ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুরাদনগরে দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান

বলিউড অভিনেত্রীসহ পুরো পরিবারকে হত্যা, বাবার মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪
  • / 129
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি


বিনোদন ডেস্ক
২০১১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হন বলিউড অভিনেত্রী লায়লা খান ও তার পরিবারের পাঁচ সদস্য। প্রায় এক বছর পর ২০১২ সালের জুলাই মাসে ইগতপুরীতে অভিনেত্রীর ফার্ম হাউসের একটি গর্ত থেকে উদ্ধার হয় পচা-গলা মৃতদেহ। তাদের হত্যা করেছিলেন লায়লার সৎবাবা পারভেজ তাক। অবশেষে প্রায় ১৩ বছর পর এই হত্যাকাণ্ডের রায় দিয়েছেন মুম্বাইয়ের একটি আদালত।

হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হওয়া লায়লার সৎবাবা পারভেজ তাককে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (২৪ মে) মুম্বাইয়ের সেশন কোর্ট এ রায় দেন আদালত।

পুলিশ জানিয়েছে, ২০১০ সালে আজমিনা, রেশমা ও জারা দুবাই গিয়েছিল এবং সেলিনার তৃতীয় স্বামী পারভেজ তাক পরিচিত এক আরব নাগরিকের সঙ্গে কাজ করতেন। তাক ও পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে ওঠে, যখন তারা ভারতে ফিরে আসার পর তাদের উপার্জন তাকের সঙ্গে ভাগ করে নিতে অস্বীকার করেন।

পরে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুম্বাই থেকে নিখোঁজ হন লায়লা খান, তার বোন আজমিনা, যমজ ভাইবোন ইমরান-জারা, আরেক আত্মীয় রেশমা ও তার মা সেলিনা। পরে লায়লার বাবা (বায়োলজিক্যাল) নাদির শাহ প্যাটেল মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা থানায় মামলা করেন।

আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে, ক্রাইম ব্রাঞ্চ উল্লেখ করেছে, দুবাই ভ্রমণ থেকে প্রাপ্ত অর্থ ভাগ করতে অস্বীকার করায় তাক ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন এবং সেই থেকেই ছক কষে সৎ ছেলেমেয়ে এবং স্ত্রীকে ইগাতপুরী ফার্ম হাউজে হত্যা এবং তাদের সম্পত্তি দখলের ষড়যন্ত্র করেন।

পুলিশের ডায়রির এক ওয়ান্টেড অভিযুক্ত শাকির হুসেন ওয়ানিকে নিজের পরিকল্পনামাফিক ফার্ম হাউজে প্রহরী হিসেবে নিয়োগ করেন লায়লার সৎ বাবা। পরিবার নিয়ে খামারবাড়িতে পৌঁছানোর পর, সেলিনার সঙ্গে তাকের তর্ক হয়েছিল, যার পর তিনি তাকে একটি ভোঁতা বস্তু দিয়ে আঘাত করেছিলেন, যার ফলে তার মৃত্যু হয়েছিল। পরিবারের অন্য সদস্যরা সাহায্যের জন্য ছুটে এলে চৌকিদারের সাহায্যে ইমরানকে বেধড়ক মারধর করেন তাক। এরপর ছুরি ও রড দিয়ে পরিবারের বাকি পাঁচ সদস্যকে হত্যা করেন, সমস্ত দেহ ফার্ম হাউসেই পুঁতে দেন এবং প্রমাণ লোপাট করার জন্য বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।

ক্রাইম ব্রাঞ্চ পরবর্তীকালে ফার্ম হাউস থেকে ছয়টি কঙ্কাল উদ্ধার করে। লায়লা মীরা রোডের ফ্ল্যাটের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিয়ে রেখেছিলেন মায়ের দ্বিতীয় স্বামী আসিফ শেখকে। অপর সৎবাবার সঙ্গে লায়লার সুসম্পর্ক সহ্য হয়নি তাকের।

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে কন্নড় ভাষার ‘মেকআপ’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় পা রাখেন লায়লা। ২০০৮ সালে ‘ওয়াফা: আ ডেডলি লাভ স্টোরি’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করেন রাজেশ খান্না।
বিডিসংবাদ/আতে

