ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ইরাকে লেবার কাউন্সিলরের দূর্নীতি ও অনিয়মে ডাঃ লিটনসহ চার বাংলাদেশীর জীবন সংকটে, হুমকির মুখে শ্রমবাজার

  • আপডেট সময় : ০৫:৫৪:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০১৯
  • / 889

ইরাক বাংলাদেশের দূতাবাসের কাউন্সিলর(লেবার) মোহাম্মদ রেজাউল কবির

বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ প্রতিবেদক

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বিগত বছর বাইরের দেশ থেকে কর্মী নিয়োগের জন্য ইরাকের অধিনস্ত বিভিন্ন কোম্পানী ভিসা দেওয়া শুরু করে।

ব্যাপক উন্নয়ন সাধনে ইরাকের সাথে বাংলাদেশের বিভিন্ন ট্রাভেলস এবং রিক্রুটিং এজেন্সি জনশক্তি রপ্তানি করতে সেখানকার কোম্পানীর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কর্মী প্রেরণ করে। তবে কিছু অসাধু এজেন্সির সাথে ঘটে যায় বিপত্তি।

ডাঃ লিটন নামে একজন ভুক্তভোগী বাংলাদেশের নাগরিক এবং যিনি ইরাকের একটি কোম্পানীর বাংলাদেশের এজেন্ট। বাংলাদেশের সাথে ইরাকের সেতুবন্ধন ও একটি কূটনৈতিক সম্পর্ক তৈরিতে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। তার বর্ণনায় উঠে আসে ইরাকে বাংলাদেশের দূতাবাসের কাউন্সিলর(লেবার) মোহাম্মদ রেজাউল কবির এবং বাংলাদেশের কিছু রিক্রুটিং এজেন্সির সাথে দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে নষ্ট হচ্ছে বাংলাদেশের সুনাম এবং ধংস করা হচ্ছে দেশের শ্রমবাজার।

ইরাকে কোম্পানীর এজেন্ট ডাঃ লিটন বিডিসংবাদকে বলেন “ইরাকি কোম্পানীর নিকট হতে শ্রমিক নিয়োগে বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ইরাকে জনশক্তি নিয়োগে বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফেমাক্স ট্রেড এসোসিয়েট লিমিটেডের মালিক আজাদ রহমান খান ও আই সি এস কর্পোরেশনের মালিক মো. আল মামুন ও শহিদুল আলম ৩৩৯ জন কর্মীর ভিসা গ্রহন করে। তবে এজেন্সির মালিকরা বাংলাদেশের ম্যান পাওয়ার ক্লিয়ার করে ২৪৪ জন কর্মি ইরাকে প্রেরণ করে। ইরাকি কোম্পানী ২০০ জন কর্মীর আকামা সম্পন্ন করে তাদেরকে কোম্পানীতে নিয়োগ দেয়। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা কিছু টাকা প্রদান করে এবং ১ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা পাওনা থাকায় বাকী ৪৪ জনের কর্মীর আকামা দেওয়া যাচ্ছিল না। এজেন্সির মালিকের কাছ থেকে বাকী টাকা চাইলে রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক আজাদ,মামুন ও শহীদ টালবাহানা শুরু করে দেয়।

বকেয়া টাকার জন্য রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের এই অনিয়মে ডাঃ লিটন ইরাকে লেবার কাউন্সিলর রেজাউল কবিরকে অবগত করেন এবং এজেন্সির কাছ থেকে টাকা পাওনা রয়েছে সেই মর্মে একটা দরখাস্তও প্রদান করেন। যদিও পরবর্তীতে লেবার কাউন্সিলর রেজাউল কবির ও কমিউনিটির সদস্যরা কোম্পানী পরিদর্শন করেন এবং এজেন্সির মালিকদের সাথে এই নিয়ে কথা বলেন। তখন এজেন্সির মালিকরা অকপটে টাকা ইরাকি কোম্পানী পাওনা আছে বলে স্বীকার করেন বলে তিনি জানান।


বামে আইসিএস কর্পোরেশনের লিমিটেডে মালিক মো. আল মামুন, শহিদুল আলম এবং রিক্রুটিং অ্যাজেন্সি ফেমাক্স টেড এসোসিয়েট লিমিটেডের মালিকআজাদ রহমান।

