ঢাকা ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেত্রকোণায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ মামলার অগ্রগতি ফাঁকা শাহজালাল বিমানবন্দর: সৌদি রুটে ফ্লাইট বন্ধে বদলেছে চিত্র দেশের প্রায় অর্ধেক পরিবার এখন ঋণগ্রস্ত, বলছে নতুন জরিপ ঝিনাইদহে সারের ডিলারশিপ দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে জামায়াতের মানববন্ধন কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান শেখ আব্দুল হান্নান অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দুর্গাপূজা রুখে দাঁড়ানোর প্রেরণা: রাষ্ট্রপতি জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অটুট প্রতিশ্রুতি: প্রধানমন্ত্রী রিজেন্ট এয়ারওয়েজের মূল প্রতিষ্ঠানের অবসায়নের নির্দেশ হাইকোর্টের ২৪ অক্টোবর নিউইয়র্কে এএবিইএ-এর দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ইসরাইলের নির্বাচনে আরব ভোট ও নেতানিয়াহুর রাজনীতির হিসাব

শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় এপিবিএনের কার্যপদ্ধতি জানতে চাইল কর্তৃপক্ষ

  • আপডেট সময় : ১২:০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 18
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড বা বহিরাঙ্গন এলাকায় দায়িত্বরত এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ও কার্যপদ্ধতি নিয়ে লিখিত বিবরণ চেয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে ১৩ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) চূড়ান্ত করে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরে অনুমোদন শেষে তা আবার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে আসবে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুক্তরাজ্য সরকারের পরিবহন বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী ল্যান্ডসাইডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই এসওপি তৈরি করা জরুরি। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) নিরাপত্তা অডিট সামনে রেখে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত শাহজালাল বিমানবন্দরে আইকাওয়ের এই অন-সাইট নিরাপত্তা অডিট অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বিমানবন্দরের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হবে।

বিমানবন্দরের এভিয়েশন সিকিউরিটি বিভাগের পরিচালক উইং কমান্ডার আশফাক ওয়ালী জানিয়েছেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোন সংস্থা কীভাবে দায়িত্ব পালন করছে, তা অডিটের সময় খতিয়ে দেখা হবে। তবে গত ২০ সেপ্টেম্বর চিঠিটি পাঠানো হলেও ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এপিবিএনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় বিবরণ পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এসওপি জমা পাওয়ার আশা প্রকাশ করছে, যা পরবর্তীতে অনুমোদনের জন্য বেসামরিক বিমান চলাচল সদরদপ্তরে পাঠানো হবে।

সূত্র বলছে, এর আগেও এ ধরনের লিখিত বিবরণ চাওয়া হলেও তা সরবরাহ করা হয়নি। এপিবিএন বিমানবন্দরে মোতায়েনের শুরুর দিকে একবার মাত্র দায়িত্বের বিবরণ দিয়েছিল। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরের নিরাপত্তার একক নিয়ন্ত্রক এবং তারাই বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করে থাকে। ল্যান্ডসাইডের মূল নিরাপত্তা দায়িত্ব এপিবিএনের ওপর ন্যস্ত থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে দায়িত্ব অবহেলার কিছু অভিযোগ গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এই বিষয়টি জাতীয় কমিটিতেও আলোচিত হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এপিবিএনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে এপিবিএনের অধিনায়ক শেখ বশির উদ্দিন জানিয়েছেন, তারা কর্তৃপক্ষের চিঠি হাতে পেয়েছেন এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জবাব প্রদান করা হবে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুসংহত, সমন্বয়মূলক এবং জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে এই এসওপি প্রণয়নকে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় এপিবিএনের কার্যপদ্ধতি জানতে চাইল কর্তৃপক্ষ

আপডেট সময় : ১২:০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড বা বহিরাঙ্গন এলাকায় দায়িত্বরত এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ও কার্যপদ্ধতি নিয়ে লিখিত বিবরণ চেয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে ১৩ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) চূড়ান্ত করে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরে অনুমোদন শেষে তা আবার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে আসবে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুক্তরাজ্য সরকারের পরিবহন বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী ল্যান্ডসাইডের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই এসওপি তৈরি করা জরুরি। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) নিরাপত্তা অডিট সামনে রেখে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত শাহজালাল বিমানবন্দরে আইকাওয়ের এই অন-সাইট নিরাপত্তা অডিট অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বিমানবন্দরের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হবে।

বিমানবন্দরের এভিয়েশন সিকিউরিটি বিভাগের পরিচালক উইং কমান্ডার আশফাক ওয়ালী জানিয়েছেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোন সংস্থা কীভাবে দায়িত্ব পালন করছে, তা অডিটের সময় খতিয়ে দেখা হবে। তবে গত ২০ সেপ্টেম্বর চিঠিটি পাঠানো হলেও ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এপিবিএনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় বিবরণ পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এসওপি জমা পাওয়ার আশা প্রকাশ করছে, যা পরবর্তীতে অনুমোদনের জন্য বেসামরিক বিমান চলাচল সদরদপ্তরে পাঠানো হবে।

সূত্র বলছে, এর আগেও এ ধরনের লিখিত বিবরণ চাওয়া হলেও তা সরবরাহ করা হয়নি। এপিবিএন বিমানবন্দরে মোতায়েনের শুরুর দিকে একবার মাত্র দায়িত্বের বিবরণ দিয়েছিল। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরের নিরাপত্তার একক নিয়ন্ত্রক এবং তারাই বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করে থাকে। ল্যান্ডসাইডের মূল নিরাপত্তা দায়িত্ব এপিবিএনের ওপর ন্যস্ত থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে দায়িত্ব অবহেলার কিছু অভিযোগ গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এই বিষয়টি জাতীয় কমিটিতেও আলোচিত হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এপিবিএনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে এপিবিএনের অধিনায়ক শেখ বশির উদ্দিন জানিয়েছেন, তারা কর্তৃপক্ষের চিঠি হাতে পেয়েছেন এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জবাব প্রদান করা হবে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুসংহত, সমন্বয়মূলক এবং জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে এই এসওপি প্রণয়নকে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।