ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইয়েমেনে সংঘাত বন্ধে ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চায় হুথিরা গ্যাস-বিদ্যুতের দাম ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে বাড্ডায় জামায়াতের বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের হার উদযাপন করছে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের পর চাঙ্গা বিশ্ববাজার, দর কমল ডলারের গ্রাউন্ড সার্ভিস আধুনিকায়নে ২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ ইউএস-বাংলার আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে পরীমনির উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ভারত থেকে শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ট্রাভেল পাস মিলবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব না বাড়ায়, সতর্ক থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ভিয়েতনামের বিমান শিল্পে ডিজিটাল প্রযুক্তি আনছে এয়ারবাস

গ্যাস-বিদ্যুতের দাম ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে বাড্ডায় জামায়াতের বিক্ষোভ

  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / 4
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের বারবার মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্রমবর্ধমান দামের প্রতিবাদে রাজধানীর বাড্ডায় বড় ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের উদ্যোগে উত্তর বাড্ডা এলাকায় এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। উত্তর বাড্ডা ব্রিজের নিচে আয়োজিত সমাবেশ শেষে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাড্ডা ইউলুপের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে বিপুলসংখ্যক নারী অংশ নেন, যাদের অনেকের হাতেই হাড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফেস্টুন দেখা যায়। ন্যায্যমূল্যে জনগণের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। কৃষক, শ্রমিক ও মা-বোনদের মুখে হাসি ফোটাতে হবে এবং আয়-ব্যয়ের সামর্থ্যের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছু রাখতে হবে। একজন শ্রমিক ভাইকে জীবন দিতে হতো না। চলমান শ্রমিক আন্দোলনে কারা ভাঙচুর ও নাশকতা করার চেষ্টা করছে, সরকারকে তা খুঁজে বের করতে হবে। কিন্তু এর পরিণতি সরকারকেই ভোগ করতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট করেন যে, কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কিংবা বিতর্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তারা মাঠে নামেননি, বরং জনগণের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তাদের এই কর্মসূচি।

মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, বর্তমান বাজারে মানুষের চোখেমুখে যে হতাশা ও অস্বস্তি ফুটে উঠছে, তার প্রধান কারণ আয় ও ব্যয়ের অসামঞ্জস্য। একদিকে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের আয় সেই হারে বাড়ছে না। তিনি অবিলম্বে নিত্যপণ্যের বাজারের সিন্ডিকেট ভাঙার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণের অন্ন সংস্থানের নিশ্চয়তা না দিয়ে কেবল উন্নয়নের ফানুস উড়িয়ে লাভ নেই। তিনি বর্তমান সরকারকে দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার ইঙ্গিত দিয়ে হুঁশিয়ারি দেন যে, জনগণের আস্থা হারালে ক্ষমতায় টিকে থাকা কঠিন হবে। মানুষের আয় এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে কোনোভাবেই সামঞ্জস্য নেই। দেশের জনগণকে অস্তিত্বসংকট ও অনিরাপত্তার মধ্যে রেখে উন্নয়নের ফানুস ওড়ানো যাবে না। কার্ড বিতরণ করেন আর যা-ই করেন, এসব দিয়ে জনগণকে বোঝাতে পারবেন না।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর যৌক্তিক দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে সেলিম উদ্দিন বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ করা চরম অমানবিক।

তিনি শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া, বেতন যথাসময়ে পরিশোধ এবং হয়রানি বন্ধের জোর দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, শ্রমিকদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও চাকরি থেকে ছাঁটাই বন্ধ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, শ্রমিক ভাইদের অনুরোধ করব, আমরা আপনাদের পাশে আছি। শ্রমিক ভাইদের প্রতি আমাদের আহ্বান, আপনারা আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না।

তবে তিনি শ্রমিকদের সতর্ক করে বলেন, ন্যায্য আন্দোলনের আড়ালে গাড়ি ভাঙচুর কিংবা কারখানায় আগুন দেওয়ার মতো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড সমর্থনযোগ্য নয়। তার মানে এই নয় যে, গাড়ি ভাঙচুর করবেন কিংবা কারখানায় আগুন দেবেন, আর আমরা সেসব কর্মকাণ্ডের পক্ষেও থাকব।

এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার জন্য শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, কোনো তৃতীয় পক্ষ যেন শ্রমিকদের ব্যবহার করে তাদের দাবিকে বিতর্কিত করতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

