ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ট্রাম্পের ইরান নীতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ওবামার তীব্র সমালোচনা টঙ্গীতে শিশু নিপীড়নের মামলায় মাদ্রাসা শিক্ষকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর বহরে নতুন এয়ারবাস এ৩২১এলআর যোগ করছে কাতার এয়ারওয়েজ নেতানিয়াহুসহ ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তুরস্কে মানবতাবিরোধী মামলার বিচার শুরু হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিসে ফের হামলা ও আগুন দেওয়ার চেষ্টা চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চারটি নতুন পাঠ্যবই অনুমোদন দিল এনসিসিসি খুলনার শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্পে অনিয়ম: ৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোমবার থেকে খুলছে স্কুল-মাদরাসা, কলেজে ক্লাস ১ নভেম্বর রিয়াদে ফ্লাইট চালুর পরই বিস্ফোরণ, আকাশজুড়ে নতুন আতঙ্ক ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কমনওয়েলথ বৈঠকে যোগ দেবেন হুমায়ুন কবির

পাগলা মস‌জি‌দের দানবাক্সে ১৫ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

  • আপডেট সময় : ০৩:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অক্টোবর ২০২২
  • / 139
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

এবার কি‌শোরগঞ্জ পাগলা মস‌জি‌দের দানবাক্স খু‌লে পাওয়া গে‌ল ১৫ বস্তা টাকা। সাথে মিলেছে স্বর্ণালঙ্কার ও বিদেশী মুদ্রাও।

শনিবার সকা‌লে পাগলা মসজিদের আটটি লোহার দানবাক্স ‌খোলা হয়। তিন মাসের ব্যবধানে কোনো দানবাক্সে বিপুল পরিমাণে অর্থ মিলল।

সকালে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় স্থানীয় এক‌টি ব্যাংকের ৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী, মস‌জিদ ক‌মি‌টির ৩৫ জন, মসজিদ ক্যাম্পাস মাদরাসার দেড় শতা‌ধিক ‌শিক্ষার্থীসহ দুই শতাধিক মানুষ টাকা গণনার কা‌জে অংশ নেয়।

‌কি‌শোরগ‌ঞ্জের অতি‌রিক্ত জেলা ম্যা‌জি‌স্ট্রেট এটিএম ফরহাদ চৌধুরী জানান, সারা দিন ধ‌রে টাকাগু‌লো গণনার কাজ চল‌বে। সন্ধ্যা নাগাদ জানা যা‌বে দা‌নের টাকার প‌রিমাণ।

এর আগে সর্বশেষ ২ জুলাই তিন মাস ২০ দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। তখন তিন কোটি ৬০ লাখ ২৮ হাজার ৪১৫ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গিয়েছিল। এবার তিন মাস এক দিন পর দান সিন্দুকগুলো খোলা হলো।

মসজিদের খতিব, এলাকাবাসী ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা লোকজন সূত্রে জানা যায়, এই মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূর্ণ হয়। এমন ধারণা থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এখানে দান করে থাকেন।

জনশ্রুতি রয়েছে, এক সময় এক আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের বাস ছিল কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া ও রাখুয়াইল এলাকার মাঝপথে প্রবাহিত নরসুন্দা নদের মধ্যবর্তী স্থানে জেগে ওঠা উঁচু টিলাকৃতির স্থানটিতে। মুসলিম-হিন্দু নির্বিশেষে সব ধর্মের লোকজনের যাতায়াত ছিল ওই সাধকের আস্তানায়। ওই পাগল সাধকের দেহাবসানের পর তার উপাসনালয়টিকে কামেল পাগল পীরের মসজিদ হিসেবে ব্যবহার শুরু করে এলাকাবাসী।

দা‌নের টাকা থে‌কে নিজস্ব খরচ মি‌টি‌য়েও জেলার বিভিন্ন মসজিদ- মাদ্রাসা এতিমখানাসহ গরিব ছাত্রদের মাঝে ব্যয় করা হয়। টাকা দেয়া হয় নানা সামা‌জিক কা‌জে। বা‌কি টাকা রুপালী ব্যাংকে জমা রাখা হয়।

