনি।

দিনরাত কাজ করছেন শ্রমিকরা। মঙ্গলবার থেকে খুলে দেয়া হতে পারে রাস্তার এ অংশ।
বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ৮ম তলা থেকে বলে ধারণা ব্যক্ত করেছে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি।

রোববার সকাল সাড়ে ১০ টায় মন্ত্রণালয়ের ৯ সদস্যের তদন্ত কমিটি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ১২টায় পার্শ্ববর্তী সফুরা টাওয়ারে বনানী থানার অস্থায়ী কন্ট্রোলরুমে ব্রিফিংকালে কমিটির প্রধান মন্ত্রণালয়টির অতিরিক্ত সচিব ফয়জুর রহমান এ কথা জানান।
কমিটি তদন্তকালে বিভিন্ন ব্যক্তির বক্তব্য শোনেন।

বিফ্রিংয়ে তিনি জানান, ২৩ তলা ভবনের ৮ম তলায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কমিটি প্রধান বলেন, আমরা পুরো ভবন ঘুরে দেখেছি যে এটি নির্মাণে বিল্ডিং কোড মানা হয়নি। আগুন লাগার পর ভবনটির ইমারজেন্সি এক্সিট অপ্রশস্থ থাকায় ভবনে অবস্থানরত মানুষ দ্রুত নামতে পারেনি এবং সেন্ট্রাল এলার্ম সিস্টেমও কাজ করেনি।

কমিটি আগামী ৩ এপ্রিলের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিবে বলে জানানো হয়। এ সময় তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত হয়েছে ২৬ জন, আহত হয়েছে অন্তত ৭০ জন। টানা ছয় ঘণ্টা চেষ্টার পর ফায়ার সার্ভিস, সেনা নৌ ও বিমান বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুণ নিয়ন্ত্রণে আসে।