ঢাকা ১১:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তিন মাসে দ্বিগুণ হলো এয়ার অ্যাস্ট্রার উড়োজাহাজ বহর নেতানিয়াহুকে সমর্থন নেই ট্রাম্পের, ইরান ইস্যুতে দিলেন কড়া বার্তা মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন: আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ভালো সাড়া মিষ্টির শূন্য আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন: ইসি বিএনপি জোটেরই থাকবে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসন: ইসি ক্যাশলেস লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার হবে সম্পূর্ণ ফ্রি শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে রূপপুর প্রকল্পের বাড়তি ইউরেনিয়াম জ্বালানি মেট্রো রেলের দুই লাইন নির্মাণে ৪৬ হাজার কোটি টাকা স্বৈরাচার শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

গৌরনদীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: প্রতিটি গাছের অভিভাবক এখন শিক্ষার্থীরা

  • আপডেট সময় : ১০:৪২:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 14
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকারের বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বরিশালের গৌরনদীতে ‘একজন শিক্ষার্থী, একটি বৃক্ষের অভিভাবক’ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সাথে সমন্বয় রেখে এই উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করা এবং তাদের বৃক্ষবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা। এই ব্যতিক্রমী কার্যক্রমটি স্থানীয় অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার তৃতীয় পর্যায়ে গৌরনদী উপজেলার ৩২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫ হাজার ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। বরিশাল জেলা প্রশাসনের সহায়তায় এই চারাগুলো সরবরাহ করা হয়। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫ হাজার শিক্ষার্থীর হাতে ১৫ হাজার চারা তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল গত ৬ আগস্ট। ওইদিন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ের উদ্বোধন করেন। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার গৌরনদী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫০০ শিক্ষার্থীর মাঝে চারা বিতরণ করেন। চারা বিতরণের সময় তিনি শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ গাছের সঠিক পরিচর্যা ও সংরক্ষণের বিষয়ে উৎসাহিত করেন।

শিক্ষার্থীদের হাতে চারা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি গাছের অভিভাবকত্বের দায়িত্বও তাদের ওপর অর্পণ করা হচ্ছে। এর ফলে প্রতিটি শিক্ষার্থী একটি গাছের বেড়ে ওঠার সাক্ষী ও রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ পৃথিবী নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

গৌরনদীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: প্রতিটি গাছের অভিভাবক এখন শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ১০:৪২:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকারের বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বরিশালের গৌরনদীতে ‘একজন শিক্ষার্থী, একটি বৃক্ষের অভিভাবক’ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সাথে সমন্বয় রেখে এই উদ্যোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করা এবং তাদের বৃক্ষবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা। এই ব্যতিক্রমী কার্যক্রমটি স্থানীয় অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার তৃতীয় পর্যায়ে গৌরনদী উপজেলার ৩২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫ হাজার ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। বরিশাল জেলা প্রশাসনের সহায়তায় এই চারাগুলো সরবরাহ করা হয়। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৫ হাজার শিক্ষার্থীর হাতে ১৫ হাজার চারা তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছিল গত ৬ আগস্ট। ওইদিন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ের উদ্বোধন করেন। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার গৌরনদী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫০০ শিক্ষার্থীর মাঝে চারা বিতরণ করেন। চারা বিতরণের সময় তিনি শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ গাছের সঠিক পরিচর্যা ও সংরক্ষণের বিষয়ে উৎসাহিত করেন।

শিক্ষার্থীদের হাতে চারা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি গাছের অভিভাবকত্বের দায়িত্বও তাদের ওপর অর্পণ করা হচ্ছে। এর ফলে প্রতিটি শিক্ষার্থী একটি গাছের বেড়ে ওঠার সাক্ষী ও রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ পৃথিবী নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।