ঢাকা ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদি রুটে ১৮০ ফ্লাইট বাতিল, বিপাকে ২৩ হাজার যাত্রী ভাঙ্গুড়ায় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিরিজ ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩ চরফ্যাশনে সারের সংকট, মিয়ানমারে পাচারের অভিযোগ কৃষকদের দেশের ২৯তম পররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী টানা দুইবার গোল্ডেন বুট জিতে ইতিহাস গড়লেন লিওনেল মেসি শাহজালালে হারানো ব্যাগ উদ্ধার: ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদের তৎপরতায় উপকৃত যাত্রীরা প্রতিরক্ষা খাতে বড় বিনিয়োগের পথে সার্বিয়ার শিক্ষার্থী জোট জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির পঞ্চম বৈঠক অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধাক্কা খেয়ে ইরানের বিষয়ে দ্বিধায় ট্রাম্প

নীরবে বাজিমাত করলেন সুনেরাহ

  • আপডেট সময় : ১০:০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / 188
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিনোদন প্রতিবেদক
পবিত্র ঈদুল ফিতরের সবচেয়ে আলোচিত ছবি ‘দাগি’। আর এই ছবির সবচেয়ে আলোচিত চরিত্র? অবশ্যই ‘লিখন’—যে কথা বলতে পারে না, তবু চোখের চাহনি আর মনের গভীর থেকে কথা বলে যায় অবিরাম।

আর এই চরিত্রে সুনেরাহ বিনতে কামাল যা করে দেখিয়েছেন, তা নিয়ে এখন গুঞ্জন ছড়িয়েছে চারদিকে—‘মেয়েটা তো নিঃশব্দেই বাজিমাত করে দিল!’

সংলাপ নেই, চিৎকার নেই, এক ফোঁটা শব্দ নেই—তবু সুনেরাহর এক একটা দৃশ্য যেন পিনপতন নীরবতায় বুক ধড়ফড় করিয়ে দেয়। দর্শকেরা বলছেন, ‘লিখনের চোখেই আমরা পুরো সিনেমা দেখেছি!’ সিনেমা হলে গিয়ে দুবার ‘দাগি’ দেখেছেন তিনি নিজেই, দর্শকের প্রতিক্রিয়া দেখতে। একবার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়েছেন, একবার দর্শকের চোখে—অভিনেত্রীর নিজের ভাষায়, ‘শিল্পী হিসেবে এটা তো সেরা পাওনা।’

শুটিংয়ের আগে চুপচাপ চরিত্রে ঢুকে পড়েছেন সুনেরাহ। মহড়ার বাইরেও চরিত্রটিকে নিয়ে ভেবেছেন, বাসায় বসে আয়নার সামনে নিঃশব্দ অভিব্যক্তির চর্চা করেছেন, শিখেছেন ইশারাভাষা—যেটি তার আগে কখনোই শেখা হয়নি। নিজেই বলছেন, ‘লিখন চরিত্রটা সুনেরাহর চেয়ে একদম আলাদা। আমি চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি।’

এই যে অভিনয়ের এমন মন্ত্রমুগ্ধ করা নৈপুণ্য, তার পেছনে অবশ্যই বড় এক প্রত্যাশা ছিল নির্মাতার। পরিচালক বলেই ফেলেছেন, ‘দাগি’ হিট হওয়ার পেছনে পাঁচটি কারণের এক নম্বরে সুনেরাহর নামই আসে! আর সহশিল্পী আফরান নিশো তো এক কাঠি সরেস—সরাসরি বলেই দিয়েছেন, ‘সুনেরাহ, তমা মির্জা আর রাশেদ মামুন—এই তিনজন ছাড়া ছবিটি পূর্ণ হতো না!’

‘ন ডরাই’ ছবিতে আয়েশা হয়ে জাতীয় পুরস্কার, তারপর ‘অন্তর্জাল’-এ প্রিয়াম, ‘মশারি’-তে এক অন্য রূপ—সবখানেই নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছেন তিনি।

কিন্তু এত সাড়া জাগানো কাজ করেও বড় পর্দায় তিনি আছেন বেশ সংযত। কেন? উত্তরটা সোজাসাপ্টা, ‘আমি যখন বুঝি যে চরিত্রটা বিশ্বাসযোগ্য হবে, তখনই করি। বড় পর্দার দর্শক ঠকানো যায় না।’

এদিকে, টিভি নাটকেও তার সরব উপস্থিতি। যদিও ঈদে সিনেমার কাজ থাকলে ছোট পর্দা থেকে দূরে থাকেন। তবু অভিনয়ের চর্চায় থাকতে ছোট পর্দা, মঞ্চ—সব মাধ্যমই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি শুটিংয়ের ফাঁকে একাধিক নাটকের কাজও সেরে রেখেছেন, যা খুব শিগগির প্রচারে আসবে।

