ঢাকা ১২:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ দেশে সার উৎপাদন বাড়াতে তিনটি নতুন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা চ্যালেঞ্জের মুখেও এমিরেটস গ্রুপের ১.১ বিলিয়ন ডলার মুনাফা নেতানিয়াহুর চেয়ে জনপ্রিয় জোহরান মামদানি, বলছে জিবিএওর জরিপ ইরানের ওপর নতুন সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভুটানকে হারিয়ে জয় দিয়ে সাফ মিশন শুরু বাংলাদেশের সাঁথিয়ায় ভাগ্নিকে নিরাপত্তা ঘটনায়: মামা আটক ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতি হামলায় আহত আরও এক ভারতীয়র প্রয়াণ

বিশ্বজিৎ হত্যা : ডেথ রেফারেন্সের পেপারবুক প্রস্তুত

  • আপডেট সময় : ১১:০০:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 358
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছাত্রলীগের চাপাতির কোপে আলোচিত পথচারী ও দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার ডেথরেফারেন্স ও আসামিদের পক্ষে করা আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টে পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে হাইকোর্টের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) সাব্বির ফয়েজ সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রধান বিচারপতির নির্দেশে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে।

নিয়মানুযায়ী, এখন প্রধান বিচারপতি এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেয়ার পর তা শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে পাঠানো হবে।

এর আগে ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করে রায় দেন নিম্ন (বিচারিক) আদালত। ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম নিজামুল হক এ রায় ঘোষণা করেছিলেন।

ওই রায়ের এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রফিকুল ইসলাম শাকিল, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন, সাইফুল ইসলাম, কাইয়ুম মিঞা টিপুন, রাজন তালুকদার এবং মীর মো. নূরে আলম লিমন।

এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- এএইচএম কিবরিয়া, ইউনুস আলী, তারিক বিন জোহর তমাল, গোলাম মোস্তফা, আলাউদ্দিন, ওবায়দুর কাদের তাহসিন, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল-আমিন, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, মোশাররফ হোসেন ও কামরুল হাসান। এছাড়া তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার করে অর্থদণ্ড করা হয়।

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায়  ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই ২১ আসামির মধ্যে আটজন কারাগারে এবং বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

২০১২ সালের  ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শাখা ছাত্রলীগ ক্যাডাররা নির্মমভাবে খুন করেন যাবজ্জীবন দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাসকে। শাখারীবাজারে বিশ্বজিতের দোকান ছিল। তিনি থাকতেন লক্ষ্মীবাজার। গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিশ্বজিৎ হত্যা : ডেথ রেফারেন্সের পেপারবুক প্রস্তুত

আপডেট সময় : ১১:০০:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

ছাত্রলীগের চাপাতির কোপে আলোচিত পথচারী ও দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলার ডেথরেফারেন্স ও আসামিদের পক্ষে করা আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টে পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে হাইকোর্টের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (প্রশাসন ও বিচার) সাব্বির ফয়েজ সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রধান বিচারপতির নির্দেশে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে।

নিয়মানুযায়ী, এখন প্রধান বিচারপতি এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেয়ার পর তা শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে পাঠানো হবে।

এর আগে ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করে রায় দেন নিম্ন (বিচারিক) আদালত। ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম নিজামুল হক এ রায় ঘোষণা করেছিলেন।

ওই রায়ের এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রফিকুল ইসলাম শাকিল, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন, সাইফুল ইসলাম, কাইয়ুম মিঞা টিপুন, রাজন তালুকদার এবং মীর মো. নূরে আলম লিমন।

এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- এএইচএম কিবরিয়া, ইউনুস আলী, তারিক বিন জোহর তমাল, গোলাম মোস্তফা, আলাউদ্দিন, ওবায়দুর কাদের তাহসিন, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল-আমিন, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, মোশাররফ হোসেন ও কামরুল হাসান। এছাড়া তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার করে অর্থদণ্ড করা হয়।

বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায়  ২০১৩ সালের ৫ মার্চ ছাত্রলীগের ২১ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এই ২১ আসামির মধ্যে আটজন কারাগারে এবং বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

২০১২ সালের  ৯ ডিসেম্বর ১৮ দলের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শাখা ছাত্রলীগ ক্যাডাররা নির্মমভাবে খুন করেন যাবজ্জীবন দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাসকে। শাখারীবাজারে বিশ্বজিতের দোকান ছিল। তিনি থাকতেন লক্ষ্মীবাজার। গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর।