ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ইরানের স্পিকার |: যুদ্ধের বিরুদ্ধে ‘না’ ভোট দিয়েছে মার্কিন জনগণ পোশাকশ্রমিকদের নতুন বেতন বাস্তবায়ন জানুয়ারিতে, ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত হবে কাঠামো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা প্রতিনিধিদলের সৌজন্য বৈঠক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী রিপাবলিকানদের পরাজয়ে ইরান যুদ্ধের প্রভাব স্বীকার করলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে রিপাবলিকানদের হটিয়ে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয় এনআইডি জালিয়াতি রোধে কঠোর নির্বাচন কমিশন: অনেক কর্মকর্তা বরখাস্ত বড়দিন উদযাপনে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের অবরোধ প্রত্যাহার, সীতাকুণ্ডে আশ্বাসে ফিরল স্বাভাবিক পরিবেশ

শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে সকলকে এক সাথে কাজ করার আহবান মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর

  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪
  • / 134
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে সকলকে এক সাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি।
আজ মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার পেনাংয়ে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল কনফারেন্স অন আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট ২০২৪, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্যকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
সিমিন হোসেন রিমি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে শিশুর সুরক্ষা এবং শিশুর অধিকার নিশ্চিত করতে শিশু আইন- ১৯৭৪ প্রনয়ণ করা হয়। যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিবর্তনের কারণে নতুন নতুন চাহিদা দেখা দিচ্ছে। জাতিসংঘের শিশু অধিকার কমিটির সুপারিশ বিবেচনা নিয়ে বাংলাদেশ ২০১১ সালে জাতীয় শিশু নীতি আপডেট করে যা প্রথম ১৯৯৪ সালে গৃহীত হয়েছিল।
তিনি বলেন, গবেষণ এবং তথ্যে দেখা যায় যে প্রাক শৈশব বিকাশে বিনিয়োগ অসাধারণ অর্থনৈতিক সুবিধা এনে দেয়। বিশ্বব্যাপী এটি স্বীকৃত যে, প্রাক শৈশব বিকাশ একটি স্মার্ট বিনিয়োগ। বলা হয় যত আগে বিনিয়োগ, ভবিষ্যতে তত বেশি রিটার্ন।
সিমিন হোসেন বলেন,বর্তমানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফের সহায়তা এবং বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের প্রযুক্তিগত সহায়তায় ইসিসিডি কর্ম পরিকল্পনার উপর একটি সমীক্ষা পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, সুরক্ষা এবং শিক্ষার মতো শিশুদের মৌলিক চাহিদাগুলি পূরণ করা তাদের সামগ্রিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে তারা তাদের সম্পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাতে পারে। অপর্যাপ্ত শিশু যতœ, পুষ্টি, নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কারণে বাংলাদেশের অনেক শিশু তাদের পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাতে পারে না।
সিমিন হোসেন বলেন, শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিরোধমূলক ও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে এনেছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ছোট শিশুদের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সুরক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন,মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গর্ভবতী এবং স্তন দানকারী মা এবং দুর্বল ও অসহায় পরিবারের শিশুদের সহায়তার জন্য একটি মা ও শিশু সুবিধা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। প্রতিটি সুবিধাভোগী গর্ভাবস্থায় এবং জন্মের পরে পুষ্টি এবং শিশু যতেœর জন্য তাদের অতিরিক্ত খাদ্যের প্রয়োজন মেটাতে ৩৬ মাসের জন্য একটি মাসিক নগদ সাহায্য পান। ২০২২-২৩ সালে, এই কর্মসূচির অধীনে ১.২৫ মিলিয়ন নারী ও শিশু উপকৃত হয়েছে। এটি এখন গর্ভবতী এবং স্তন দানকারী মায়েদের পাশাপাশি শিশুদের সহায়তার জন্য সমগ্র বাংলাদেশে এর পরিধি বৃদ্ধি করছে।
সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক এনজিও, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকসহ ৫০০ জনের অধিক অতিথি অংশগ্রহণ করেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে সকলকে এক সাথে কাজ করার আহবান মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১০:৫৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে সকলকে এক সাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি।
আজ মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার পেনাংয়ে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল কনফারেন্স অন আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট ২০২৪, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্যকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
সিমিন হোসেন রিমি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে শিশুর সুরক্ষা এবং শিশুর অধিকার নিশ্চিত করতে শিশু আইন- ১৯৭৪ প্রনয়ণ করা হয়। যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিবর্তনের কারণে নতুন নতুন চাহিদা দেখা দিচ্ছে। জাতিসংঘের শিশু অধিকার কমিটির সুপারিশ বিবেচনা নিয়ে বাংলাদেশ ২০১১ সালে জাতীয় শিশু নীতি আপডেট করে যা প্রথম ১৯৯৪ সালে গৃহীত হয়েছিল।
তিনি বলেন, গবেষণ এবং তথ্যে দেখা যায় যে প্রাক শৈশব বিকাশে বিনিয়োগ অসাধারণ অর্থনৈতিক সুবিধা এনে দেয়। বিশ্বব্যাপী এটি স্বীকৃত যে, প্রাক শৈশব বিকাশ একটি স্মার্ট বিনিয়োগ। বলা হয় যত আগে বিনিয়োগ, ভবিষ্যতে তত বেশি রিটার্ন।
সিমিন হোসেন বলেন,বর্তমানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ইউনিসেফের সহায়তা এবং বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের প্রযুক্তিগত সহায়তায় ইসিসিডি কর্ম পরিকল্পনার উপর একটি সমীক্ষা পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, সুরক্ষা এবং শিক্ষার মতো শিশুদের মৌলিক চাহিদাগুলি পূরণ করা তাদের সামগ্রিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে তারা তাদের সম্পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাতে পারে। অপর্যাপ্ত শিশু যতœ, পুষ্টি, নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কারণে বাংলাদেশের অনেক শিশু তাদের পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাতে পারে না।
সিমিন হোসেন বলেন, শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিরোধমূলক ও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে এনেছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ছোট শিশুদের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সুরক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন,মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গর্ভবতী এবং স্তন দানকারী মা এবং দুর্বল ও অসহায় পরিবারের শিশুদের সহায়তার জন্য একটি মা ও শিশু সুবিধা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। প্রতিটি সুবিধাভোগী গর্ভাবস্থায় এবং জন্মের পরে পুষ্টি এবং শিশু যতেœর জন্য তাদের অতিরিক্ত খাদ্যের প্রয়োজন মেটাতে ৩৬ মাসের জন্য একটি মাসিক নগদ সাহায্য পান। ২০২২-২৩ সালে, এই কর্মসূচির অধীনে ১.২৫ মিলিয়ন নারী ও শিশু উপকৃত হয়েছে। এটি এখন গর্ভবতী এবং স্তন দানকারী মায়েদের পাশাপাশি শিশুদের সহায়তার জন্য সমগ্র বাংলাদেশে এর পরিধি বৃদ্ধি করছে।
সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক এনজিও, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকসহ ৫০০ জনের অধিক অতিথি অংশগ্রহণ করেন।

বিডিসংবাদ/এএইচএস