পাগলা মস‌জিদ প‌রিচালনা ক‌মি‌টির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মাহমুদ পার‌ভেজ জানান, মস‌জি‌দের দানের টাকা দি‌য়ে শত কো‌টি টাকা ব্য‌য়ে নতুন মস‌জিদ কম‌প্লেক্স নির্মা‌ণের উদ্যোগ নেয়া হ‌য়ে‌ছে।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পাগলা মস‌জি‌দের দানবাক্সে ১৫ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

আপডেট সময় : ০৩:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অক্টোবর ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

এবার কি‌শোরগঞ্জ পাগলা মস‌জি‌দের দানবাক্স খু‌লে পাওয়া গে‌ল ১৫ বস্তা টাকা। সাথে মিলেছে স্বর্ণালঙ্কার ও বিদেশী মুদ্রাও।

শনিবার সকা‌লে পাগলা মসজিদের আটটি লোহার দানবাক্স ‌খোলা হয়। তিন মাসের ব্যবধানে কোনো দানবাক্সে বিপুল পরিমাণে অর্থ মিলল।

সকালে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় স্থানীয় এক‌টি ব্যাংকের ৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী, মস‌জিদ ক‌মি‌টির ৩৫ জন, মসজিদ ক্যাম্পাস মাদরাসার দেড় শতা‌ধিক ‌শিক্ষার্থীসহ দুই শতাধিক মানুষ টাকা গণনার কা‌জে অংশ নেয়।

‌কি‌শোরগ‌ঞ্জের অতি‌রিক্ত জেলা ম্যা‌জি‌স্ট্রেট এটিএম ফরহাদ চৌধুরী জানান, সারা দিন ধ‌রে টাকাগু‌লো গণনার কাজ চল‌বে। সন্ধ্যা নাগাদ জানা যা‌বে দা‌নের টাকার প‌রিমাণ।

এর আগে সর্বশেষ ২ জুলাই তিন মাস ২০ দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। তখন তিন কোটি ৬০ লাখ ২৮ হাজার ৪১৫ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গিয়েছিল। এবার তিন মাস এক দিন পর দান সিন্দুকগুলো খোলা হলো।

মসজিদের খতিব, এলাকাবাসী ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা লোকজন সূত্রে জানা যায়, এই মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূর্ণ হয়। এমন ধারণা থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এখানে দান করে থাকেন।

জনশ্রুতি রয়েছে, এক সময় এক আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের বাস ছিল কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া ও রাখুয়াইল এলাকার মাঝপথে প্রবাহিত নরসুন্দা নদের মধ্যবর্তী স্থানে জেগে ওঠা উঁচু টিলাকৃতির স্থানটিতে। মুসলিম-হিন্দু নির্বিশেষে সব ধর্মের লোকজনের যাতায়াত ছিল ওই সাধকের আস্তানায়। ওই পাগল সাধকের দেহাবসানের পর তার উপাসনালয়টিকে কামেল পাগল পীরের মসজিদ হিসেবে ব্যবহার শুরু করে এলাকাবাসী।

দা‌নের টাকা থে‌কে নিজস্ব খরচ মি‌টি‌য়েও জেলার বিভিন্ন মসজিদ- মাদ্রাসা এতিমখানাসহ গরিব ছাত্রদের মাঝে ব্যয় করা হয়। টাকা দেয়া হয় নানা সামা‌জিক কা‌জে। বা‌কি টাকা রুপালী ব্যাংকে জমা রাখা হয়।

পাগলা মস‌জিদ প‌রিচালনা ক‌মি‌টির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মাহমুদ পার‌ভেজ জানান, মস‌জি‌দের দানের টাকা দি‌য়ে শত কো‌টি টাকা ব্য‌য়ে নতুন মস‌জিদ কম‌প্লেক্স নির্মা‌ণের উদ্যোগ নেয়া হ‌য়ে‌ছে।

বিডিসংবাদ/এএইচএস