ঋতুরাজ বসন্তে সেজেছে ডিআইআইটি
- আপডেট সময় : ১১:৩১:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০
- / 856
ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে প্রকৃতি এবং বাঙালীরা সাজে নানা রঙের বাহারে। বসন্তের হাত ধরে একদিন পরেই (১৪ ফেব্রুয়ারি) আসে ভালবাসা দিবস। কিন্ত এই বছর লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষের জন্য বসন্ত এবং ভালোবাসা আজ দুটো একই দিনে।
তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৩ই ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার রাজধানীর অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অফ আইটি’তে (ডিআইআইটি) ১৭তম ব্যাচের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় বসন্ত বরণ ও পিঠা উৎসব ১৪২৬।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মো. শাখাওয়াত হোসেন‘র সভাপতিত্বে সকলের উপস্থিতিতে ঝাঁকঝমকপূর্ণ এই আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ফ্যামিলির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ নূরুজ্জামান। উক্ত অনুষ্ঠান শুরুর প্রথমে অতিথিকে স্বাগত ফুলের অভ্যর্থনা জানায় শিক্ষার্থীরা এবং পরে কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় মূল কার্যকলাপ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ নূরুজ্জামান বলেন, “শীতের পর বসন্তের আগমনে গাছের পাতা যেমন নতুনভাবে পূনর্জীবিত হয় বা জন্মায় ঠিক তেমনি মানুষ হিসেবে নিজেকে আগের থেকে পরিবর্তন করতে হবে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
তিনি এই প্রজন্মের তরুণদের বাংলার সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন,” বাঙালী সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও কৃষ্টি আদিকাল থেকে চলে আসছে এবং বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতে ধরে রাখতে তোমাদেরকেই তা লালন করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অফ আইটি-এর অধ্যক্ষ মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন,” ছয়টি ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রতিটি ঋতু পরিবর্তনে নতুন কিছুর আগমন ঘটে, সেভাবে ছাত্র হিসেবে তোমরা সবাই নিজেদের মানসিকতা এবং চিন্তা চেতনার পরিবর্তন ঘটাবে।
তিনি এই অনুষ্ঠান আয়োজনকারীদের দায়িত্বের প্রতি ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন,” আমি এবারের ফাল্গুন ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠান আয়োজকদের কর্মাকান্ডে সত্যিই বিমোহিত। কারণ এটি উদযাপন করতে আমার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ছিল অন্যবারের থেকে অবিস্মরণীয়।


এই সময় অনুষ্ঠানে ডিআইআইটিতে আয়োজিত চেজ ইউর ড্রিম কন্টেস্টে অংশগ্রহনকারী বিজয়ীদের এবং প্রতিষ্ঠানটিতে বিভিন্ন সময় ইতিবাচক কর্মকান্ডে বিশেষভাবে নিয়োজিত থাকায় শিক্ষার্থীদের অবদানস্বরুপ পুরষ্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রথম অংশ শেষে প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদের পিঠা স্টল উদ্বোধন এবং পরিদর্শন করেন।


বসন্ত বরণের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা বাঙালী ঐতিহ্যবাহী নানা স্বাদের পিঠার সমারোহ নিয়ে নানা বৈচিত্র্যের স্টল দেয়, যে স্টলগুলোর নামেও রয়েছে বৈচিত্র যেমন – বাবুই ঝাক, কুটুমবাড়ী, চড়ুই ভাতি, খানা বাজি, কুঞ্জ লতা, নান্দনিক পিঠা, রকমারি পিঠা ইত্যাদি।

সবশেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতির অনুষ্ঠান আয়োজনে মধ্য দিয়ে শেষ হয় পুরো অনুষ্ঠান।
বিডিসংবাদ/সামি




















