ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাবে সরকার, জানালেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সেন্টমার্টিনের পথে কক্সবাজার থেকে যাত্রা করল পর্যটকবাহী ৩টি জাহাজ অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মাটিতে প্রথম ফাইফার, ইতিহাস গড়ে উচ্ছ্বসিত হাসান মাহমুদ রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বাড়ল কেজিতে ১৫ টাকা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ

এমপি রানাকে কেন জামিন নয় : হাইকোর্ট

  • আপডেট সময় : ০৮:২৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৭
  • / 282
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টাঙ্গাইল ৩ আসনে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আমানুর রহমান রানাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানেরহাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে এমপি রানার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার ও ড. বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সঙ্গে ছিলেন সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল আমিনুর রহমান চৌধুরী টিকু।

গত সোমবার তার জামিন আবেদনের শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন।

এর আগে ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর ও ১১ ডিসেম্বর হাইকোর্টের পৃথক দুটি বেঞ্চ রানার জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। তারও আগে গত বছর ৯ অক্টোবর বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এমপি রানার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন।

আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সদস্য ফারুক আহমেদকে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যার তিনদিন পর ফারুকের স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল মডেল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন।

সাংসদ রানা, তার তিন ভাই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহিদুর রহমান খান মুক্তি এবং ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাঁকনসহ মোট ১৪ জনকে আসামি করে ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশ এ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করে।

এ মামলায় আমানুর গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে জেলহাজতে পাঠান। বর্তমানে তিনি কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। ২৬ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়া রানার জামিন নাকচ করে দিলে তিনি হাইকোর্টে আসেন।

এদিকে ফারুক হত্যা মামলার আসামি সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা ও তার তিন ভাইকে সোমবার সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ।

২০১২ সালের ১৮ নভেম্বর উপনির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ নেতা রানা। পরে আওয়ামী ফের যোগ দেন তিনি। তবে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এমপি রানাকে কেন জামিন নয় : হাইকোর্ট

আপডেট সময় : ০৮:২৮:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৭

টাঙ্গাইল ৩ আসনে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আমানুর রহমান রানাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানেরহাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে এমপি রানার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার ও ড. বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সঙ্গে ছিলেন সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল আমিনুর রহমান চৌধুরী টিকু।

গত সোমবার তার জামিন আবেদনের শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন।

এর আগে ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর ও ১১ ডিসেম্বর হাইকোর্টের পৃথক দুটি বেঞ্চ রানার জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। তারও আগে গত বছর ৯ অক্টোবর বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এমপি রানার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন।

আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সদস্য ফারুক আহমেদকে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যার তিনদিন পর ফারুকের স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল মডেল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন।

সাংসদ রানা, তার তিন ভাই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা, টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহিদুর রহমান খান মুক্তি এবং ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাঁকনসহ মোট ১৪ জনকে আসামি করে ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশ এ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করে।

এ মামলায় আমানুর গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাকে জেলহাজতে পাঠান। বর্তমানে তিনি কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। ২৬ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়া রানার জামিন নাকচ করে দিলে তিনি হাইকোর্টে আসেন।

এদিকে ফারুক হত্যা মামলার আসামি সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা ও তার তিন ভাইকে সোমবার সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ।

২০১২ সালের ১৮ নভেম্বর উপনির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ নেতা রানা। পরে আওয়ামী ফের যোগ দেন তিনি। তবে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হন তিনি।