ঢাকা ১২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের টস বন্ডের চারটি গুদাম সিলগালা দেশের দুই জেলায় বজ্রবৃষ্টিসহ ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কবার্তা রাজধানীর বাজারে সবজির চড়া দাম, শিমের কেজি ২০০ টাকা তিন মাসে দ্বিগুণ হলো এয়ার অ্যাস্ট্রার উড়োজাহাজ বহর নেতানিয়াহুকে সমর্থন নেই ট্রাম্পের, ইরান ইস্যুতে দিলেন কড়া বার্তা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মিষ্টির শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন: ইসি বিএনপি জোটেরই থাকবে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসন: ইসি ক্যাশলেস লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার হবে সম্পূর্ণ ফ্রি

মেঘনা ও তেতুঁলিয়ায় নদী থেকে বালু উত্তোলন : হুমকিতে ভোলা

  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০১৭
  • / 395
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলা প্রতিনিধি॥

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভোলার মেঘনা  ও তেতুঁলিয়া নদী থেকে বালু উত্তোলন চলছে। আর অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভোলা শহররক্ষা প্রকল্প ও মেঘনা  ও তেতুঁলিয়া পাড়ের জনবসতি। ভাঙন থেকে লোকালয় রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি ভোলাবাসীর। আইন শৃঙ্খলারক্ষা বাহিনীর মাধ্যমে বালুচোরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার  জোর দাবী জানান তারা।

মেঘনার হাট পয়েন্টখ্যাত ইলিশা ফেরিঘাট থেকে মাত্র ২শ মিটার দূরে গত একমাস ধরে দিনরাত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ স্থানীয় প্রশাসনের সামনে অবৈধভাবে তোলা এসব বালু দিয়েই চলছে তীর সংরক্ষণের ব্লক নির্মাণকাজ। এভাবেই মেঘনার প্রায় ৯০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন চলছে। অসাধু  কিছু ব্যবসায়ীরা পরিবহন খরচ কমানোর জন্য অপরিকল্পিতভাবে নদীর তীর থেকেই বালু উত্তোলন করছে। এতে বর্ষা মৌসুমে ভাঙন যেমন বেড়ে যায়, আর হুমকির মুখে পড়েছে ভাঙন রোধে করা তীর সংরক্ষণ কাজ।

এলাকাবাসীরা বলেন, এভাবে বালু কাটলে আমাদের নদী বেশি ভাঙ্গে। আজ এক মাসের মত বালু কাটছে। প্রশাসন কোন ভূমিকা নিচ্ছে না। বালু উত্তোলনকারী বলেন, যে পুকুর নালা ভরাট করে ব্লক করে রাখে আমরা ওই জায়গায় বালু দেয়।

আর নদী ভাঙন থেকে ভোলাকে রক্ষার স্বার্থে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন এ উন্নয়নকর্মী। তিনি বলেন, কোন ভাবেই অপরিকল্পিত ভাবে বালু উত্তোলন করা উচিত না। তবে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে জানিয়ে জেলার এ শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, বালু উত্তোলন বন্ধে পুলিশ-কোস্ট গার্ডকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে ভোলার জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা কোষ্ট গার্ডকে এর মধ্যে নির্দেশনা দিয়েছি। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বালু উত্তোলন করতে দেবো না।

পরিবেশ রক্ষায় হাইকোর্ট ২০১৫ সালে মেঘনা নদীতে বালু উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় গত ৩ মাসে ৪টি ড্রেজার আটক ও ১৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। তার পরও থেমে নেই অবৈধ ব্যবসায়ীদের নদীর তীর থেকে বালু উত্তোলন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মেঘনা ও তেতুঁলিয়ায় নদী থেকে বালু উত্তোলন : হুমকিতে ভোলা

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ মার্চ ২০১৭

ভোলা প্রতিনিধি॥

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভোলার মেঘনা  ও তেতুঁলিয়া নদী থেকে বালু উত্তোলন চলছে। আর অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভোলা শহররক্ষা প্রকল্প ও মেঘনা  ও তেতুঁলিয়া পাড়ের জনবসতি। ভাঙন থেকে লোকালয় রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি ভোলাবাসীর। আইন শৃঙ্খলারক্ষা বাহিনীর মাধ্যমে বালুচোরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার  জোর দাবী জানান তারা।

মেঘনার হাট পয়েন্টখ্যাত ইলিশা ফেরিঘাট থেকে মাত্র ২শ মিটার দূরে গত একমাস ধরে দিনরাত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ স্থানীয় প্রশাসনের সামনে অবৈধভাবে তোলা এসব বালু দিয়েই চলছে তীর সংরক্ষণের ব্লক নির্মাণকাজ। এভাবেই মেঘনার প্রায় ৯০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন চলছে। অসাধু  কিছু ব্যবসায়ীরা পরিবহন খরচ কমানোর জন্য অপরিকল্পিতভাবে নদীর তীর থেকেই বালু উত্তোলন করছে। এতে বর্ষা মৌসুমে ভাঙন যেমন বেড়ে যায়, আর হুমকির মুখে পড়েছে ভাঙন রোধে করা তীর সংরক্ষণ কাজ।

এলাকাবাসীরা বলেন, এভাবে বালু কাটলে আমাদের নদী বেশি ভাঙ্গে। আজ এক মাসের মত বালু কাটছে। প্রশাসন কোন ভূমিকা নিচ্ছে না। বালু উত্তোলনকারী বলেন, যে পুকুর নালা ভরাট করে ব্লক করে রাখে আমরা ওই জায়গায় বালু দেয়।

আর নদী ভাঙন থেকে ভোলাকে রক্ষার স্বার্থে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন এ উন্নয়নকর্মী। তিনি বলেন, কোন ভাবেই অপরিকল্পিত ভাবে বালু উত্তোলন করা উচিত না। তবে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে জানিয়ে জেলার এ শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, বালু উত্তোলন বন্ধে পুলিশ-কোস্ট গার্ডকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে ভোলার জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা কোষ্ট গার্ডকে এর মধ্যে নির্দেশনা দিয়েছি। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বালু উত্তোলন করতে দেবো না।

পরিবেশ রক্ষায় হাইকোর্ট ২০১৫ সালে মেঘনা নদীতে বালু উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় গত ৩ মাসে ৪টি ড্রেজার আটক ও ১৫ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। তার পরও থেমে নেই অবৈধ ব্যবসায়ীদের নদীর তীর থেকে বালু উত্তোলন।