ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

কবি শাহেদ রহমানের ৩ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

  • আপডেট সময় : ১২:১০:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৯
  • / 233
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ ডেস্ক

কাস্টমসের সাবেক কমিশনার শাহেদ রহমান সাহিত্যচর্চা করেন। সাধারণত কবিতা লেখেন। গতকাল সোমবার তাঁর তিনটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর কবিতা আবৃত্তি করেন কয়েক আবৃত্তি শিল্পী। জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কাব্যকলা নামের সংগঠন।

গতকাল সোমবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এই প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কবিদের সংগঠন ‘কাব্য কলা’।

অনুষ্ঠানে জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী এবং ভাষাবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান।

শাহেদ রহমানের যে তিন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। সেগুলো হলো- ‘আছে রোদ আছে জলের জ্যোৎস্না’, ‘রূপকথা ভালো নেই’ এবং ‘বৃষ্টির সিম্ফনি’। অনুষ্ঠানে অতিথিরা বইগুলোর মোড়ক উন্মোচন করেন।

অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান বলেন, কবিতার যে আবেগ, অনুভূতি তা উপলব্ধি করার যোগ্যতা আমার নেই। যার ফলে শাহেদ রহমানের কবিতা নিয়ে কিছু বলার অধিকার নেই। শুধু এটুকু বলবো, তিনি প্রাজ্ঞ মানুষ। তার জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও পাণ্ডিত্যকে শ্রদ্ধা করি।

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, শাহেদ রহমান কবিতার প্রতি সমর্পিত মানুষ। তার কবিতায় প্রেম, প্রকৃতি, স্বদেশসহ বিভিন্ন বিষয় চিত্রায়িত। সেখানে আছে দেশ ও মানুষের প্রতি দায়বোধ। বলা যায়, তার কবিতা চিত্ররূপময়।

কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, বাংলাদের অধিকাংশ মানুষ তাদের রক্তে কবিতা ধারণ করে। যেভাবে তারা হাওয়া-মাটি-জল নিজের ভেতর ধারণ করে, কবিতাকে তারা সেভাবে গ্রহণ করে। কবিতার মাধ্যমেই আমরা ‘জয় বাংলা’ ধারণ করেছি। জয় বাংলা বলেই আমরা এক হয়েছি। দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান, কবি নাসির আহমেদ ও সাংবাদিক আতাহার খান। অনুভূতি প্রকাশ করেন শাহেদ রহমান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে শাহেদ রহমানের কবিতা আবৃত্তি করেন অধ্যাপক রূপা চক্রবর্তী, ডালিয়া আহমেদ, ড. শাহদাৎ হোসেন নিপু, মাহিদুল ইসলাম মাহি, পারভেজ চৌধুরী, নাজমুল আহসানসহ অন্য আবৃত্তি শিল্পীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

কবি শাহেদ রহমানের ৩ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

আপডেট সময় : ১২:১০:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৯

বিডিসংবাদ ডেস্ক

কাস্টমসের সাবেক কমিশনার শাহেদ রহমান সাহিত্যচর্চা করেন। সাধারণত কবিতা লেখেন। গতকাল সোমবার তাঁর তিনটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর কবিতা আবৃত্তি করেন কয়েক আবৃত্তি শিল্পী। জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কাব্যকলা নামের সংগঠন।

গতকাল সোমবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এই প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কবিদের সংগঠন ‘কাব্য কলা’।

অনুষ্ঠানে জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী এবং ভাষাবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান।

শাহেদ রহমানের যে তিন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। সেগুলো হলো- ‘আছে রোদ আছে জলের জ্যোৎস্না’, ‘রূপকথা ভালো নেই’ এবং ‘বৃষ্টির সিম্ফনি’। অনুষ্ঠানে অতিথিরা বইগুলোর মোড়ক উন্মোচন করেন।

অনুষ্ঠানে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান বলেন, কবিতার যে আবেগ, অনুভূতি তা উপলব্ধি করার যোগ্যতা আমার নেই। যার ফলে শাহেদ রহমানের কবিতা নিয়ে কিছু বলার অধিকার নেই। শুধু এটুকু বলবো, তিনি প্রাজ্ঞ মানুষ। তার জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও পাণ্ডিত্যকে শ্রদ্ধা করি।

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, শাহেদ রহমান কবিতার প্রতি সমর্পিত মানুষ। তার কবিতায় প্রেম, প্রকৃতি, স্বদেশসহ বিভিন্ন বিষয় চিত্রায়িত। সেখানে আছে দেশ ও মানুষের প্রতি দায়বোধ। বলা যায়, তার কবিতা চিত্ররূপময়।

কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, বাংলাদের অধিকাংশ মানুষ তাদের রক্তে কবিতা ধারণ করে। যেভাবে তারা হাওয়া-মাটি-জল নিজের ভেতর ধারণ করে, কবিতাকে তারা সেভাবে গ্রহণ করে। কবিতার মাধ্যমেই আমরা ‘জয় বাংলা’ ধারণ করেছি। জয় বাংলা বলেই আমরা এক হয়েছি। দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান, কবি নাসির আহমেদ ও সাংবাদিক আতাহার খান। অনুভূতি প্রকাশ করেন শাহেদ রহমান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে শাহেদ রহমানের কবিতা আবৃত্তি করেন অধ্যাপক রূপা চক্রবর্তী, ডালিয়া আহমেদ, ড. শাহদাৎ হোসেন নিপু, মাহিদুল ইসলাম মাহি, পারভেজ চৌধুরী, নাজমুল আহসানসহ অন্য আবৃত্তি শিল্পীরা।