রাজনৈতিক বিবেচনায় আর কোনো নতুন ব্যাংক নয় : নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর
- আপডেট সময় : ০৩:২৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
- / 373
মোঃ জহিরুল হক বশির, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
নিউইয়র্ক, ১৯ এপ্রিল ২০২৫ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দেশে আর কোনো ব্যাংক রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন দেওয়া হবে না। শনিবার (নিউইয়র্ক সময় বিকাল ৫টা) নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

গভর্নর বলেন, অতীতে রাজনৈতিক স্বার্থে, ভাই, বোন, স্ত্রী বা দলের নেতাদের ব্যাংক পরিচালনায় আনায় দেশের ব্যাংক খাত বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। এখন থেকে এসব অনিয়মের জায়গা নেই। ব্যাংক খাতকে আরও শক্তিশালী করতে রুগ্ন ব্যাংকগুলোকে মার্জ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তবে বন্ধ নয়। তিনি আরও বলেন, ব্যাংকগুলো এখন স্বাধীনভাবে পরিচালিত হচ্ছে, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ নেই, আর কোনো পরিবার-নির্ভর ব্যাংক থাকবে না।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান এবং সভা সঞ্চালনা করেন নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল নাজমুল হুদা।
মতবিনিময় সভায় প্রবাসী সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, রেমিট্যান্স এজেন্ট, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আব্দুর রব মিয়া, বিএনপি নেতা গিয়াস আহমেদ, আব্দুস সবুর, আহমেদ সোহেল, জয়নাল আবেদীনসহ অনেকে।

আইএমএফ বিষয়ে ড. মনসুর বলেন, “আইএমএফের টাকা ছাড়াও আমরা চলতে পারি। তবে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে তাদের পরামর্শ মূল্যবান। বর্তমানে আমাদের রিজার্ভ প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার। উন্নয়ন ধারাবাহিক রাখতে এবং টেকনিক্যাল সাপোর্ট পেতে আমরা সম্পর্ক বজায় রাখছি।”

টাকা পাচার নিয়ে গভর্নর বলেন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে একটি টাস্কফোর্স গঠিত হয়েছে এবং যুক্তরাজ্যে আইনজীবীদের মাধ্যমে কাজ চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “টাকা পাচারের তথ্য দূতাবাস বা কনস্যুলেটে দিন, আমরা ব্যবস্থা নেব।”
সভার শেষাংশে তিনি বলেন, আইএমএফ’র বসন্তকালীন সভায় অংশ নিতে আগামীকাল (২০ এপ্রিল) তিনি ওয়াশিংটন ডিসি যাবেন।


























