ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

করোনা ভাইরাস কী, কীভাবে ছড়ায়!

  • আপডেট সময় : ০৬:৩৩:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০
  • / 187
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

চীনে নতুন করোনা ভাইরাস মহামারিতে রূপ নেয় কিনা সেই আতঙ্কে ভুগছে বিশ্ব। গত ডিসেম্বর থেকে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে দেশটিতে। এই ভাইরাস সার্স ভাইরাসের মতোই প্রাণঘাতী।

চীনের উহান শহর থেকে এটি প্রথম ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি শনাক্ত করেন বিজ্ঞানী লিও পুন। তিনি মনে করেন, ভাইরাসটি কোনো প্রাণীতে সংক্রমিত হয়েছিল এবং এটি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন মানুষ থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হচ্ছে।

হংকং ইউনিভার্সিটির পাবলিক হেলথ স্কুলের ভাইরোলজিস্ট লিও পুন বলেন, ‘ভাইরাসটি নিউমোনিয়ার মতো অসুস্থতা তৈরি করে। কিন্তু কোনো অ্যান্টিবায়োটিকে সাড়া দেয় না। তবে করোনা ভাইরাস কতোটা মারাত্মক হয়ে উঠবে তা এখনো পরিষ্কার নয়।’

চীন সরকার বলছে, এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে অন্তত ৫০০ জন আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। তবে বেসরকারি হিসাব বলছে, আক্রান্তের সংখ্যা আরো বেশি। চীনের নতুন নতুন শহরেও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এই ভাইরাস ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এছাড়া বিভিন্ন দেশ কীভাবে এই ভাইরাস মোকাবেলার প্রস্তুতি নেবে, আক্রান্ত রোগীদের কীভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং কী ধরনের চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে, সে সম্পর্কে ইতোমধ্যে দিকনির্দেশনাও দিয়েছে সংস্থাটি। নতুন এই ভাইরাসের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে বাংলাদেশও।

করোনা ভাইরাস কী?

করোনা ভাইরাস হচ্ছে ভাইরাসে একটি বড় গ্রুপ। অর্থাৎ অনেক ধরনের করোনা ভাইরাস রয়েছে। প্রাণীদের মধ্যে এ ধরনের ভাইরাস কমন। বিরল ক্ষেত্রে এই ভাইরাস বিজ্ঞানীদের ভাষায় জুনোটিক হতে পারে। অর্থাৎ প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে। মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে এমন ৬টি করোনা ভাইরাস এতদিন পরিচিত ছিল। এখন যেগুলোতে মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে সেগুলো নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস। আগে থেকে অপরিচিত এই ভাইরাস ভাইরাল নিউমোনিয়াকে মহামারির দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কীভাবে ছড়ায় এই ভাইরাস?

মার্স ভাইরাস ছড়িয়েছিল উট থেকে। সার্স ভাইরাসের জন্য বিজ্ঞানীরা খাটাশ জাতীয় বিড়ালকে দায়ী করেছেন। করোনা ভাইরাস তখনই সুস্থ মানুষের সংস্পর্শে আসবে যখন কেউ আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসে। ভাইরাসটি কতটা সংক্রামক, তার উপর নির্ভর করে কাশি, হাঁচি বা হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তি ছুঁয়েছে এমন কিছু স্পর্শ করার পর সেই হাত দিয়ে মুখ, নাক বা চোখ স্পর্শ করলে সংক্রমণ হতে পারে। এমনকি রোগীর বর্জ্য থেকে চিকিৎসকরাও আক্রান্ত হতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

করোনা ভাইরাস কী, কীভাবে ছড়ায়!

আপডেট সময় : ০৬:৩৩:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

চীনে নতুন করোনা ভাইরাস মহামারিতে রূপ নেয় কিনা সেই আতঙ্কে ভুগছে বিশ্ব। গত ডিসেম্বর থেকে এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে দেশটিতে। এই ভাইরাস সার্স ভাইরাসের মতোই প্রাণঘাতী।

চীনের উহান শহর থেকে এটি প্রথম ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি শনাক্ত করেন বিজ্ঞানী লিও পুন। তিনি মনে করেন, ভাইরাসটি কোনো প্রাণীতে সংক্রমিত হয়েছিল এবং এটি মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন মানুষ থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হচ্ছে।

হংকং ইউনিভার্সিটির পাবলিক হেলথ স্কুলের ভাইরোলজিস্ট লিও পুন বলেন, ‘ভাইরাসটি নিউমোনিয়ার মতো অসুস্থতা তৈরি করে। কিন্তু কোনো অ্যান্টিবায়োটিকে সাড়া দেয় না। তবে করোনা ভাইরাস কতোটা মারাত্মক হয়ে উঠবে তা এখনো পরিষ্কার নয়।’

চীন সরকার বলছে, এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে অন্তত ৫০০ জন আক্রান্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। তবে বেসরকারি হিসাব বলছে, আক্রান্তের সংখ্যা আরো বেশি। চীনের নতুন নতুন শহরেও করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এই ভাইরাস ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এছাড়া বিভিন্ন দেশ কীভাবে এই ভাইরাস মোকাবেলার প্রস্তুতি নেবে, আক্রান্ত রোগীদের কীভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং কী ধরনের চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে, সে সম্পর্কে ইতোমধ্যে দিকনির্দেশনাও দিয়েছে সংস্থাটি। নতুন এই ভাইরাসের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে বাংলাদেশও।

করোনা ভাইরাস কী?

করোনা ভাইরাস হচ্ছে ভাইরাসে একটি বড় গ্রুপ। অর্থাৎ অনেক ধরনের করোনা ভাইরাস রয়েছে। প্রাণীদের মধ্যে এ ধরনের ভাইরাস কমন। বিরল ক্ষেত্রে এই ভাইরাস বিজ্ঞানীদের ভাষায় জুনোটিক হতে পারে। অর্থাৎ প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে। মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে এমন ৬টি করোনা ভাইরাস এতদিন পরিচিত ছিল। এখন যেগুলোতে মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে সেগুলো নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস। আগে থেকে অপরিচিত এই ভাইরাস ভাইরাল নিউমোনিয়াকে মহামারির দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কীভাবে ছড়ায় এই ভাইরাস?

মার্স ভাইরাস ছড়িয়েছিল উট থেকে। সার্স ভাইরাসের জন্য বিজ্ঞানীরা খাটাশ জাতীয় বিড়ালকে দায়ী করেছেন। করোনা ভাইরাস তখনই সুস্থ মানুষের সংস্পর্শে আসবে যখন কেউ আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসে। ভাইরাসটি কতটা সংক্রামক, তার উপর নির্ভর করে কাশি, হাঁচি বা হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তি ছুঁয়েছে এমন কিছু স্পর্শ করার পর সেই হাত দিয়ে মুখ, নাক বা চোখ স্পর্শ করলে সংক্রমণ হতে পারে। এমনকি রোগীর বর্জ্য থেকে চিকিৎসকরাও আক্রান্ত হতে পারেন।