চকরিয়ায় বনবিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা
- আপডেট সময় : ০২:২৩:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
- / 356
কক্সবাজার প্রতিনিধি:
কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের নলবিলা বনবিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলে আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে নালিশী মামলা দায়ের করেছেন জন্নাতুল মোস্তাফা বেগম নামের এক গৃহবধূ । আদালত বাদির অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় বনবিট কর্মকর্তা মামুন মিয়াকে আসামি করা হয়। বাদি জন্নাতুল মোস্তাফা লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের রাঙ্গাঝিরি এলাকার আবুল কালামের স্ত্রী।
মামলার বাদি জন্নাতুল মোস্তাফা বেগম দাবি করেন, লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের রাঙ্গাঝিরি এলাকায় ৫৮ নম্বর জি-হোল্ডিংয়ের অধীনে সাড়ে ৪ একর তৃতীয় শ্রেনীর জায়গার মালিক হন তার স্বামী আবুল কালাম। ইতিমধ্যে ওই জায়গায় নানা প্রজাতির গাছ লাগিয়ে তার স্বামী একটি বাগান সৃজন করেছেন। বর্তমানে বাগানের গাছ গুলো কাটার উপযুক্ত হয়েছে। কিন্তু জায়গাটির অবস্থান কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের নলবিলা বনবিটের পাশে হওয়ায় বনবিট কর্মকর্তা মামুন মিয়া নানাভাবে ওই জায়গা তাদের (কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের) দাবি করে বাদির স্বামীকে সেখান থেকে উচেছদের চেষ্ঠা চালিয়ে আসছে। এরই জের ধরে অভিযুক্ত বনকর্মকর্তা জায়গাটি দাবি করবে না অজুহাত দেখিয়ে বাদির স্বামীর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা দাবি করেন বলে এজাহারে বলা হয়।
বাদি জন্নাতুল মোস্তাফা আরো দাবি করেন, সর্বশেষ গত ১৭ ফেব্রুয়ারী সকালে তিনি বাগান থেকে হেঁটে চকরিয়া সদরে বাজার করতে যাচ্ছিলেন। ওইসময় অভিযুক্ত বনবিট কর্মকর্তাসহ কয়েকজন তাঁর পথরোধ করে ফের টাকা দাবি করেন। অন্যথায় বাগানের ওই জায়গা থেকে তার স্বামীকে উচ্ছেদ করে দেবে বলে হুমকি দেন।
এব্যাপারে নলবিলা বনবিট কর্মকর্তা মামুন মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনাটি পরিকল্পিত এবং মিথ্যা বলে দাবী করেন।


























