ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে পরীমনির উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ভারত থেকে শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ট্রাভেল পাস মিলবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব না বাড়ায়, সতর্ক থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ভিয়েতনামের বিমান শিল্পে ডিজিটাল প্রযুক্তি আনছে এয়ারবাস তেহরানে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ব্যানার পুড়িয়ে বিক্ষোভ ইরানিদের মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো হবে: প্রধানমন্ত্রী সাইফের সঙ্গেও কথা বলেন না কারিনা, রাত ১০টার পর স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুর শিল্পাঞ্চল সাতক্ষীরায় প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক নারী ইউটিউব দেখে জাল নোটের কারখানা গড়ে আটক চার

একটি জাতীয় সনদের মাধ্যমে ক্ষমতার বিন্যাসে পরিবর্তন চাই : আলী রীয়াজ

  • আপডেট সময় : ০২:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 169
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ
গত ৫৩ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেছে, সেটি বাস্তবায়নের দুয়ার খুলতে হবে।

একটি জাতীয় সনদ তৈরির মাধ্যমে ক্ষমতার বিন্যাসে পরিবর্তন ঘটানো জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। জনগণের প্রতি অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে এই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে বলে মত দেন তিনি।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে গণঅধিকার পরিষদের আলোচনার শুরুতে আলী রীয়াজ এসব কথা বলেন।

নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংস্কার কমিশনগুলোর প্রতিবেদন, মতামত বা সুপারিশমালাই যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন তিনি। এজন্য রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক শক্তিসহ জনমানুষের মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন কমিশনের এই সহ-সভাপতি।

রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আশাবাদ ব্যক্ত করে আলী রীয়াজ বলেন, ‘গত ৫৩ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেছে, সেটি বাস্তবায়নের দুয়ার খুলতে হবে। শুধু কাগজে আমরা কী লিখছি; তা নয়, জনগণের প্রতি অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির মধ্য দিয়ে এই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনের লক্ষ্য হচ্ছে একটি জাতীয় সনদ তৈরি করা। যেটির মাধ্যমে ক্ষমতার বিন্যাসের পরিবর্তন ঘটতে পারে, যাতে বাংলাদেশ তার সমস্ত সম্ভাবনা নিয়ে জেগে উঠতে পারে।’

এ সময় কমিশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি মো: এমদাদুল হক এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

আলোচনায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরুর নেতৃত্বে ১০ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদলে দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান ছাড়াও আবু হানিফ, হাবিবুর রহমান রিজু, অ্যাডভোকেট খালিদ হোসেন, সাকিব হোসাইন, শাকিল উজ্জামান, ফাতেমা তুজ জোহরা রেসা ও মুনতাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম পর্যায়ে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর ওপর রাজনৈতিক দলের সুনির্দিষ্ট মতামত জানাতে অনুরোধ করে সুপারিশগুলোর স্প্রেডশিট আকারে ৩৯টি রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়।

ইতোমধ্যে সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ৩৫টি দলের কাছ থেকে মতামত পেয়েছে। গণঅধিকার পরিষদসহ এ পর্যন্ত ২০টি রাজনৈতিক দল কমিশনের সাথে আলোচনায় অংশ নিয়েছে।

সূত্র : ইউএনবি
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

একটি জাতীয় সনদের মাধ্যমে ক্ষমতার বিন্যাসে পরিবর্তন চাই : আলী রীয়াজ

আপডেট সময় : ০২:৪৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ
গত ৫৩ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেছে, সেটি বাস্তবায়নের দুয়ার খুলতে হবে।

একটি জাতীয় সনদ তৈরির মাধ্যমে ক্ষমতার বিন্যাসে পরিবর্তন ঘটানো জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। জনগণের প্রতি অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে এই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে বলে মত দেন তিনি।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাথে গণঅধিকার পরিষদের আলোচনার শুরুতে আলী রীয়াজ এসব কথা বলেন।

নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংস্কার কমিশনগুলোর প্রতিবেদন, মতামত বা সুপারিশমালাই যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন তিনি। এজন্য রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক শক্তিসহ জনমানুষের মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন কমিশনের এই সহ-সভাপতি।

রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আশাবাদ ব্যক্ত করে আলী রীয়াজ বলেন, ‘গত ৫৩ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেছে, সেটি বাস্তবায়নের দুয়ার খুলতে হবে। শুধু কাগজে আমরা কী লিখছি; তা নয়, জনগণের প্রতি অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির মধ্য দিয়ে এই লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশনের লক্ষ্য হচ্ছে একটি জাতীয় সনদ তৈরি করা। যেটির মাধ্যমে ক্ষমতার বিন্যাসের পরিবর্তন ঘটতে পারে, যাতে বাংলাদেশ তার সমস্ত সম্ভাবনা নিয়ে জেগে উঠতে পারে।’

এ সময় কমিশনের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি মো: এমদাদুল হক এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

আলোচনায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরুর নেতৃত্বে ১০ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদলে দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান ছাড়াও আবু হানিফ, হাবিবুর রহমান রিজু, অ্যাডভোকেট খালিদ হোসেন, সাকিব হোসাইন, শাকিল উজ্জামান, ফাতেমা তুজ জোহরা রেসা ও মুনতাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম পর্যায়ে গঠিত সংস্কার কমিশনগুলোর মধ্যে সংবিধান সংস্কার কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর ওপর রাজনৈতিক দলের সুনির্দিষ্ট মতামত জানাতে অনুরোধ করে সুপারিশগুলোর স্প্রেডশিট আকারে ৩৯টি রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়।

ইতোমধ্যে সংস্কার বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ৩৫টি দলের কাছ থেকে মতামত পেয়েছে। গণঅধিকার পরিষদসহ এ পর্যন্ত ২০টি রাজনৈতিক দল কমিশনের সাথে আলোচনায় অংশ নিয়েছে।

সূত্র : ইউএনবি
বিডিসংবাদ/এএইচএস