ঢাকা ০৯:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

আসছে ‘মেন্টাল ভায়াগ্রা’!

  • আপডেট সময় : ০২:০১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
  • / 291
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যৌবনে যৌন উন্মাদনা কেবলমাত্র প্রকৃতির নিয়মেই হয়। বৈজ্ঞানিক মতে এর বিশ্লেষণ করলে জানা যায় যে, ‘কিসপেপটিন’ নামে এক হরমোনের কারণেই মানুষের মনে যৌন চাহিদার উদ্রেক ঘটে।

বয়ঃসন্ধির সময় ও তার পরে, কিসপেপটিন হরমোন মানুষের মস্তিষ্কে যৌন আবেগের সৃষ্টি করে। কিন্তু, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই এই হরমোনের কার্যক্ষমতাও কমতে শুরু করে। এখানেই এগিয়ে এসেছেন লন্ডনের এক দল বৈজ্ঞানিক। তাদের মতে, কিসপেপটিনের একটি ডোজ-ই পুনরায় মস্তিষ্কে সঞ্চার করতে পারে যৌন আবেগ।

গবেষণায় ২৯ জন যুবকের উপর এই হরমোন প্রয়োগ করা হয়। পরে এমআরআই করে দেখা যায় যে, যৌনতা ও রোমান্টিকতার জন্য মস্তিষ্কের যে অংশ দায়ী, তা বেশ সক্রিয় হয়েছে এই হরমোনের কারণে।

যারা এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, তাদের একাংশ এও জানিয়েছেন যে এই হরমোন নেওয়ার পরে তাদের ‘মুড’ পরিবর্তনও হয়েছে। ফলে, বৈজ্ঞানিকরা মনে করছেন, কিসপেপটিন হরমোন অবসাদ কমাতেও কাজে লাগবে।

গবেষণায় যুক্ত বৈজ্ঞানিকদের মতে, এখনো বেশ কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পরই তারা এই কিসপেপটিন হরমোন বাজারে আনতে সক্ষম হবেন। তারা মোটামুটি এর নামও ঠিক করে ফেলেছেন- ‘মেন্টাল ভায়াগ্রা’।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আসছে ‘মেন্টাল ভায়াগ্রা’!

আপডেট সময় : ০২:০১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭

যৌবনে যৌন উন্মাদনা কেবলমাত্র প্রকৃতির নিয়মেই হয়। বৈজ্ঞানিক মতে এর বিশ্লেষণ করলে জানা যায় যে, ‘কিসপেপটিন’ নামে এক হরমোনের কারণেই মানুষের মনে যৌন চাহিদার উদ্রেক ঘটে।

বয়ঃসন্ধির সময় ও তার পরে, কিসপেপটিন হরমোন মানুষের মস্তিষ্কে যৌন আবেগের সৃষ্টি করে। কিন্তু, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই এই হরমোনের কার্যক্ষমতাও কমতে শুরু করে। এখানেই এগিয়ে এসেছেন লন্ডনের এক দল বৈজ্ঞানিক। তাদের মতে, কিসপেপটিনের একটি ডোজ-ই পুনরায় মস্তিষ্কে সঞ্চার করতে পারে যৌন আবেগ।

গবেষণায় ২৯ জন যুবকের উপর এই হরমোন প্রয়োগ করা হয়। পরে এমআরআই করে দেখা যায় যে, যৌনতা ও রোমান্টিকতার জন্য মস্তিষ্কের যে অংশ দায়ী, তা বেশ সক্রিয় হয়েছে এই হরমোনের কারণে।

যারা এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, তাদের একাংশ এও জানিয়েছেন যে এই হরমোন নেওয়ার পরে তাদের ‘মুড’ পরিবর্তনও হয়েছে। ফলে, বৈজ্ঞানিকরা মনে করছেন, কিসপেপটিন হরমোন অবসাদ কমাতেও কাজে লাগবে।

গবেষণায় যুক্ত বৈজ্ঞানিকদের মতে, এখনো বেশ কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পরই তারা এই কিসপেপটিন হরমোন বাজারে আনতে সক্ষম হবেন। তারা মোটামুটি এর নামও ঠিক করে ফেলেছেন- ‘মেন্টাল ভায়াগ্রা’।