ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

কৃষিপণ্যের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণে নীতিমালা অনুমোদন মন্ত্রিসভার

  • আপডেট সময় : ১১:৩৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৩
  • / 140
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

কৃষিপণ্যের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ যৌক্তিক দাম নির্ধারণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে বিপণন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং কৃষকদের জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মন্ত্রিসভা জাতীয় কৃষি বিপণন নীতি, ২০২৩-এর খসড়া অনুমোদন করেছে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, ‘কৃষি পণ্যের বিপণন ব্যবস্থার আধুনিকায়নের লক্ষ্যে কিছু লক্ষ্য ও লক্ষ্যমাত্রা অন্তর্ভুক্ত করে নীতিটি তৈরি করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, নীতিমালায় কৃষিপণ্যের বাজার কিভাবে মনিটরিং করা যায় এবং কৃষকদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেয়া যায় তার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষিপণ্যের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

নীতি অনুসারে নেয়া অন্যান্য পদক্ষেপগুলো হলো- কৃষক ও বাজারের মধ্যে সংযোগ বাড়ানো, তথ্য ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করা, বিপণন অবকাঠামোর উন্নয়ন, ডিজিটাল বাজারের প্রচার, গ্রুপভিত্তিক, গোষ্ঠীভিত্তিক ও চুক্তিভিত্তিক বিপণনকে শক্তিশালী করা, ই-কৃষি বিপণনের প্রচারের অন্তর্ভুক্ত সিস্টেম এবং ডিজিটাল বাজার এবং সামগ্রিক সরবরাহ চেইন উন্নয়ন করা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নীতিমালা অনুমোদনের সময় প্রধানমন্ত্রী এ খাতের আধুনিকীকরণ, পণ্যের আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এবং প্রক্রিয়াজাত পণ্য রফতানিকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে একটি কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশী প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের বাজার বিশ্বব্যাপী তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশী প্রবাসী সম্প্রদায়ের লোকেরা পণ্য ব্যবহার করে এবং বিদেশী লোকেরাও পণ্যগুলোর প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মাহবুব হোসেন আরো বলেন, পাটজাত পণ্যকে শিল্প পণ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। কিন্তু এখন পাটের আঁশের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পণ্যের জন্য একটি বিশাল সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তাই, এখন এই বিশাল সম্ভাবনা উন্মোচন করতে পাটজাত পণ্যকে কৃষি পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

শরীয়তপুরে দেশের নবম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শেখ হাসিনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদনও দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মাহবুব হোসেন বলেন, ‘এটি বর্তমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি ইনস্টিটিউট হবে।’

এছাড়াও মন্ত্রিসভা একটি বিদ্যমান অধ্যাদেশ প্রতিস্থাপনের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০২৩-এর খসড়া অনুমোদন করেছে, যা সরকারকে গণশুনানি ছাড়াই গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করার পথ প্রশস্ত করেছে।

২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২২’- বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আইন-২০০৩ সংশোধন করে জারি করা হয়েছিল।

গত ৫ জানুয়ারি সংসদে নতুন অধ্যাদেশ পেশ করা হয়।

তিনি বলেন, ‘এই অধ্যাদেশ এখন আইনে পরিণত হচ্ছে। এখানে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি। এটি অধ্যাদেশের মতোই।’

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কৃষিপণ্যের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণে নীতিমালা অনুমোদন মন্ত্রিসভার

আপডেট সময় : ১১:৩৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৩

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

কৃষিপণ্যের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ যৌক্তিক দাম নির্ধারণসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে বিপণন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং কৃষকদের জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মন্ত্রিসভা জাতীয় কৃষি বিপণন নীতি, ২০২৩-এর খসড়া অনুমোদন করেছে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, ‘কৃষি পণ্যের বিপণন ব্যবস্থার আধুনিকায়নের লক্ষ্যে কিছু লক্ষ্য ও লক্ষ্যমাত্রা অন্তর্ভুক্ত করে নীতিটি তৈরি করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, নীতিমালায় কৃষিপণ্যের বাজার কিভাবে মনিটরিং করা যায় এবং কৃষকদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেয়া যায় তার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষিপণ্যের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

নীতি অনুসারে নেয়া অন্যান্য পদক্ষেপগুলো হলো- কৃষক ও বাজারের মধ্যে সংযোগ বাড়ানো, তথ্য ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করা, বিপণন অবকাঠামোর উন্নয়ন, ডিজিটাল বাজারের প্রচার, গ্রুপভিত্তিক, গোষ্ঠীভিত্তিক ও চুক্তিভিত্তিক বিপণনকে শক্তিশালী করা, ই-কৃষি বিপণনের প্রচারের অন্তর্ভুক্ত সিস্টেম এবং ডিজিটাল বাজার এবং সামগ্রিক সরবরাহ চেইন উন্নয়ন করা।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, নীতিমালা অনুমোদনের সময় প্রধানমন্ত্রী এ খাতের আধুনিকীকরণ, পণ্যের আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা এবং প্রক্রিয়াজাত পণ্য রফতানিকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে একটি কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশী প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের বাজার বিশ্বব্যাপী তৈরি হওয়ায় বাংলাদেশী প্রবাসী সম্প্রদায়ের লোকেরা পণ্য ব্যবহার করে এবং বিদেশী লোকেরাও পণ্যগুলোর প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

মাহবুব হোসেন আরো বলেন, পাটজাত পণ্যকে শিল্প পণ্য হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। কিন্তু এখন পাটের আঁশের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পণ্যের জন্য একটি বিশাল সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তাই, এখন এই বিশাল সম্ভাবনা উন্মোচন করতে পাটজাত পণ্যকে কৃষি পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

শরীয়তপুরে দেশের নবম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শেখ হাসিনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদনও দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

মাহবুব হোসেন বলেন, ‘এটি বর্তমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি ইনস্টিটিউট হবে।’

এছাড়াও মন্ত্রিসভা একটি বিদ্যমান অধ্যাদেশ প্রতিস্থাপনের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০২৩-এর খসড়া অনুমোদন করেছে, যা সরকারকে গণশুনানি ছাড়াই গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করার পথ প্রশস্ত করেছে।

২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২২’- বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আইন-২০০৩ সংশোধন করে জারি করা হয়েছিল।

গত ৫ জানুয়ারি সংসদে নতুন অধ্যাদেশ পেশ করা হয়।

তিনি বলেন, ‘এই অধ্যাদেশ এখন আইনে পরিণত হচ্ছে। এখানে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি। এটি অধ্যাদেশের মতোই।’

সূত্র : ইউএনবি

বিডিসংবাদ/এএইচএস