ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

বাজেটে বরাদ্দ বাড়লেও খুশি নন সংস্কৃতিকর্মীরা

  • আপডেট সময় : ০৭:০০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুন ২০২৪
  • / 140
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি


নিজস্ব প্রতিবেদক
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ৭৭৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যা গত অর্থবছরে এই খাতে বরাদ্দের তুলনায় ৮০ কোটি টাকা বেশি। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তবে এই বরাদ্দ নিয়ে বিগত বছরগুলোর মতো এবারও হতাশা প্রকাশ করেছেন সংস্কৃতি অঙ্গনের প্রতিনিধিরা।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, ‘সরকার যে পরিকল্পনা নিয়েছে সেগুলো অপ্রয়োজনীয় সেটা আমরা বলছি না। কিন্তু আমরা যে পরিকল্পনার কথাগুলো বলেছি তা আমলে নেওয়া হচ্ছে না।’

গোলাম কুদ্দুছ আরও বলেন, ‘আমাদের সংস্কৃতি চর্চার জন্য অবকাঠামোগত ও প্রশিক্ষণগত সুযোগ-সুবিধার প্রয়োজন। যেমন প্রতিটি উপজেলায় একটি করে অডিটরিয়াম নির্মাণ, একটা করে মুক্তমঞ্চ নির্মাণ, শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। এ ছাড়া দেড় কোটি মানুষের শহরে মাত্র তিন-চারটি মিলনায়তন কি পর্যাপ্ত? প্রতিটি উপজেলায় যদি মিলনায়তন, মুক্ত মঞ্চ ও স্থায়ী প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা না থাকে তাহলে শিল্পের জাগরণ কি করে ঘটবে? কিন্তু ঘোষিত বাজেটে এর প্রতিফলন দেখছি না।’

হতাশা প্রকাশ করে গোলাম কুদ্দুছ আরও বলেন, ‘গত ১০ বছর ধরে সম্মিলিত সংস্কৃতির জোট এই কথাগুলো বলে আসছে। আমরা সাংবাদিক সম্মেলন করেছি, প্রতিবাদ সভা করেছি, লিখিত ভাবে সংস্কৃতি, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দিয়েছি। কিন্তু বছর ঘুরলেও তার কোন প্রতিফলন আমরা দেখছি না। এখানে সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টির প্রশ্ন নয়। সংস্কৃতির উন্নয়ন না হলে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, বাংলার সর্বজনীন সংস্কৃতি হুমকির মুখে পড়বে। আমরা মনে করি এখনো সময় আছে। বাজেট পাশ হওয়ার আগে এ সমস্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করবে সরকার।’

বিডিসংবাদ/আতে

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাজেটে বরাদ্দ বাড়লেও খুশি নন সংস্কৃতিকর্মীরা

আপডেট সময় : ০৭:০০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ জুন ২০২৪


নিজস্ব প্রতিবেদক
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ৭৭৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যা গত অর্থবছরে এই খাতে বরাদ্দের তুলনায় ৮০ কোটি টাকা বেশি। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তবে এই বরাদ্দ নিয়ে বিগত বছরগুলোর মতো এবারও হতাশা প্রকাশ করেছেন সংস্কৃতি অঙ্গনের প্রতিনিধিরা।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, ‘সরকার যে পরিকল্পনা নিয়েছে সেগুলো অপ্রয়োজনীয় সেটা আমরা বলছি না। কিন্তু আমরা যে পরিকল্পনার কথাগুলো বলেছি তা আমলে নেওয়া হচ্ছে না।’

গোলাম কুদ্দুছ আরও বলেন, ‘আমাদের সংস্কৃতি চর্চার জন্য অবকাঠামোগত ও প্রশিক্ষণগত সুযোগ-সুবিধার প্রয়োজন। যেমন প্রতিটি উপজেলায় একটি করে অডিটরিয়াম নির্মাণ, একটা করে মুক্তমঞ্চ নির্মাণ, শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। এ ছাড়া দেড় কোটি মানুষের শহরে মাত্র তিন-চারটি মিলনায়তন কি পর্যাপ্ত? প্রতিটি উপজেলায় যদি মিলনায়তন, মুক্ত মঞ্চ ও স্থায়ী প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা না থাকে তাহলে শিল্পের জাগরণ কি করে ঘটবে? কিন্তু ঘোষিত বাজেটে এর প্রতিফলন দেখছি না।’

হতাশা প্রকাশ করে গোলাম কুদ্দুছ আরও বলেন, ‘গত ১০ বছর ধরে সম্মিলিত সংস্কৃতির জোট এই কথাগুলো বলে আসছে। আমরা সাংবাদিক সম্মেলন করেছি, প্রতিবাদ সভা করেছি, লিখিত ভাবে সংস্কৃতি, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দিয়েছি। কিন্তু বছর ঘুরলেও তার কোন প্রতিফলন আমরা দেখছি না। এখানে সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টির প্রশ্ন নয়। সংস্কৃতির উন্নয়ন না হলে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ক্ষতিগ্রস্ত হবে, বাংলার সর্বজনীন সংস্কৃতি হুমকির মুখে পড়বে। আমরা মনে করি এখনো সময় আছে। বাজেট পাশ হওয়ার আগে এ সমস্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করবে সরকার।’

বিডিসংবাদ/আতে