ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কারাবন্দি ও পলাতক আসামিদের জন্য সাধারণ ক্ষমা আইন পাস করল লেবানন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে তদন্ত দাবি সিনেটরদের জাপানের দাবিকৃত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর পুতিনের সুদানের রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিন আধাসামরিক বাহিনীর ড্রোন হামলা সকলের মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন করা হবে: চিফ হুইপ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল, ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই: ইসি সচিব রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী

জালিয়াপাড়া-মহালছড়ি সড়কে অনিয়ম : মাটিযুক্ত বালুসহ নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার

  • আপডেট সময় : ১২:২২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০১৭
  • / 631
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: দীর্ঘ দিন ব্যবহার অনুপযোগি জরাজির্ণ অবস্থায় পড়ে থাকা জালিয়াপাড়া-মহালছড়ি সড়কে অবশেষে কাজ শুরু হয়েছে সম্প্রতি। তবে সাধারণ এলাকাবাসীর প্রত্যাশীত সেই সড়কের কাজে ভাল কাজের বদলে চলছে মাটিযুক্ত বালু দিয়ে নিম্ন মানের কাজ। অবৈধ ভাবে সিন্ধুকছড়ি সড়কের তৈর্কমা ৫ নাম্বার পোষ্ট এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ইজারা বিহীন ও জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়াই নদীর পাড় কেটে সাবাড় করে ফলছে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। এর সাথে যোগসাজেশের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারও।

স্থানীয় সূত্র জানায়, খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া হয়ে মহালছড়ি সড়কটি দীর্ঘ দিন অকেজো হয়ে পড়ে ছিল। এক পর্যায়ে সম্প্রতি একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এ সড়কের কাজ শুরু করে। রিপন নামের এক ঠিকাদার, স্থানীয় কেচিং ডাক্তার নামের এক ব্যক্তিসহ গুইমারা-জালিয়াপাড়াও ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতাকর্মীদের মাধ্যমে অবৈধ ভাবে খালের পাড় কেটে মাটিযুক্ত বালু সর্বরাহ করছে। মাটিকাটতে ব্যবহার হচ্ছে ভোল্ডোজার। আর সড়কে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্ন মানের কংকৃট। নিয়ম অনুসারে ব্যবহার করা হচ্ছে না নির্মাণ সামগ্রী। ফলে সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা পুরণের স্থলে অধিকার হরণ করা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় এলাকাবাসী।

অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন ও নদীর পাড় কাটার বিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী জেলা প্রশাসককে জানালে বিষয়টি ইউএনওকে ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব দেয়। সম্প্রতি পুলিশ অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেয়। কয়েকদিন ধরে মানিকছড়ি ও রামগড় থেকে অবৈধ বালু জালিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ীর সামনে দিয়ে পুলিশের নাকের ডগার উপর দিয়ে নিয়ে গেলেও রহস্যজনক কারণে দেখছে না জালিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি খোরশেদ আলম। স্থানীয়দের অভিযোগ প্রশাসন এখন অবৈধ ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছে। তাই এখন সবই বৈধ।

গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জোবাইরুল হক সোমবার সকলে জানান, বন্ধ করে দেওয়া বালু উত্তোনের কাজ আবারো শুরু করেছে বলে শুনেছি। ইউএনও নির্দেশে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া নেওয়া হবে বলে জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

জালিয়াপাড়া-মহালছড়ি সড়কে অনিয়ম : মাটিযুক্ত বালুসহ নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার

আপডেট সময় : ১২:২২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০১৭

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: দীর্ঘ দিন ব্যবহার অনুপযোগি জরাজির্ণ অবস্থায় পড়ে থাকা জালিয়াপাড়া-মহালছড়ি সড়কে অবশেষে কাজ শুরু হয়েছে সম্প্রতি। তবে সাধারণ এলাকাবাসীর প্রত্যাশীত সেই সড়কের কাজে ভাল কাজের বদলে চলছে মাটিযুক্ত বালু দিয়ে নিম্ন মানের কাজ। অবৈধ ভাবে সিন্ধুকছড়ি সড়কের তৈর্কমা ৫ নাম্বার পোষ্ট এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ইজারা বিহীন ও জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়াই নদীর পাড় কেটে সাবাড় করে ফলছে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। এর সাথে যোগসাজেশের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারও।

স্থানীয় সূত্র জানায়, খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া হয়ে মহালছড়ি সড়কটি দীর্ঘ দিন অকেজো হয়ে পড়ে ছিল। এক পর্যায়ে সম্প্রতি একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এ সড়কের কাজ শুরু করে। রিপন নামের এক ঠিকাদার, স্থানীয় কেচিং ডাক্তার নামের এক ব্যক্তিসহ গুইমারা-জালিয়াপাড়াও ক্ষমতাসীন দলের কিছু নেতাকর্মীদের মাধ্যমে অবৈধ ভাবে খালের পাড় কেটে মাটিযুক্ত বালু সর্বরাহ করছে। মাটিকাটতে ব্যবহার হচ্ছে ভোল্ডোজার। আর সড়কে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্ন মানের কংকৃট। নিয়ম অনুসারে ব্যবহার করা হচ্ছে না নির্মাণ সামগ্রী। ফলে সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা পুরণের স্থলে অধিকার হরণ করা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় এলাকাবাসী।

অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন ও নদীর পাড় কাটার বিষয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী জেলা প্রশাসককে জানালে বিষয়টি ইউএনওকে ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব দেয়। সম্প্রতি পুলিশ অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেয়। কয়েকদিন ধরে মানিকছড়ি ও রামগড় থেকে অবৈধ বালু জালিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ীর সামনে দিয়ে পুলিশের নাকের ডগার উপর দিয়ে নিয়ে গেলেও রহস্যজনক কারণে দেখছে না জালিয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি খোরশেদ আলম। স্থানীয়দের অভিযোগ প্রশাসন এখন অবৈধ ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছে। তাই এখন সবই বৈধ।

গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জোবাইরুল হক সোমবার সকলে জানান, বন্ধ করে দেওয়া বালু উত্তোনের কাজ আবারো শুরু করেছে বলে শুনেছি। ইউএনও নির্দেশে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া নেওয়া হবে বলে জানান।