ঢাকা ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গৌরনদীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: প্রতিটি গাছের অভিভাবক এখন শিক্ষার্থীরা বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী, ব্যারেলপ্রতি ছাড়াল ১০৮ ডলার দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের হামলায় চাঁদপুরের মতলবের এক প্রবাসী যুবকের প্রাণহানি সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন: গুজব ও অপপ্রচারে ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান কারা মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোস্তফা কামাল যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে অসুস্থ মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস, গৃহবন্দিত্বের আবেদন আইনজীবীদের শরীয়তপুরে মাদক ও অনুমতিহীন কার্যক্রমের অভিযোগে ৫০ বছরের পুরোনো মেলা বন্ধ গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তির বিভেদ ফ্যাসিবাদীদের সুযোগ করে দিতে পারে: প্রধানমন্ত্রী মঈন খান ও সালাহউদ্দিন আহমদের দায়িত্ব বাড়াল সরকার ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের নতুন বার্তা: নির্বাচনের পরই মিলবে সমাধান

এক পরিবারের ছয় সন্তানেরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার গৌরবময় অর্জন

  • আপডেট সময় : ০৭:০৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 13
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের স্কুলশিক্ষক ছায়েদ উল্লাহর পরিবারের শিক্ষাসফলতা এখন অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর ছয় সন্তানই উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নিয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ছোট ছেলে আরফাত হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার মাধ্যমে এই অসামান্য মাইলফলক অর্জিত হয়েছে।

এই পরিবারের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল বড় ছেলে শামসুল আলম দিপুর হাত ধরে। তিনি ২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। পড়াশোনা শেষে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়ে বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পরিবারের অন্য সন্তানদের মধ্যে দ্বিতীয় ছেলে শাজাহান সিরাজ আল মামুন লোক প্রশাসন বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে কর্মসংস্থান ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। তৃতীয় সন্তান আশরাফুল ইসলাম শহীদ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া পরিবারের একমাত্র মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস ওমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগে অধ্যয়ন করেছেন।

প্রায় ৩০ বছর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করা ছায়েদ উল্লাহর এই পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। সন্তানদের পড়াশোনার ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে এক পর্যায়ে তাঁকে পারিবারিক সম্পত্তিও বিক্রি করতে হয়েছিল। সীমিত আয়ের সীমাবদ্ধতাকে জয় করে সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার এই প্রচেষ্টা প্রমাণ করে যে, বড় স্বপ্ন পূরণে অর্থের চেয়েও বেশি প্রয়োজন অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম এবং বাবা-মায়ের ত্যাগ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এক পরিবারের ছয় সন্তানেরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার গৌরবময় অর্জন

আপডেট সময় : ০৭:০৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের স্কুলশিক্ষক ছায়েদ উল্লাহর পরিবারের শিক্ষাসফলতা এখন অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর ছয় সন্তানই উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নিয়েছেন। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ছোট ছেলে আরফাত হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার মাধ্যমে এই অসামান্য মাইলফলক অর্জিত হয়েছে।

এই পরিবারের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল বড় ছেলে শামসুল আলম দিপুর হাত ধরে। তিনি ২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। পড়াশোনা শেষে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়ে বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পরিবারের অন্য সন্তানদের মধ্যে দ্বিতীয় ছেলে শাজাহান সিরাজ আল মামুন লোক প্রশাসন বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে কর্মসংস্থান ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। তৃতীয় সন্তান আশরাফুল ইসলাম শহীদ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া পরিবারের একমাত্র মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস ওমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগে অধ্যয়ন করেছেন।

প্রায় ৩০ বছর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করা ছায়েদ উল্লাহর এই পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। সন্তানদের পড়াশোনার ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে এক পর্যায়ে তাঁকে পারিবারিক সম্পত্তিও বিক্রি করতে হয়েছিল। সীমিত আয়ের সীমাবদ্ধতাকে জয় করে সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার এই প্রচেষ্টা প্রমাণ করে যে, বড় স্বপ্ন পূরণে অর্থের চেয়েও বেশি প্রয়োজন অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম এবং বাবা-মায়ের ত্যাগ।