“শমরিতা হাসপাতালের পক্ষ থেকে সাবেক শিক্ষার্থীদের প্রদান করা হয় বিশেষ সম্মাননা”
ধানমন্ডিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ‘কে-২৯’ ব্যাচের স্মরণীয় ব্রেকফাস্ট পার্টি
- আপডেট সময় : ০৯:১৬:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
- / 264
বিডিসংবাদ প্রতিবেদকঃ
রাজধানীর ধানমন্ডীর পানসি রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারে আজ সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-২৯ (১৯৭০) ব্যাচের বিশেষ ব্রেকফাস্ট পার্টি। ১৯৭০ সালে একসাথে পথচলা শুরু করা এই ব্যাচের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ ৫৪ বছর পরেও একই উষ্ণতা, একই বন্ধুত্ব ও একই মানবিক চেতনায় একত্রিত হয়ে এক আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি করেন।

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সফল আয়োজনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ব্যাচেরই সাবেক শিক্ষার্থী, শমরিতা হাসপাতালের এমডি ও সিইও ডা. এ বি এম হারুন।


তাঁর উদ্যোগেই উপস্থিত সকল সদস্যের হাতে শমরিতা হাসপাতালের পক্ষ থেকে বিশেষ স্মৃতি সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। সম্মাননা গ্রহণের সময় ব্যাচের সদস্যদের মুখে ফুটে ওঠে উচ্ছ্বাস, নস্টালজিয়া ও গভীর বন্ধনের স্মৃতি।

কে-২৯ ব্যাচের সদস্যদের কেউ কেউ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে, কেউ বিদেশে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ছিলেন; তবুও তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক, সহমর্মিতা ও বন্ধুত্বের বন্ধন আজও একইভাবে টিকে আছে।

অনেকেই জানান, “১৯৭০ সালে আমরা যে বন্ধুত্বের হাত ধরেছিলাম, তা সময়ের রূপরেখা পেরিয়ে আজও ঠিক একইভাবে হৃদয়ে রয়ে গেছে।”

প্রবীণ এই চিকিৎসকরা জীবনের নানা অভিজ্ঞতা, কর্মক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ, ছাত্রজীবনের স্মৃতি এবং পারস্পরিক অবদান নিয়ে আড্ডায় মেতে ওঠেন। কেউ কারও খোঁজ নেন, কেউ স্মৃতির পুরোনো গল্প বলেনঅনুষ্ঠানের প্রতিটি মুহূর্তেই ছিল এক ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ আবেগ।

উল্লেখ্য, ব্যাচটিকে ঘিরে রয়েছে একটি সামাজিক ও মানবিক সংগঠন কে-২৯ ফাউন্ডেশন।
এই ফাউন্ডেশনের সদস্যরা বহু বছর ধরে চিকিৎসা সহায়তা, সমাজসেবা ও বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। আজকের পুনর্মিলনীতে সেই মানবিক চেতনার কথাও উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এমন আয়োজন তাদের শুধু পুরোনো দিনের স্মৃতি মনে করানোর জন্য নয়, বরং ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালীভাবে একে অপরের পাশে থাকার অনুপ্রেরণা তৈরি করেছে।
আড্ডা, স্মৃতি, সম্মাননা, ছবি তোলা আর হাসিখুশির মুহূর্তে ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-২৯ ব্যাচের এই ব্রেকফাস্ট পার্টি রূপ নেয় এক অনন্য স্মরণীয় দিনে।



























