ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

উদীচীর আয়োজনে সহস্র কণ্ঠে জাতীয় সংগীত

  • আপডেট সময় : ০৭:১৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • / 239
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আনন্দমেলা প্রতিবেদক

সকাল হতেই জাতীয় প্রেসক্লাবের বিপরীতে মানুষ জড়ো হতে শুরু করে। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্যরা ছাড়াও এতে জড়ো হতে থাকে নানা সংগঠনসহ শ্রেণি-পেশার মানুষ, সঙ্গে ছোটরাও। তাদের কারও হাতে জাতীয় পতাকা, কারও মাথায় পতাকা বাঁধা। সবার কণ্ঠে প্রিয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।’ 

শুক্রবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীত নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে একযোগে জাতীয় সংগীত গাওয়ার কর্মসূচি পালন করে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। পাশাপাশি অংশ নেয় কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন। 

আজ শুক্রবার সকালে দেশজুড়ে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। ঢাকার কেন্দ্রীয় আয়োজনে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি অধ্যাপক বদিউর রহমানের নেতৃত্বে পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। সঞ্চালনা করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে। সাধারণ মানুষও শিল্পীদের সঙ্গে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মেলান। 

জাতীয় সংগীত ছাড়াও শিল্পীরা একে একে গেয়ে শোনান দেশাত্মবোধক গান ‘মাগো ভাবনা কেন’, ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’, ‘তীরহারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে’ গানগুলো। সবশেষে উদীচী সংগীত এবং আবারও জাতীয় সংগীত গেয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 

আয়োজনে উদীচীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, ‘আমরা স্বৈরশাসক হটিয়েছি ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছি। পাশাপাশি আমরা এটাও বলতে চাই, একাত্তরে যে অমীমাংসিত বিষয় ছিল, সেগুলোর মীমাংসা হয়েছে এবং পরাজিত শক্তিরা পরাজিত হয়েছে। কিন্তু তারা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আমরা সেটাকে প্রতিহত করতে চাই। আমাদের জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত মুক্তিযুদ্ধের কোনো কিছুই ধূলিসাৎ হতে দেব না।’ 

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, একটি ধর্মান্ধ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের মূল সুরকে বিকৃত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এরা মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনার বিরোধিতা করা থেকে শুরু করে জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকার ওপর আঘাত হানতে শুরু করেছে। এই হীন চক্রান্তের প্রতিবাদ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের রুখে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে দেশের সর্বত্র একযোগে ‘উন্মুক্ত স্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীত গাওয়া কর্মসূচি’র এই আয়োজন।

বিডিসংবাদ/আতে

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

উদীচীর আয়োজনে সহস্র কণ্ঠে জাতীয় সংগীত

আপডেট সময় : ০৭:১৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪

আনন্দমেলা প্রতিবেদক

সকাল হতেই জাতীয় প্রেসক্লাবের বিপরীতে মানুষ জড়ো হতে শুরু করে। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্যরা ছাড়াও এতে জড়ো হতে থাকে নানা সংগঠনসহ শ্রেণি-পেশার মানুষ, সঙ্গে ছোটরাও। তাদের কারও হাতে জাতীয় পতাকা, কারও মাথায় পতাকা বাঁধা। সবার কণ্ঠে প্রিয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।’ 

শুক্রবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীত নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে একযোগে জাতীয় সংগীত গাওয়ার কর্মসূচি পালন করে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। পাশাপাশি অংশ নেয় কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন। 

আজ শুক্রবার সকালে দেশজুড়ে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। ঢাকার কেন্দ্রীয় আয়োজনে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি অধ্যাপক বদিউর রহমানের নেতৃত্বে পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়। সঞ্চালনা করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে। সাধারণ মানুষও শিল্পীদের সঙ্গে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মেলান। 

জাতীয় সংগীত ছাড়াও শিল্পীরা একে একে গেয়ে শোনান দেশাত্মবোধক গান ‘মাগো ভাবনা কেন’, ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’, ‘তীরহারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব রে’ গানগুলো। সবশেষে উদীচী সংগীত এবং আবারও জাতীয় সংগীত গেয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 

আয়োজনে উদীচীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, ‘আমরা স্বৈরশাসক হটিয়েছি ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, নব্বইয়ের গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছি। পাশাপাশি আমরা এটাও বলতে চাই, একাত্তরে যে অমীমাংসিত বিষয় ছিল, সেগুলোর মীমাংসা হয়েছে এবং পরাজিত শক্তিরা পরাজিত হয়েছে। কিন্তু তারা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আমরা সেটাকে প্রতিহত করতে চাই। আমাদের জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত মুক্তিযুদ্ধের কোনো কিছুই ধূলিসাৎ হতে দেব না।’ 

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, একটি ধর্মান্ধ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের মূল সুরকে বিকৃত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এরা মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনার বিরোধিতা করা থেকে শুরু করে জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকার ওপর আঘাত হানতে শুরু করেছে। এই হীন চক্রান্তের প্রতিবাদ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের রুখে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে দেশের সর্বত্র একযোগে ‘উন্মুক্ত স্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীত গাওয়া কর্মসূচি’র এই আয়োজন।

বিডিসংবাদ/আতে