ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদিতে দুই বাংলাদেশির দণ্ড কার্যকর নিয়ে স্পষ্টীকরণ চাইল ঢাকা অ্যাস্টন ভিলার কাছে হেরে জয়ের রথ থামল ম্যানচেস্টার সিটির ইরানের পক্ষ থেকে মার্কিন কর্মকর্তা ও নাগরিকদের হত্যার ষড়যন্ত্রের তথ্য দিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা মধ্যপ্রাচ্য অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ মুরগি ও ডিমের উৎপাদন খরচ ও খুচরা মূল্যে আকাশ-পাতাল ব্যবধান, দিশেহারা খামারিরা শীতকালীন ছুটি উপলক্ষে দুবাই বিমানবন্দরে বাড়ছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সংখ্যা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী: বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের সংস্কার সমর্থন করে বাংলাদেশ রংপুরে ‘শেখ হাসিনা প্রত্যাবর্তন পরিষদ’ সমন্বয়ক আবু হানিফ গ্রেপ্তার মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ছয় মাসের শীর্ষে এমপির রাজনৈতিক বক্তব্যে হাততালি দেওয়া নিয়ে তোপের মুখে পীরগঞ্জের ইউএনও

চুক্তিতে আগ্রহী হলেও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার কঠোর বাস্তবায়ন চান ট্রাম্প

  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / 234
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার বলেছেন, ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যুতে একটি চুক্তি করতে তিনি আগ্রহী, তবে এর জন্য নিষেধাজ্ঞা ‘সম্পূর্ণ ও কঠোরভাবে’ বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন।

সৌদি আরবের রিয়াদ থেকে এএফপি জানায়, রিয়াদে উপসাগরীয় আরব নেতাদের সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চাই। কিছু করতে চাই, যদি তা সম্ভব হয়।’

তবে তিনি স্পষ্ট করেন, ‘এর আগে ইরানকে সন্ত্রাসে পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ করতে হবে, রক্তাক্ত ছায়াযুদ্ধ থামাতে হবে এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা স্থায়ী ও যাচাইযোগ্যভাবে বন্ধ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমি সব দেশকে আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন আমার সদ্য আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো পুরোপুরি ও কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করে।’

যদিও ‘সদ্য আরোপিত’ বলতে ট্রাম্প কোন নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞার কথা বলছিলেন তা পরিষ্কার নয়, তবে সম্প্রতি তার প্রশাসন ইরানের তেল খাত ও পরমাণু কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

২০১৮ সালে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সঙ্গে বড় পরাশক্তিদের করা ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন। ওই চুক্তির আওতায় ইরানকে নিষেধাজ্ঞা শিথিলতার বিনিময়ে জাতিসংঘ-পর্যবেক্ষিত পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত রাখতে বলা হয়েছিল।

চুক্তি বাতিলের পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যার মধ্যে ছিল ইরানি তেল কিনলে তৃতীয় দেশগুলোকেও শাস্তির আওতায় আনার হুমকি।

‘এই তৃতীয় পক্ষীয় নিষেধাজ্ঞাগুলো অনেক সময় সরাসরি নিষেধাজ্ঞার চেয়েও ভয়াবহ প্রভাব ফেলে,’ বলেন ট্রাম্প।

তেহরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে সম্ভাব্য ইসরাইলি হামলা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইতোমধ্যে চার দফা আলোচনা করেছে বলে জানা গেছে।

উভয় পক্ষ বলছে, আলোচনার পরিবেশ ইতিবাচক ছিল, তবে প্রযুক্তিগত বিষয়গুলোতে গভীর আলোচনা এখনও হয়নি।

ইরান বারবার বলে এসেছে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না। তারা জানিয়েছে তারা শুক্রবার তুরস্কে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানির সঙ্গে আলোচনায় বসবে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

চুক্তিতে আগ্রহী হলেও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার কঠোর বাস্তবায়ন চান ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার বলেছেন, ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যুতে একটি চুক্তি করতে তিনি আগ্রহী, তবে এর জন্য নিষেধাজ্ঞা ‘সম্পূর্ণ ও কঠোরভাবে’ বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন।

সৌদি আরবের রিয়াদ থেকে এএফপি জানায়, রিয়াদে উপসাগরীয় আরব নেতাদের সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চাই। কিছু করতে চাই, যদি তা সম্ভব হয়।’

তবে তিনি স্পষ্ট করেন, ‘এর আগে ইরানকে সন্ত্রাসে পৃষ্ঠপোষকতা বন্ধ করতে হবে, রক্তাক্ত ছায়াযুদ্ধ থামাতে হবে এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা স্থায়ী ও যাচাইযোগ্যভাবে বন্ধ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমি সব দেশকে আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন আমার সদ্য আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো পুরোপুরি ও কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করে।’

যদিও ‘সদ্য আরোপিত’ বলতে ট্রাম্প কোন নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞার কথা বলছিলেন তা পরিষ্কার নয়, তবে সম্প্রতি তার প্রশাসন ইরানের তেল খাত ও পরমাণু কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

২০১৮ সালে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সঙ্গে বড় পরাশক্তিদের করা ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন। ওই চুক্তির আওতায় ইরানকে নিষেধাজ্ঞা শিথিলতার বিনিময়ে জাতিসংঘ-পর্যবেক্ষিত পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত রাখতে বলা হয়েছিল।

চুক্তি বাতিলের পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যার মধ্যে ছিল ইরানি তেল কিনলে তৃতীয় দেশগুলোকেও শাস্তির আওতায় আনার হুমকি।

‘এই তৃতীয় পক্ষীয় নিষেধাজ্ঞাগুলো অনেক সময় সরাসরি নিষেধাজ্ঞার চেয়েও ভয়াবহ প্রভাব ফেলে,’ বলেন ট্রাম্প।

তেহরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে সম্ভাব্য ইসরাইলি হামলা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইতোমধ্যে চার দফা আলোচনা করেছে বলে জানা গেছে।

উভয় পক্ষ বলছে, আলোচনার পরিবেশ ইতিবাচক ছিল, তবে প্রযুক্তিগত বিষয়গুলোতে গভীর আলোচনা এখনও হয়নি।

ইরান বারবার বলে এসেছে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না। তারা জানিয়েছে তারা শুক্রবার তুরস্কে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানির সঙ্গে আলোচনায় বসবে।
বিডিসংবাদ/এএইচএস