ঢাকা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

পিরোজপুরে এক খালে ভেঙেছে চার সেতু , দুর্ভোগে গ্রামবাসী

  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০
  • / 213
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আবুল খায়ের, জেলা প্রতিনিধি পিরোজপুর

পিরোজপুর সদর উপজেলার উমেদপুর খালের ৪টি লোহার সেতু ভেঙে যাওয়ায় ১৩ গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দাকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভাঙা সেতুর জায়গায় বাঁশ ও সুপারিগাছ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে পারাপার হচ্ছেন স্থানীয়লোকজন। কিন্তু সাঁকো দিয়ে কোনো যানবাহন চলাচল করতে না পারায় সেগুলোকে অনেক পথ ঘুরে গ্রামে পৌঁছাতে হচ্ছে।

জানা যায়, সদর উপজেলার বাদুরা দারুল উমুল খাদেমুল ইসলাম কওমি মাদ্রাসা, দক্ষিণ বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এ কে এম এ আউয়াল ফাউন্ডেশন, বাঁশবাড়িয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ি ও দক্ষিণ বাঁশবাড়িয়ায় উমেদপুর খালের শাখা আফাজ উদ্দিন খালের সেতু ভেঙে গেছে।

সম্প্রতি এসব এলাকায় সরেজমিন দেখা গেছে, সেতুর আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারা সাঁকো দিয়ে খাল পাড়ি দিয়ে হাটবাজার ও কর্মক্ষেত্রে যাচ্ছেন। স্থানীয় লোকজন জানান, এসব সেতু ভেঙে যাওয়ার কারণে বাদুরা, বাইনখালী, বাদোখালী, উত্তর গাজীপুর, দক্ষিণ গাজীপুর, হরিণা গাজীপুর, কালীকাঠিসহ অন্তত ১৩ গ্রামের মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালে উমেদপুর খালের শাখাখাল বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আফাজ উদ্দিন খালের ওপর ৭০ ফুট দৈর্ঘ্যের লোহার সেতু নির্মাণ করা হয়। ২০১৭ সালের জুলাই মাসে সেতুর উত্তর প্রান্তের একাংশ ভেঙে যায়। এরপর থেকে সেতুর ভেঙে যাওয়া অংশে বাঁশের সাঁকো তৈরি করেন স্থানীয়রা। ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে হঠাৎ করে দক্ষিণ বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এ কে এম এ আউয়াল ফাউন্ডেশন–সংলগ্ন লোহার সেতুর একাংশ ভেঙে পড়ে।

বাদুরা গ্রামের ব্যবসায়ী জাকির হোসেন জানান, দুই বছর আগে দারুল উমুল খাদেমুল ইসলাম কওমি মাদ্রাসাসংলগ্ন এলাকার সেতু ভেঙে যায়। পরে সেতুর পাশে সাঁকো তৈরি করে সাতটি গ্রামের মানুষ চলাচল করছেন। আর বাঁশবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান, হাওলাদার বাড়ির সামনের সেতুটি গত ১১ আগস্ট একটি ট্রলারের ধাক্কায় ভেঙে পড়ে। এরপর কিছুদিন স্থানীয় গ্রামবাসী দুটি ডিঙি নৌকায় খাল পাড়ি দিয়ে চলাচল করছেন। সম্প্রতি সেখানে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পিরোজপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী সুশান্ত রঞ্জন রায় বলেন, ভেঙে যাওয়া লোহার সেতুগুলো নতুন করে তৈরির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হচ্ছে। এরই মধ্যে আফাজ উদ্দিন খালের সেতুর দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। বাকিগুলো নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু হবে।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পিরোজপুরে এক খালে ভেঙেছে চার সেতু , দুর্ভোগে গ্রামবাসী

আপডেট সময় : ০৮:২৬:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০

আবুল খায়ের, জেলা প্রতিনিধি পিরোজপুর

পিরোজপুর সদর উপজেলার উমেদপুর খালের ৪টি লোহার সেতু ভেঙে যাওয়ায় ১৩ গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দাকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভাঙা সেতুর জায়গায় বাঁশ ও সুপারিগাছ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে পারাপার হচ্ছেন স্থানীয়লোকজন। কিন্তু সাঁকো দিয়ে কোনো যানবাহন চলাচল করতে না পারায় সেগুলোকে অনেক পথ ঘুরে গ্রামে পৌঁছাতে হচ্ছে।

জানা যায়, সদর উপজেলার বাদুরা দারুল উমুল খাদেমুল ইসলাম কওমি মাদ্রাসা, দক্ষিণ বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এ কে এম এ আউয়াল ফাউন্ডেশন, বাঁশবাড়িয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ি ও দক্ষিণ বাঁশবাড়িয়ায় উমেদপুর খালের শাখা আফাজ উদ্দিন খালের সেতু ভেঙে গেছে।

সম্প্রতি এসব এলাকায় সরেজমিন দেখা গেছে, সেতুর আশপাশের গ্রামের বাসিন্দারা সাঁকো দিয়ে খাল পাড়ি দিয়ে হাটবাজার ও কর্মক্ষেত্রে যাচ্ছেন। স্থানীয় লোকজন জানান, এসব সেতু ভেঙে যাওয়ার কারণে বাদুরা, বাইনখালী, বাদোখালী, উত্তর গাজীপুর, দক্ষিণ গাজীপুর, হরিণা গাজীপুর, কালীকাঠিসহ অন্তত ১৩ গ্রামের মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালে উমেদপুর খালের শাখাখাল বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আফাজ উদ্দিন খালের ওপর ৭০ ফুট দৈর্ঘ্যের লোহার সেতু নির্মাণ করা হয়। ২০১৭ সালের জুলাই মাসে সেতুর উত্তর প্রান্তের একাংশ ভেঙে যায়। এরপর থেকে সেতুর ভেঙে যাওয়া অংশে বাঁশের সাঁকো তৈরি করেন স্থানীয়রা। ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে হঠাৎ করে দক্ষিণ বাঁশবাড়িয়া গ্রামের এ কে এম এ আউয়াল ফাউন্ডেশন–সংলগ্ন লোহার সেতুর একাংশ ভেঙে পড়ে।

বাদুরা গ্রামের ব্যবসায়ী জাকির হোসেন জানান, দুই বছর আগে দারুল উমুল খাদেমুল ইসলাম কওমি মাদ্রাসাসংলগ্ন এলাকার সেতু ভেঙে যায়। পরে সেতুর পাশে সাঁকো তৈরি করে সাতটি গ্রামের মানুষ চলাচল করছেন। আর বাঁশবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান, হাওলাদার বাড়ির সামনের সেতুটি গত ১১ আগস্ট একটি ট্রলারের ধাক্কায় ভেঙে পড়ে। এরপর কিছুদিন স্থানীয় গ্রামবাসী দুটি ডিঙি নৌকায় খাল পাড়ি দিয়ে চলাচল করছেন। সম্প্রতি সেখানে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) পিরোজপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী সুশান্ত রঞ্জন রায় বলেন, ভেঙে যাওয়া লোহার সেতুগুলো নতুন করে তৈরির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হচ্ছে। এরই মধ্যে আফাজ উদ্দিন খালের সেতুর দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। বাকিগুলো নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু হবে।

বিডিসংবাদ/এএইচএস