ডাঃ লিটন বলেন, পরবর্তীতে এজেন্সির মালিকরা টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও আমার টাকা না দিয়ে উল্টো দৈনিক পত্রিকা নয়া দিগন্তে <– (লিঙ্ক ক্লিক করুন) আমার ও কোম্পানীর নামে মিথ্যা ও বানোয়াট ও উদ্দেশ্যে প্রনোদিত খবর প্রকাশ করে। এই নিয়ে গত ২৪ এপ্রিল ২০১৯ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাকে <– (লিঙ্ক ক্লিক করুন) পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা পরবর্তীতে লেবার কাউন্সিলর রেজাউল কবিরের সাথে যোগাযোগ কওে ৪৪ জন কর্মী এম্বাসীর তত্ত্বাবধানে নিয়ে নেয় এবং রেজাউল কবির এজেন্সির মালিকদের কাছ থেকে ৭০ হাজার ডলারের বিনিময়ে নিয়ে নেয়, কিন্তু উক্ত ৭০ হাজার ডলার কোম্পানীকে প্রেরণ করে নাই। রেজাউল কবির নিজেই ৭০ হাজার ডলার ভোগ করেন এবং তাকে সহায়তা করেন কমিউনিটির ৪ জন সদস্য। এর আগেও আব্দুল কুদ্দুস নামে ইরাকের একটি কোম্পনীর এজেন্টের সাথে একই ঘটনা ঘটেছে। রেজাউল কবির ১৭ জন লোকের ছাড়ার বিনিময়ে ৪৪ লক্ষ টাকা রিক্রুটিং এজেন্সি ফেমাস ট্রেড আর.এল নং ৩৭৮ এর মালিক আজাদ রহমানের নিকট হইতে গ্রহন করেন। পরে কোম্পনীকে আর প্রদান করেননি। যার কারনে ইরাকি কোম্পনী ও বাংলাদেশের সাথে একটা দন্ধে জড়িয়ে যাচ্ছে।


লেবার কাউন্সিলরের দুর্নীতি নিয়ে ডাঃ লিটন জানান, ৩৩৯ জনের ভিসা সত্যায়ন বাবদ লেবার কাউন্সিলর রেজাউল কবির ৫০,৮৫০ ইউএস ডলার ( যা বাংলাদেশি টাকায় ৪৩ লাখ ২২ হাজার ৫০টাকা) গ্রহন করেন। যেটা ডঃ লিটন নিজ হাতেই প্রদান করেন। যেখানে জন প্রতি তার ১০ ডলার নেওয়ার কথা সেখানে সে জনপ্রতি ১৩০ ডলার গ্রহন করেন। দেখুন তার অনিয়ম ও দূর্নীতি কত চরম পর্যায়ে পৌছে গেছে।

তিনি এই অনিয়মের উপর প্রতিবাদ করিলে রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা ইরাকের বাংলাদেশের দূতাবাসের কাউন্সিলর (লেবার) মোহাম্মদ রেজাউল কবিরের সাথে বনিবনা ও চক্রান্ত করে ব্যাপারটি কঠিনভাবে ধামাচাপা দেওয়া হয়। যার ফলে ডাঃ লিটনসহ চার বাংলাদেশীর জীবন আজ সংকটাপন্ন। তাছাড়া দূতাবাসের এই নিয়ে কোন সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলে তিনি জানান। এমনকি কাউন্সিলর রেজাউওল কবিরের অনিয়ম ও দূর্নীতির কথা এর আগেও অনেক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

কাউন্সিলরের ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, “রেজাউল কবিরের কথা সরকার আমার কিছুই করতে পারবে না। এই রেজাউল কবিরের জন্য এখনো চার বাংলাদেশি ইরাকের জেলে দিন গুনছেন।

সর্বশেষ গত ৫ মে রবিবার ড. লিটন দূতাবাসের সচিব ইমরান সাহেবের সাথে যোগাযোগ করেও কোন সহযোগিতা পান নি।

তিনি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রের কাছ থেকে তাকে এবং ইরাকি কোম্পানীকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ এবং এই চক্রান্ত থেকে পরিত্রান চান এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ফেমাক্স ট্রেডের মালিক আজাদ রহমান ও আইসিএস কর্পোরেশনের মালিক মামুনকে বিচারের আওতায় আনা হোক এবং ফেমাক্স ট্রেড লিমিটেডের এর আর.এল নং ৩৭৮ কে কালোতালিকায় আনা হোক এর জোর দাবি জানান।

