ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের

‘কী দিয়েছেন দেশকে? কী করেছেন উনি?’

  • আপডেট সময় : ১১:১৩:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 251
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোদী সরকারের নোট বাতিলের সিদ্ধান্তকে গুরুতর ভুল বলে মনে করেন তিনি। এতে দেশের অর্থনীতির তো বটেই, বিশেষত গরীব মানুষের ক্ষতি হবে বেশি- মনে করেন নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। সেই অমর্ত্য সেনকে এ বার কুরুচিকর ভাষায় ব্যক্তিগত আক্রমণ শানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “আমাদের একজন নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন। বাঙালি।… তিনি কী করেছেন? বাংলার কেউ বোঝে না। দুনিয়ার কেউ বোঝে না। উনি নিজেও বোঝেন কিনা সন্দেহ আছে। কী দিয়েছেন দেশকে? কী করেছেন উনি?” এখানেই থামেননি দিলীপ। রুচির সীমা আরও খানিক অতিক্রম করে বলেন, “এই ধরনের লোকেদের নিয়েই আমরা আজ গর্ববোধ করি (যাঁদের) মেরুদণ্ড নেই, চরিত্র নেই।” তাঁর মতে, এঁদের (অর্থাত্ অমর্ত্য সেনদের) “কেনা যায়, বিক্রি করা যায়! চমকানো যায়! পায়ে পড়ে যায়।”

শনিবার, মৌলালি যুব কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই কথা বেরিয়ে আসে বিজেপি রাজ্য সভাপতির মুখ থেকে। টেনে আনেন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অমর্ত্য

সেনের সরে যাওয়ার প্রসঙ্গও। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা দেন অমর্ত্য সেন। এর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতি থেকেও সরিয়ে দেওয়া তাঁকে। এই প্রসঙ্গ তুলে দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওনাকে নালন্দার ভাইস চ্যান্সেলর থেকে হঠানো হয়েছে। খুব কষ্ট হচ্ছে!”

অমর্ত্য সেনের উপর এই লাগামছাড়া আক্রমণে নিন্দার ঝড় উঠেছে নানা স্তরে। তবে যাঁর বিরুদ্ধে এ হেন বিষোদ্গার, সেই অমর্ত্য সেন প্রত্যাশিত ভাবেই দিলীপ ঘোষের জবাব দিলীপ ঘোষের ভাষায় দেননি। উল্টে তিনি বলেছেন, “উনি যা ঠিক মনে করেছেন তা বলেছেন। ওনার বলার অধিকার আছে। আপত্তির কোনও কারণ নেই। সব কিছু নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। যদি এ সব ওনার আলোচ্য বিষয় বলে মনে হয়, তবে অবশ্যই আলোচনা করা উচিত।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘কী দিয়েছেন দেশকে? কী করেছেন উনি?’

আপডেট সময় : ১১:১৩:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

মোদী সরকারের নোট বাতিলের সিদ্ধান্তকে গুরুতর ভুল বলে মনে করেন তিনি। এতে দেশের অর্থনীতির তো বটেই, বিশেষত গরীব মানুষের ক্ষতি হবে বেশি- মনে করেন নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। সেই অমর্ত্য সেনকে এ বার কুরুচিকর ভাষায় ব্যক্তিগত আক্রমণ শানালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “আমাদের একজন নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন। বাঙালি।… তিনি কী করেছেন? বাংলার কেউ বোঝে না। দুনিয়ার কেউ বোঝে না। উনি নিজেও বোঝেন কিনা সন্দেহ আছে। কী দিয়েছেন দেশকে? কী করেছেন উনি?” এখানেই থামেননি দিলীপ। রুচির সীমা আরও খানিক অতিক্রম করে বলেন, “এই ধরনের লোকেদের নিয়েই আমরা আজ গর্ববোধ করি (যাঁদের) মেরুদণ্ড নেই, চরিত্র নেই।” তাঁর মতে, এঁদের (অর্থাত্ অমর্ত্য সেনদের) “কেনা যায়, বিক্রি করা যায়! চমকানো যায়! পায়ে পড়ে যায়।”

শনিবার, মৌলালি যুব কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই কথা বেরিয়ে আসে বিজেপি রাজ্য সভাপতির মুখ থেকে। টেনে আনেন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অমর্ত্য

সেনের সরে যাওয়ার প্রসঙ্গও। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা দেন অমর্ত্য সেন। এর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতি থেকেও সরিয়ে দেওয়া তাঁকে। এই প্রসঙ্গ তুলে দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওনাকে নালন্দার ভাইস চ্যান্সেলর থেকে হঠানো হয়েছে। খুব কষ্ট হচ্ছে!”

অমর্ত্য সেনের উপর এই লাগামছাড়া আক্রমণে নিন্দার ঝড় উঠেছে নানা স্তরে। তবে যাঁর বিরুদ্ধে এ হেন বিষোদ্গার, সেই অমর্ত্য সেন প্রত্যাশিত ভাবেই দিলীপ ঘোষের জবাব দিলীপ ঘোষের ভাষায় দেননি। উল্টে তিনি বলেছেন, “উনি যা ঠিক মনে করেছেন তা বলেছেন। ওনার বলার অধিকার আছে। আপত্তির কোনও কারণ নেই। সব কিছু নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। যদি এ সব ওনার আলোচ্য বিষয় বলে মনে হয়, তবে অবশ্যই আলোচনা করা উচিত।”