ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

২০১৬-১৭ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা

  • আপডেট সময় : ০৯:৫২:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৭
  • / 404
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২০১৬-১৭ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য বিনিয়োগ ও উৎপাদনসহায়ক সতর্ক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রবিবার রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর ফজলে কবির।

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতিতে জুন ২০১৭ পর্যন্ত বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। যা প্রথমার্ধের মুদ্রানীতিতে উল্লেখ করা ছিল। এছাড়াও অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধি অপরিবর্তিত রেখে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ।

সরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ দশমিক ১ শতাংশ, জিডিপি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য ৭ দশমিক ২ শতাংশ, অর্থবছর শেষে গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৮ শতাংশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

২০১৬-১৭ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৯:৫২:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৭

২০১৬-১৭ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য বিনিয়োগ ও উৎপাদনসহায়ক সতর্ক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রবিবার রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর ফজলে কবির।

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতিতে জুন ২০১৭ পর্যন্ত বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। যা প্রথমার্ধের মুদ্রানীতিতে উল্লেখ করা ছিল। এছাড়াও অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধি অপরিবর্তিত রেখে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ।

সরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ দশমিক ১ শতাংশ, জিডিপি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য ৭ দশমিক ২ শতাংশ, অর্থবছর শেষে গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৮ শতাংশ।