চট্টগ্রামে বন্দর কর্মকর্তাদের ঘুষ দাবির মামলা তদন্তের নির্দেশ
- আপডেট সময় : ০৪:০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ এপ্রিল ২০১৭
- / 388
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বন্দরের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতা ও ঠিকাদার মোহাম্মদ ইলিয়াসের দায়ের করা মামলাটি গ্রহণ করেছেন আদালত। একইসঙ্গে আদালত মামলার আরজিতে আনা অভিযোগ তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) নির্দেশ দিয়েছেন।
রোববার (১৮ এপ্রিল) চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মো. শাহে নূর তিন মাস আগে দায়ের হওয়া মামলাটি গ্রহণের পর এই আদেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট মো.ফখরুদ্দিন চৌধুরী।
বাদির আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সাজ্জাদ বলেন, গত ২৯ জানুয়ারি আমরা আদালতে মামলার আরজি দাখিল করেছিলাম। আদালত মামলা আমলে নিয়ে কয়েকটি বিষয়ে তদন্তের আদেশ দিয়ে সেটি গ্রহণ কিংবা খারিজের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছিলেন। আজ (রোববার) শুনানি শেষে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে দুদককে তদন্তের জন্য দিয়েছেন।
সাজ্জাদ জানান, দুদক মহাপরিচালক মামলাটি তদন্তের জন্য কর্মকর্তা নির্ধারণ করবেন বলে আদালত আদেশে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তদন্তের সময়সীমা দুদক আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরের মেরিন ওয়ার্কশপের ডেপুটি ইঞ্জিনিয়ার এমদাদুল হকের কক্ষে ঢুকে তার উপর হামলার অভিযোগে মামলার আসামি হন আওয়ামী লীগ নেতা ইলিয়াস। এ ঘটনায় এমদাদুল হক বাদি হয়ে বন্দর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় গত ১৮ জানুয়ারি আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয় ইলিয়াসকে। এক সপ্তাহ পর জামিনে মুক্ত হন ইলিয়াস।
এরপর ২৯ জানুয়ারি মোহাম্মদ ইলিয়াস চট্টগ্রাম বন্দরের একজন তালিকাভুক্ত ঠিকাদার হিসেবে আদালতে তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির মামলা করেন। একটি কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য বন্দরের তিনজন কর্মকর্তা দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন বলে মামলার আরজিতে অভিযোগ করা হয়।
তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ১৬১, ১৬২ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে ৫ (২) ধারায় অভিযোগ অভিযোগ আনেন ইলিয়াস।
আদালত মামলা আমলে নিয়ে অভিযোগ দাখিলের আগে চট্টগ্রাম বন্দর থানায় বাদি মামলা দায়ের করতে গিয়েছিলেন কিনা এবং বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনকে অবহিত করা হয়েছিল কিনা তা জানানোর জন্য পুলিশ ও দুদককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।


