সরকারের উদ্দেশে সেলিম উদ্দিন বলেন, দেশ পরিচালনায় কুসুম কুসুম সম্পর্কের রাজনীতি আর চলবে না। কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে সরকারের আপসের সম্পর্ক থাকা উচিত নয়। তিনি গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করে বিভাজনের রাজনীতির সমালোচনা করেন এবং সরকারকে জনকল্যাণমূলক কাজে মনোনিবেশ করার পরামর্শ দেন। তিনি অবিলম্বে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান সংকট সমাধানের আহ্বান জানান। অথচ গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে এই সরকারের উচিত ছিল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, ইয়াসিন আরাফাত এবং প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদি, মাওলানা কুতুবউদ্দিন, ফজলে আহমেদ ও মিজানুর রহমান খান। আয়োজকরা দাবি করেন, জনগণ এমন একটি দেশে থাকতে চায় যেখানে কৃত্রিম উন্নয়নের চেয়ে জীবনযাত্রার প্রকৃত মানোন্নয়নকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্যাস-বিদ্যুতের দাম ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে বাড্ডায় জামায়াতের বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের বারবার মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্রমবর্ধমান দামের প্রতিবাদে রাজধানীর বাড্ডায় বড় ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের উদ্যোগে উত্তর বাড্ডা এলাকায় এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। উত্তর বাড্ডা ব্রিজের নিচে আয়োজিত সমাবেশ শেষে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাড্ডা ইউলুপের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে বিপুলসংখ্যক নারী অংশ নেন, যাদের অনেকের হাতেই হাড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফেস্টুন দেখা যায়। ন্যায্যমূল্যে জনগণের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। কৃষক, শ্রমিক ও মা-বোনদের মুখে হাসি ফোটাতে হবে এবং আয়-ব্যয়ের সামর্থ্যের মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছু রাখতে হবে। একজন শ্রমিক ভাইকে জীবন দিতে হতো না। চলমান শ্রমিক আন্দোলনে কারা ভাঙচুর ও নাশকতা করার চেষ্টা করছে, সরকারকে তা খুঁজে বের করতে হবে। কিন্তু এর পরিণতি সরকারকেই ভোগ করতে হবে।

বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট করেন যে, কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কিংবা বিতর্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তারা মাঠে নামেননি, বরং জনগণের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তাদের এই কর্মসূচি।

মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, বর্তমান বাজারে মানুষের চোখেমুখে যে হতাশা ও অস্বস্তি ফুটে উঠছে, তার প্রধান কারণ আয় ও ব্যয়ের অসামঞ্জস্য। একদিকে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের আয় সেই হারে বাড়ছে না। তিনি অবিলম্বে নিত্যপণ্যের বাজারের সিন্ডিকেট ভাঙার আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণের অন্ন সংস্থানের নিশ্চয়তা না দিয়ে কেবল উন্নয়নের ফানুস উড়িয়ে লাভ নেই। তিনি বর্তমান সরকারকে দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার ইঙ্গিত দিয়ে হুঁশিয়ারি দেন যে, জনগণের আস্থা হারালে ক্ষমতায় টিকে থাকা কঠিন হবে। মানুষের আয় এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে কোনোভাবেই সামঞ্জস্য নেই। দেশের জনগণকে অস্তিত্বসংকট ও অনিরাপত্তার মধ্যে রেখে উন্নয়নের ফানুস ওড়ানো যাবে না। কার্ড বিতরণ করেন আর যা-ই করেন, এসব দিয়ে জনগণকে বোঝাতে পারবেন না।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর যৌক্তিক দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে সেলিম উদ্দিন বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ করা চরম অমানবিক।

তিনি শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া, বেতন যথাসময়ে পরিশোধ এবং হয়রানি বন্ধের জোর দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, শ্রমিকদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও চাকরি থেকে ছাঁটাই বন্ধ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, শ্রমিক ভাইদের অনুরোধ করব, আমরা আপনাদের পাশে আছি। শ্রমিক ভাইদের প্রতি আমাদের আহ্বান, আপনারা আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না।

তবে তিনি শ্রমিকদের সতর্ক করে বলেন, ন্যায্য আন্দোলনের আড়ালে গাড়ি ভাঙচুর কিংবা কারখানায় আগুন দেওয়ার মতো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড সমর্থনযোগ্য নয়। তার মানে এই নয় যে, গাড়ি ভাঙচুর করবেন কিংবা কারখানায় আগুন দেবেন, আর আমরা সেসব কর্মকাণ্ডের পক্ষেও থাকব।

এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার জন্য শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, কোনো তৃতীয় পক্ষ যেন শ্রমিকদের ব্যবহার করে তাদের দাবিকে বিতর্কিত করতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

সরকারের উদ্দেশে সেলিম উদ্দিন বলেন, দেশ পরিচালনায় কুসুম কুসুম সম্পর্কের রাজনীতি আর চলবে না। কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তির সঙ্গে সরকারের আপসের সম্পর্ক থাকা উচিত নয়। তিনি গণভোটের রায়কে উপেক্ষা করে বিভাজনের রাজনীতির সমালোচনা করেন এবং সরকারকে জনকল্যাণমূলক কাজে মনোনিবেশ করার পরামর্শ দেন। তিনি অবিলম্বে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যমান সংকট সমাধানের আহ্বান জানান। অথচ গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে এই সরকারের উচিত ছিল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, ইয়াসিন আরাফাত এবং প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদি, মাওলানা কুতুবউদ্দিন, ফজলে আহমেদ ও মিজানুর রহমান খান। আয়োজকরা দাবি করেন, জনগণ এমন একটি দেশে থাকতে চায় যেখানে কৃত্রিম উন্নয়নের চেয়ে জীবনযাত্রার প্রকৃত মানোন্নয়নকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।