আগুনে পুড়ছে মহাবন আমাজন, চিন্তিত ব্রাজিল প্রবাসীরা
- আপডেট সময় : ০৯:৩২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৯
- / 576
মীর আহম্মেদ মীরু, ব্রাজিল থেকেঃ
‘পৃথিবীর ফুসফুস’ খ্যাত আমাজন রেইনফরেস্ট ভয়াবহ আগুনে পুড়ছে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে। গত তিন সপ্তাহ ধরে যে ভয়ঙ্কর দাবানল সংঘটিত হয়েছে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন সারা বিশ্ববাসী। পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ সরবারাহ করে এই অরণ্য। যদি তা ধংস হয়ে যায় তাহলে তা হবে পৃথিবীর জলবায়ুর জন্য বড়মাত্রার হুমকিস্বরুপ। যদিও এই নিয়ে নড়েচড়ে বসেছেন পরিবেশবিদসহ বিশ্লেষকরা।
আমাজন মহাবন ৯টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত যার মধ্যে দক্ষিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের রয়েছে এটির ৬০ শতাংশ জায়গা ।

এই পরিস্থিতিতে ব্রাজিলে বসবাসরত প্রবাসীদের মনে তৈরী হয়েছে এক প্রবল দুশ্চিন্তা ও আতংক। ইতোমধ্যে আগুনের ধোয়ায় আমাজন থেকে ২৭০০ মাইল দূরে ব্রাজিলের শিল্প নগরী সাও পাওলো ঢেকে গেছে। পরিবেশটা তৈরী হয়েছে দিনের বেলাতেও রাতের অন্ধকার।
এরিমধ্যে আগুন মোকাবেলায় কার্যকরী তৎপরতা ও পদক্ষেপ নিতে দেরি করায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন ব্রাজিল সরকার। এ অবস্থায় ব্রাজিলের নতুন প্রেসিডেন্ট জায়ার বোলসোনারোর উপর আভিযোগ এসেছে তাঁর কট্টর ডানপন্থি মনোভাব এবং তাঁর উদ্ভট নিয়ম-নীতির কারণে আমাজন বন উজার করা হচ্ছে যার ফলে সংঘটিত হচ্ছে এই দাবানল। বলা হচ্ছে এটি একটি কুচক্রী মহলের চক্রান্ত।

ব্রাজিল সাও পাওলোতে বসবাসরত প্রবাসী তাজমহল হোটেলের মালিক সাইফুল ইসলাম জানান,”ব্রাজিলের অর্থনৈতিক অবস্থা ৬-৭ বছর আগের মত চাঙ্গা নয় এবং টাকার মান তুলনামূলক উন্নয়নশীল দেশ থেকে কম। আশায় ছিলাম নতুন সরকার এলে হয়তো এ অবস্থার পরিত্রাণ হবে, কিন্তু এবারও হয়তো আশাহত হতে হচ্ছে আমাদের।
আরেক ব্রাজিল প্রবাসী জানান, “পৃথিবীর আবহাওয়া ও জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষায় আমাজনের ভূমিকা অপরিহার্য, এভাবে একটি বন ধংস হয়ে যেতে পারে না। আমরা এই ব্যাপারে সারা বিশ্বের সহায়তা কামনা করছি।
এই দিকে ব্রাজিল সরকার একের পর এক আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রত্যাখান করছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন সমালোচনা। সর্বশেষ জি-সেভেনের ২ কোটি ৭০ লাখ অর্থ সহায়তার প্রত্যাখান করে ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট।
বিডিসংবাদ/এএইচএস




