সব মিলিয়ে, সুনেরাহ এখন যেন নিঃশব্দ এক বিপ্লবের মুখ। ডায়লগ নেই, ড্রামা নেই—তবু অভিনয় দিয়ে মাত করে দিচ্ছেন সব কিছু। বলাই যায়, ‘দাগি’র লিখন হয়েও হাজারো সংলাপ বলে গেলেন তিনি—একটা শব্দ না বলেই!
বিডিসংবাদ ডটকম/আতে

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নীরবে বাজিমাত করলেন সুনেরাহ

আপডেট সময় : ১০:০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

বিনোদন প্রতিবেদক
পবিত্র ঈদুল ফিতরের সবচেয়ে আলোচিত ছবি ‘দাগি’। আর এই ছবির সবচেয়ে আলোচিত চরিত্র? অবশ্যই ‘লিখন’—যে কথা বলতে পারে না, তবু চোখের চাহনি আর মনের গভীর থেকে কথা বলে যায় অবিরাম।

আর এই চরিত্রে সুনেরাহ বিনতে কামাল যা করে দেখিয়েছেন, তা নিয়ে এখন গুঞ্জন ছড়িয়েছে চারদিকে—‘মেয়েটা তো নিঃশব্দেই বাজিমাত করে দিল!’

সংলাপ নেই, চিৎকার নেই, এক ফোঁটা শব্দ নেই—তবু সুনেরাহর এক একটা দৃশ্য যেন পিনপতন নীরবতায় বুক ধড়ফড় করিয়ে দেয়। দর্শকেরা বলছেন, ‘লিখনের চোখেই আমরা পুরো সিনেমা দেখেছি!’ সিনেমা হলে গিয়ে দুবার ‘দাগি’ দেখেছেন তিনি নিজেই, দর্শকের প্রতিক্রিয়া দেখতে। একবার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়েছেন, একবার দর্শকের চোখে—অভিনেত্রীর নিজের ভাষায়, ‘শিল্পী হিসেবে এটা তো সেরা পাওনা।’

শুটিংয়ের আগে চুপচাপ চরিত্রে ঢুকে পড়েছেন সুনেরাহ। মহড়ার বাইরেও চরিত্রটিকে নিয়ে ভেবেছেন, বাসায় বসে আয়নার সামনে নিঃশব্দ অভিব্যক্তির চর্চা করেছেন, শিখেছেন ইশারাভাষা—যেটি তার আগে কখনোই শেখা হয়নি। নিজেই বলছেন, ‘লিখন চরিত্রটা সুনেরাহর চেয়ে একদম আলাদা। আমি চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি।’

এই যে অভিনয়ের এমন মন্ত্রমুগ্ধ করা নৈপুণ্য, তার পেছনে অবশ্যই বড় এক প্রত্যাশা ছিল নির্মাতার। পরিচালক বলেই ফেলেছেন, ‘দাগি’ হিট হওয়ার পেছনে পাঁচটি কারণের এক নম্বরে সুনেরাহর নামই আসে! আর সহশিল্পী আফরান নিশো তো এক কাঠি সরেস—সরাসরি বলেই দিয়েছেন, ‘সুনেরাহ, তমা মির্জা আর রাশেদ মামুন—এই তিনজন ছাড়া ছবিটি পূর্ণ হতো না!’

‘ন ডরাই’ ছবিতে আয়েশা হয়ে জাতীয় পুরস্কার, তারপর ‘অন্তর্জাল’-এ প্রিয়াম, ‘মশারি’-তে এক অন্য রূপ—সবখানেই নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছেন তিনি।

কিন্তু এত সাড়া জাগানো কাজ করেও বড় পর্দায় তিনি আছেন বেশ সংযত। কেন? উত্তরটা সোজাসাপ্টা, ‘আমি যখন বুঝি যে চরিত্রটা বিশ্বাসযোগ্য হবে, তখনই করি। বড় পর্দার দর্শক ঠকানো যায় না।’

এদিকে, টিভি নাটকেও তার সরব উপস্থিতি। যদিও ঈদে সিনেমার কাজ থাকলে ছোট পর্দা থেকে দূরে থাকেন। তবু অভিনয়ের চর্চায় থাকতে ছোট পর্দা, মঞ্চ—সব মাধ্যমই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি শুটিংয়ের ফাঁকে একাধিক নাটকের কাজও সেরে রেখেছেন, যা খুব শিগগির প্রচারে আসবে।

সব মিলিয়ে, সুনেরাহ এখন যেন নিঃশব্দ এক বিপ্লবের মুখ। ডায়লগ নেই, ড্রামা নেই—তবু অভিনয় দিয়ে মাত করে দিচ্ছেন সব কিছু। বলাই যায়, ‘দাগি’র লিখন হয়েও হাজারো সংলাপ বলে গেলেন তিনি—একটা শব্দ না বলেই!
বিডিসংবাদ ডটকম/আতে