বিডিসংবাদ/কেএম

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ইরাকে লেবার কাউন্সিলরের দূর্নীতি ও অনিয়মে ডাঃ লিটনসহ চার বাংলাদেশীর জীবন সংকটে, হুমকির মুখে শ্রমবাজার

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০১৯

বিডিসংবাদ প্রতিবেদক

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বিগত বছর বাইরের দেশ থেকে কর্মী নিয়োগের জন্য ইরাকের অধিনস্ত বিভিন্ন কোম্পানী ভিসা দেওয়া শুরু করে।

ব্যাপক উন্নয়ন সাধনে ইরাকের সাথে বাংলাদেশের বিভিন্ন ট্রাভেলস এবং রিক্রুটিং এজেন্সি জনশক্তি রপ্তানি করতে সেখানকার কোম্পানীর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কর্মী প্রেরণ করে। তবে কিছু অসাধু এজেন্সির সাথে ঘটে যায় বিপত্তি।

ডাঃ লিটন নামে একজন ভুক্তভোগী বাংলাদেশের নাগরিক এবং যিনি ইরাকের একটি কোম্পানীর বাংলাদেশের এজেন্ট। বাংলাদেশের সাথে ইরাকের সেতুবন্ধন ও একটি কূটনৈতিক সম্পর্ক তৈরিতে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। তার বর্ণনায় উঠে আসে ইরাকে বাংলাদেশের দূতাবাসের কাউন্সিলর(লেবার) মোহাম্মদ রেজাউল কবির এবং বাংলাদেশের কিছু রিক্রুটিং এজেন্সির সাথে দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে নষ্ট হচ্ছে বাংলাদেশের সুনাম এবং ধংস করা হচ্ছে দেশের শ্রমবাজার।

ইরাকে কোম্পানীর এজেন্ট ডাঃ লিটন বিডিসংবাদকে বলেন “ইরাকি কোম্পানীর নিকট হতে শ্রমিক নিয়োগে বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ইরাকে জনশক্তি নিয়োগে বাংলাদেশ রিক্রুটিং এজেন্সি ফেমাক্স ট্রেড এসোসিয়েট লিমিটেডের মালিক আজাদ রহমান খান ও আই সি এস কর্পোরেশনের মালিক মো. আল মামুন ও শহিদুল আলম ৩৩৯ জন কর্মীর ভিসা গ্রহন করে। তবে এজেন্সির মালিকরা বাংলাদেশের ম্যান পাওয়ার ক্লিয়ার করে ২৪৪ জন কর্মি ইরাকে প্রেরণ করে। ইরাকি কোম্পানী ২০০ জন কর্মীর আকামা সম্পন্ন করে তাদেরকে কোম্পানীতে নিয়োগ দেয়। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা কিছু টাকা প্রদান করে এবং ১ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা পাওনা থাকায় বাকী ৪৪ জনের কর্মীর আকামা দেওয়া যাচ্ছিল না। এজেন্সির মালিকের কাছ থেকে বাকী টাকা চাইলে রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক আজাদ,মামুন ও শহীদ টালবাহানা শুরু করে দেয়।

বকেয়া টাকার জন্য রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের এই অনিয়মে ডাঃ লিটন ইরাকে লেবার কাউন্সিলর রেজাউল কবিরকে অবগত করেন এবং এজেন্সির কাছ থেকে টাকা পাওনা রয়েছে সেই মর্মে একটা দরখাস্তও প্রদান করেন। যদিও পরবর্তীতে লেবার কাউন্সিলর রেজাউল কবির ও কমিউনিটির সদস্যরা কোম্পানী পরিদর্শন করেন এবং এজেন্সির মালিকদের সাথে এই নিয়ে কথা বলেন। তখন এজেন্সির মালিকরা অকপটে টাকা ইরাকি কোম্পানী পাওনা আছে বলে স্বীকার করেন বলে তিনি জানান।


বামে আইসিএস কর্পোরেশনের লিমিটেডে মালিক মো. আল মামুন, শহিদুল আলম এবং রিক্রুটিং অ্যাজেন্সি ফেমাক্স টেড এসোসিয়েট লিমিটেডের মালিকআজাদ রহমান।

