ঢাকা ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

কুড়িগ্রামে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরবাড়ি গাছপালাসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা

  • আপডেট সময় : ০৯:৫১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৯
  • / 165
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

আজ মধ্যরাত ১:২৫ মিনিটের দিকে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝর উঠে আসে। আসার পর ঘুমন্ত মানুষ গুলোর ঘুম ভেঙ্গে শুধু আল্লাহ আল্লাহ শব্দটি শোনা যায়।

তবে ঝরে গতি ছিলো অনেকটাই বেশি যার ফলে ঘুমন্ত মানুষ গুলো চমকে উঠেই আতংকিত হয়। এতে ঝরের গতি কমত বেশকিছু সময় পেরিয়ে গেলেও ঝরের গতি কমতে  সময়টা অনেক বেশি ছিলো প্রায় ৪০ মিনিট।

তার পর বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে প্রায় বাড়ীতেই নরমাল ঘর গুলো পরে গেছে। আবার কৃষকের ধান. পাট. আম. কাঠালসহ সকল প্রকারের গাছপালা গুলো ঝরের তীব্র চাপে ভেঙে ঘর বাড়ীর উপরে পরেই

ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশি। ঝরের বিষয় উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলী জানা আমার এলাকায় ঝর হওয়াতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাজিবপুর উপজেলার সদর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বাদল জানান সবচাইতে কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে।

চর শৈলমারী ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক মন্ডল জানায় আমার এলাকায় ২০০টির উপরে বাড়ীর অস্তিত্ব নেই। একইভাবে প্রতিটি জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কুড়িগ্রামে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরবাড়ি গাছপালাসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৯

কড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

আজ মধ্যরাত ১:২৫ মিনিটের দিকে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝর উঠে আসে। আসার পর ঘুমন্ত মানুষ গুলোর ঘুম ভেঙ্গে শুধু আল্লাহ আল্লাহ শব্দটি শোনা যায়।

তবে ঝরে গতি ছিলো অনেকটাই বেশি যার ফলে ঘুমন্ত মানুষ গুলো চমকে উঠেই আতংকিত হয়। এতে ঝরের গতি কমত বেশকিছু সময় পেরিয়ে গেলেও ঝরের গতি কমতে  সময়টা অনেক বেশি ছিলো প্রায় ৪০ মিনিট।

তার পর বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে প্রায় বাড়ীতেই নরমাল ঘর গুলো পরে গেছে। আবার কৃষকের ধান. পাট. আম. কাঠালসহ সকল প্রকারের গাছপালা গুলো ঝরের তীব্র চাপে ভেঙে ঘর বাড়ীর উপরে পরেই

ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশি। ঝরের বিষয় উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলী জানা আমার এলাকায় ঝর হওয়াতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাজিবপুর উপজেলার সদর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বাদল জানান সবচাইতে কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে।

চর শৈলমারী ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক মন্ডল জানায় আমার এলাকায় ২০০টির উপরে বাড়ীর অস্তিত্ব নেই। একইভাবে প্রতিটি জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।