দিরাইয়ে আ.লীগ-যুবলীগ সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ৩

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে ৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- হাতিয়া গ্রামের ছান উল্যার ছেলে তাজুল ইসলাম(৩৫), আকিল নগর গ্রামের ইসহাক মিয়ার ছেলে শাহরুল(২৮) ও আমান উল্লার ছেলে উজ্জল (২৫)।

মঙ্গলবার ১১টার দিকে উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের ঘোরামারা সাতপাকিয়া প্রকাশিত জারলিয়া জলমহালের দখল নিয়ে উপজেলা যুবলীগ নেতা একরার বাহিনীর সঙ্গে ইজারাদার পক্ষের ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মাসুক মিয়া ও এয়াহিয়া চৌধুরীর বাহিনীর এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হাতিয়া গ্রামের মিরাস মিয়ার ছেলে আল আমিন (২৪), সুনাফর (২৭) এবং উত্তর সুরিয়ারপার গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে মালেক মিয়াকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত বাকিদেরকে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এলাকাবাসি ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, যুবলীগ নেতা একরার বাহিনীর লোকজন একরারের নেতৃত্বে জারলিয়া জলহাল দখল করতে গেলে ইজারাদার দক্ষিন নাগেরগাও মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক ধনঞ্জয় দাসের পক্ষের আওয়ামী লীগ নেতা মাসুক মিয়া ও এয়াহিয়া চৌধুরীর লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে এলোপাতারি গুলিতে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তাজুল ইসলাম নিহত হন। শাহরুল (২৮) ও উজ্জলকে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান।

নিহতদের লাশ দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্যে সুনামগঞ্জে প্রেরন করে। দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল জলিল সংঘর্ষের ঘটনায় হতাহতের ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার ১১টার দিকে একারার ৩০/৩২ জন লোক নিয়ে জলমহালে দখল করতে গেলে ইজারাদার ধনঞ্জয়ের লোকজনের সাথে সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।