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বলিউড অভিনেত্রীসহ পুরো পরিবারকে হত্যা, বাবার মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৪:২৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪


বিনোদন ডেস্ক
২০১১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হন বলিউড অভিনেত্রী লায়লা খান ও তার পরিবারের পাঁচ সদস্য। প্রায় এক বছর পর ২০১২ সালের জুলাই মাসে ইগতপুরীতে অভিনেত্রীর ফার্ম হাউসের একটি গর্ত থেকে উদ্ধার হয় পচা-গলা মৃতদেহ। তাদের হত্যা করেছিলেন লায়লার সৎবাবা পারভেজ তাক। অবশেষে প্রায় ১৩ বছর পর এই হত্যাকাণ্ডের রায় দিয়েছেন মুম্বাইয়ের একটি আদালত।

হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হওয়া লায়লার সৎবাবা পারভেজ তাককে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (২৪ মে) মুম্বাইয়ের সেশন কোর্ট এ রায় দেন আদালত।

পুলিশ জানিয়েছে, ২০১০ সালে আজমিনা, রেশমা ও জারা দুবাই গিয়েছিল এবং সেলিনার তৃতীয় স্বামী পারভেজ তাক পরিচিত এক আরব নাগরিকের সঙ্গে কাজ করতেন। তাক ও পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে ওঠে, যখন তারা ভারতে ফিরে আসার পর তাদের উপার্জন তাকের সঙ্গে ভাগ করে নিতে অস্বীকার করেন।

পরে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুম্বাই থেকে নিখোঁজ হন লায়লা খান, তার বোন আজমিনা, যমজ ভাইবোন ইমরান-জারা, আরেক আত্মীয় রেশমা ও তার মা সেলিনা। পরে লায়লার বাবা (বায়োলজিক্যাল) নাদির শাহ প্যাটেল মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা থানায় মামলা করেন।

আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে, ক্রাইম ব্রাঞ্চ উল্লেখ করেছে, দুবাই ভ্রমণ থেকে প্রাপ্ত অর্থ ভাগ করতে অস্বীকার করায় তাক ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন এবং সেই থেকেই ছক কষে সৎ ছেলেমেয়ে এবং স্ত্রীকে ইগাতপুরী ফার্ম হাউজে হত্যা এবং তাদের সম্পত্তি দখলের ষড়যন্ত্র করেন।

পুলিশের ডায়রির এক ওয়ান্টেড অভিযুক্ত শাকির হুসেন ওয়ানিকে নিজের পরিকল্পনামাফিক ফার্ম হাউজে প্রহরী হিসেবে নিয়োগ করেন লায়লার সৎ বাবা। পরিবার নিয়ে খামারবাড়িতে পৌঁছানোর পর, সেলিনার সঙ্গে তাকের তর্ক হয়েছিল, যার পর তিনি তাকে একটি ভোঁতা বস্তু দিয়ে আঘাত করেছিলেন, যার ফলে তার মৃত্যু হয়েছিল। পরিবারের অন্য সদস্যরা সাহায্যের জন্য ছুটে এলে চৌকিদারের সাহায্যে ইমরানকে বেধড়ক মারধর করেন তাক। এরপর ছুরি ও রড দিয়ে পরিবারের বাকি পাঁচ সদস্যকে হত্যা করেন, সমস্ত দেহ ফার্ম হাউসেই পুঁতে দেন এবং প্রমাণ লোপাট করার জন্য বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।

ক্রাইম ব্রাঞ্চ পরবর্তীকালে ফার্ম হাউস থেকে ছয়টি কঙ্কাল উদ্ধার করে। লায়লা মীরা রোডের ফ্ল্যাটের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিয়ে রেখেছিলেন মায়ের দ্বিতীয় স্বামী আসিফ শেখকে। অপর সৎবাবার সঙ্গে লায়লার সুসম্পর্ক সহ্য হয়নি তাকের।

প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে কন্নড় ভাষার ‘মেকআপ’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় পা রাখেন লায়লা। ২০০৮ সালে ‘ওয়াফা: আ ডেডলি লাভ স্টোরি’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করেন রাজেশ খান্না।
বিডিসংবাদ/আতে