ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ট্রাম্পের ইরান নীতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ওবামার তীব্র সমালোচনা টঙ্গীতে শিশু নিপীড়নের মামলায় মাদ্রাসা শিক্ষকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর বহরে নতুন এয়ারবাস এ৩২১এলআর যোগ করছে কাতার এয়ারওয়েজ নেতানিয়াহুসহ ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তুরস্কে মানবতাবিরোধী মামলার বিচার শুরু হাজারীবাগে কুরিয়ার সার্ভিসে ফের হামলা ও আগুন দেওয়ার চেষ্টা চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চারটি নতুন পাঠ্যবই অনুমোদন দিল এনসিসিসি খুলনার শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্পে অনিয়ম: ৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা সোমবার থেকে খুলছে স্কুল-মাদরাসা, কলেজে ক্লাস ১ নভেম্বর রিয়াদে ফ্লাইট চালুর পরই বিস্ফোরণ, আকাশজুড়ে নতুন আতঙ্ক ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কমনওয়েলথ বৈঠকে যোগ দেবেন হুমায়ুন কবির

গ্রেফতারের পর ফের কারাগারে ঝুমন দাস

  • আপডেট সময় : ০৬:০৭:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২
  • / 139
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ফের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে উস্কানিমূলক পোস্ট দেয়ার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আবারো কারাগারে পাঠানো হলো সুনামগঞ্জ-শাল্লার আলোচিত ঝুমন দাসকে।

বুধবার আদালতের রায়ে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তার আগে মঙ্গলবার সকালে উস্কানিমূলক পোস্ট দেয়ায় অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শাল্লা থানা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলে থাকা অবস্থায় জামিনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন ঝুমন দাস (২৬)। ছয় মাস কারাভোগের পর শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পান তিনি। কিন্তু জেল থেকে বের হয়েই আদালতের দেয়া শর্ত অমান্য করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে উস্কানিমূলক কয়েকটি স্ট্যাটাস দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে পড়ে। পরে মঙ্গলবার দিনভর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে শাল্লা থানার পুলিশ ঝুমন দাসের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরেকটি মামলা করে।

পুলিশ জানায়, ফেসবুকে একের পর এক উস্কানিমূলক পোস্ট করার কারণে নোয়াগাঁও গ্রামে গত কয়েকদিন ধরে আবারো উত্তেজনা দেখা দেয়। তিন দিন যাবত নোয়াগাঁও গ্রামের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়। মঙ্গলবার প্রথমে আটক করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সুফিয়ানের উপস্থিতিতে দিনভর ঝুমনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলে। রাতে থানা পুলিশ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার তাকে সুনামগঞ্জ আদালতে হাজির করা হয় ।

সুনামগঞ্জ কোর্টের পুলিশ পরিদর্শক বুরহান উদ্দিন জানান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার ঝুমনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন শাল্লা আদালতের বিচারক।

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

গ্রেফতারের পর ফের কারাগারে ঝুমন দাস

আপডেট সময় : ০৬:০৭:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ফের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে উস্কানিমূলক পোস্ট দেয়ার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আবারো কারাগারে পাঠানো হলো সুনামগঞ্জ-শাল্লার আলোচিত ঝুমন দাসকে।

বুধবার আদালতের রায়ে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তার আগে মঙ্গলবার সকালে উস্কানিমূলক পোস্ট দেয়ায় অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শাল্লা থানা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলে থাকা অবস্থায় জামিনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন ঝুমন দাস (২৬)। ছয় মাস কারাভোগের পর শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পান তিনি। কিন্তু জেল থেকে বের হয়েই আদালতের দেয়া শর্ত অমান্য করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে উস্কানিমূলক কয়েকটি স্ট্যাটাস দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে পড়ে। পরে মঙ্গলবার দিনভর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাতে শাল্লা থানার পুলিশ ঝুমন দাসের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরেকটি মামলা করে।

পুলিশ জানায়, ফেসবুকে একের পর এক উস্কানিমূলক পোস্ট করার কারণে নোয়াগাঁও গ্রামে গত কয়েকদিন ধরে আবারো উত্তেজনা দেখা দেয়। তিন দিন যাবত নোয়াগাঁও গ্রামের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ মোতায়েন করা হয়। মঙ্গলবার প্রথমে আটক করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সুফিয়ানের উপস্থিতিতে দিনভর ঝুমনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলে। রাতে থানা পুলিশ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার তাকে সুনামগঞ্জ আদালতে হাজির করা হয় ।

সুনামগঞ্জ কোর্টের পুলিশ পরিদর্শক বুরহান উদ্দিন জানান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার ঝুমনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন শাল্লা আদালতের বিচারক।

বিডিসংবাদ/এএইচএস