ডাঃ লিটন বলেন, পরবর্তীতে এজেন্সির মালিকরা টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও আমার টাকা না দিয়ে উল্টো দৈনিক পত্রিকা নয়া দিগন্তে <– (লিঙ্ক ক্লিক করুন) আমার ও কোম্পানীর নামে মিথ্যা ও বানোয়াট ও উদ্দেশ্যে প্রনোদিত খবর প্রকাশ করে। এই নিয়ে গত ২৪ এপ্রিল ২০১৯ইং তারিখে দৈনিক ইত্তেফাকে <– (লিঙ্ক ক্লিক করুন) পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা পরবর্তীতে লেবার কাউন্সিলর রেজাউল কবিরের সাথে যোগাযোগ কওে ৪৪ জন কর্মী এম্বাসীর তত্ত্বাবধানে নিয়ে নেয় এবং রেজাউল কবির এজেন্সির মালিকদের কাছ থেকে ৭০ হাজার ডলারের বিনিময়ে নিয়ে নেয়, কিন্তু উক্ত ৭০ হাজার ডলার কোম্পানীকে প্রেরণ করে নাই। রেজাউল কবির নিজেই ৭০ হাজার ডলার ভোগ করেন এবং তাকে সহায়তা করেন কমিউনিটির ৪ জন সদস্য। এর আগেও আব্দুল কুদ্দুস নামে ইরাকের একটি কোম্পনীর এজেন্টের সাথে একই ঘটনা ঘটেছে। রেজাউল কবির ১৭ জন লোকের ছাড়ার বিনিময়ে ৪৪ লক্ষ টাকা রিক্রুটিং এজেন্সি ফেমাস ট্রেড আর.এল নং ৩৭৮ এর মালিক আজাদ রহমানের নিকট হইতে গ্রহন করেন। পরে কোম্পনীকে আর প্রদান করেননি। যার কারনে ইরাকি কোম্পনী ও বাংলাদেশের সাথে একটা দন্ধে জড়িয়ে যাচ্ছে।


লেবার কাউন্সিলরের দুর্নীতি নিয়ে ডাঃ লিটন জানান, ৩৩৯ জনের ভিসা সত্যায়ন বাবদ লেবার কাউন্সিলর রেজাউল কবির ৫০,৮৫০ ইউএস ডলার ( যা বাংলাদেশি টাকায় ৪৩ লাখ ২২ হাজার ৫০টাকা) গ্রহন করেন। যেটা ডঃ লিটন নিজ হাতেই প্রদান করেন। যেখানে জন প্রতি তার ১০ ডলার নেওয়ার কথা সেখানে সে জনপ্রতি ১৩০ ডলার গ্রহন করেন। দেখুন তার অনিয়ম ও দূর্নীতি কত চরম পর্যায়ে পৌছে গেছে।

তিনি এই অনিয়মের উপর প্রতিবাদ করিলে রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা ইরাকের বাংলাদেশের দূতাবাসের কাউন্সিলর (লেবার) মোহাম্মদ রেজাউল কবিরের সাথে বনিবনা ও চক্রান্ত করে ব্যাপারটি কঠিনভাবে ধামাচাপা দেওয়া হয়। যার ফলে ডাঃ লিটনসহ চার বাংলাদেশীর জীবন আজ সংকটাপন্ন। তাছাড়া দূতাবাসের এই নিয়ে কোন সহযোগিতা পাচ্ছেন না বলে তিনি জানান। এমনকি কাউন্সিলর রেজাউওল কবিরের অনিয়ম ও দূর্নীতির কথা এর আগেও অনেক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

কাউন্সিলরের ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, “রেজাউল কবিরের কথা সরকার আমার কিছুই করতে পারবে না। এই রেজাউল কবিরের জন্য এখনো চার বাংলাদেশি ইরাকের জেলে দিন গুনছেন।

সর্বশেষ গত ৫ মে রবিবার ড. লিটন দূতাবাসের সচিব ইমরান সাহেবের সাথে যোগাযোগ করেও কোন সহযোগিতা পান নি।

তিনি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রের কাছ থেকে তাকে এবং ইরাকি কোম্পানীকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ এবং এই চক্রান্ত থেকে পরিত্রান চান এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ফেমাক্স ট্রেডের মালিক আজাদ রহমান ও আইসিএস কর্পোরেশনের মালিক মামুনকে বিচারের আওতায় আনা হোক এবং ফেমাক্স ট্রেড লিমিটেডের এর আর.এল নং ৩৭৮ কে কালোতালিকায় আনা হোক এর জোর দাবি জানান।

বিডিসংবাদ/কেএম