ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

সমরেশের গল্পবলম্বনে অরিন্দম শীলের ‘অনুপ্রবেশ’ দেখা যাবে তিশাকেও!

  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মার্চ ২০১৭
  • / 279
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সমরেশ মজুমদারের গল্পের স্বত্ব কেনার পর থেকেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। অবশেষে মুখ খুললেন পরিচালক নিজেই। ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় অরিন্দম শীলের পরের ছবি ‘অনুপ্রবেশ’।

‘‘আসলে সমরেশদা’ই আমায় এই গল্পটা সাজেস্ট করেছিলেন। আমিও দেখলাম এতে অনেক সিনেম্যাটিক এলিমেন্ট রয়েছে। তার উপর অনুপ্রবেশের সমস্যাটা এই সময়ে দাঁড়িয়ে যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক বলে আমার মনে হয়েছিল,’’ বললেন অরিন্দম।

গল্পটা অনেকটাই রোড মুভির ধাঁচে ন্যারেট করবেন বলে ঠিক করেছেন পরিচালক। একটি ছেলের বাংলাদেশ থেকে কলকাতা আসার সফর ছবির প্রেক্ষাপট। সফরে বেশ কিছু মেয়ের সঙ্গে তার সাক্ষাত হয়। তারা হয়তো একটি মেয়েরই বিভিন্ন দিক হতে পারে। মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করবেন আবির চট্টোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে আবির বললেন, ‘‘ছবিটা আমার কাছে তিনটে কারণে খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, এটা অরিন্দমদা’র সঙ্গে ব্যোমকেশ ছাড়া আমার প্রথম অন্য কোনও প্রজেক্ট। দ্বিতীয়ত, এটা আমার প্রথম ইন্দো-বাংলাদেশ ভেঞ্চার। তৃতীয়ত, সমরেশ মজুমদার আমার খুবই প্রিয় লেখক। তাঁর গল্প পর্দায় ইন্টারপ্রেট করার সুযোগ পাব বলে ভাল লাগছে।’’

ছবিতে অভিনয় করছেন দু’দেশেরই শিল্পীরা। আবির ছাড়াও দেখা যেতে পারে রুদ্রনীল ঘোষ, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিক, ঋতাভরী চক্রবর্তীকে। বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে কুসুম শিকদার, পরীমণি, নুসরত ইমরোজ তিশা, অপি করিম থাকতে পারেন ছবিতে। তবে ডুব’র টিজার দেখে তিশা এন্ড গংদের প্রতি যে তার দুর্বলতা তাও বলেছেন।

‘‘এখনও পর্যন্ত যে ছবিগুলো ইন্দো-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে, সেগুলো সবই বাণিজ্যিক। গৌতমদা (ঘোষ) আগে যে কাজগুলো করেছেন, সেগুলোকে অবশ্য আমি এই সবকিছুর চেয়ে অনেক উপরে রাখব। তাছাড়া ওপার বাংলা থেকে সিরিয়াস ছবি বানানোর উদ্যোগ একমাত্র (মোস্তাফা সরোয়ার) ফারুকী নিয়েছে। এখান থেকে আমি সেই দায়িত্বটা নিতে চেয়েছিলাম,’’ বললেন পরিচালক। আপাতত তিনি পরের ছবি নিয়ে বেজায় ব্যস্ত। তাই ‘অনুপ্রবেশ’এর কাজ শুরু হবে অগস্টের শেষের দিকে। সূত্র: এবেলা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সমরেশের গল্পবলম্বনে অরিন্দম শীলের ‘অনুপ্রবেশ’ দেখা যাবে তিশাকেও!

আপডেট সময় : ১২:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মার্চ ২০১৭

সমরেশ মজুমদারের গল্পের স্বত্ব কেনার পর থেকেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। অবশেষে মুখ খুললেন পরিচালক নিজেই। ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় অরিন্দম শীলের পরের ছবি ‘অনুপ্রবেশ’।

‘‘আসলে সমরেশদা’ই আমায় এই গল্পটা সাজেস্ট করেছিলেন। আমিও দেখলাম এতে অনেক সিনেম্যাটিক এলিমেন্ট রয়েছে। তার উপর অনুপ্রবেশের সমস্যাটা এই সময়ে দাঁড়িয়ে যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক বলে আমার মনে হয়েছিল,’’ বললেন অরিন্দম।

গল্পটা অনেকটাই রোড মুভির ধাঁচে ন্যারেট করবেন বলে ঠিক করেছেন পরিচালক। একটি ছেলের বাংলাদেশ থেকে কলকাতা আসার সফর ছবির প্রেক্ষাপট। সফরে বেশ কিছু মেয়ের সঙ্গে তার সাক্ষাত হয়। তারা হয়তো একটি মেয়েরই বিভিন্ন দিক হতে পারে। মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করবেন আবির চট্টোপাধ্যায়। এই প্রসঙ্গে আবির বললেন, ‘‘ছবিটা আমার কাছে তিনটে কারণে খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, এটা অরিন্দমদা’র সঙ্গে ব্যোমকেশ ছাড়া আমার প্রথম অন্য কোনও প্রজেক্ট। দ্বিতীয়ত, এটা আমার প্রথম ইন্দো-বাংলাদেশ ভেঞ্চার। তৃতীয়ত, সমরেশ মজুমদার আমার খুবই প্রিয় লেখক। তাঁর গল্প পর্দায় ইন্টারপ্রেট করার সুযোগ পাব বলে ভাল লাগছে।’’

ছবিতে অভিনয় করছেন দু’দেশেরই শিল্পীরা। আবির ছাড়াও দেখা যেতে পারে রুদ্রনীল ঘোষ, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাঞ্চন মল্লিক, ঋতাভরী চক্রবর্তীকে। বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে কুসুম শিকদার, পরীমণি, নুসরত ইমরোজ তিশা, অপি করিম থাকতে পারেন ছবিতে। তবে ডুব’র টিজার দেখে তিশা এন্ড গংদের প্রতি যে তার দুর্বলতা তাও বলেছেন।

‘‘এখনও পর্যন্ত যে ছবিগুলো ইন্দো-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে, সেগুলো সবই বাণিজ্যিক। গৌতমদা (ঘোষ) আগে যে কাজগুলো করেছেন, সেগুলোকে অবশ্য আমি এই সবকিছুর চেয়ে অনেক উপরে রাখব। তাছাড়া ওপার বাংলা থেকে সিরিয়াস ছবি বানানোর উদ্যোগ একমাত্র (মোস্তাফা সরোয়ার) ফারুকী নিয়েছে। এখান থেকে আমি সেই দায়িত্বটা নিতে চেয়েছিলাম,’’ বললেন পরিচালক। আপাতত তিনি পরের ছবি নিয়ে বেজায় ব্যস্ত। তাই ‘অনুপ্রবেশ’এর কাজ শুরু হবে অগস্টের শেষের দিকে। সূত্র: এবেলা।