ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাবে সরকার, জানালেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সেন্টমার্টিনের পথে কক্সবাজার থেকে যাত্রা করল পর্যটকবাহী ৩টি জাহাজ অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মরিশাসে কাচের বাক্স চাপায় তিন বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মাটিতে প্রথম ফাইফার, ইতিহাস গড়ে উচ্ছ্বসিত হাসান মাহমুদ রমজানের আগেই রাজধানীর বাজারে ছোলার দাম বাড়ল কেজিতে ১৫ টাকা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোচ থমাস ডুলি ভূমিধস জয়ের পর ডেমোক্রেটদের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর বড় চ্যালেঞ্জ ভার্জিনিয়ায় স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় আদালতে মুখ খুললেন অভিযোগে জড়িত ব্যক্তি নরেশ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ও বাজেট বরাদ্দ

তরুণদের আঁকা গ্রাফিতি দেখার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪
  • / 134
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকায় ‘বে অব বেঙ্গল’ সংলাপে অংশ নেয়া বিদেশি অতিথিদের বাংলাদেশের তরুণ বিপ্লবীদের আবেগ ও আকাঙ্ক্ষার প্রতীক গ্রাফিতি ও চিত্রকর্মগুলো ঘুরে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে তিন দিনব্যাপী ‘বে অব বেঙ্গল’ সংলাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বিদেশি অতিথিদের প্রতি আমার আহ্বান: ঢাকার রাস্তায় হাঁটার সময় রাস্তার দেয়ালে আঁকা বর্ণিল চিত্রকর্মগুলো দেখার ঐতিহাসিক সুযোগ আপনারা মিস করবেন না। এই চিত্রকর্মগুলো তরুণদের আবেগ ও আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ, যা হত্যাযজ্ঞের সময় আঁকা হয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘এগুলো দেখলে যে কেউ বিস্মিত হবেন, কী গভীর শক্তিশালী চিত্রকর্ম হত্যার সময় তরুণরা তুলে ধরেছে।’

অতিথিদের প্রতি উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে আপনাদের সঙ্গে থাকতে পারা সত্যিই আনন্দের। এই শহরটি মাত্র ১০০ দিন আগে এক অনন্য রাজনৈতিক উত্থানের সাক্ষী হয়েছে।’

২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস স্মরণ করিয়ে দেন, এটি ছিল একটি ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিপ্লব, যা গত ১৬ বছর ধরে দেশ শাসনকারী এক ফ্যাসিবাদী শাসকের পতন ঘটিয়েছে। তিনি বিদেশি অতিথিদের ‘নতুন বাংলাদেশ’-এ স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি পুরাতন বাংলাদেশের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এক বাংলাদেশ।

তিনি জানান, ১০০ দিন আগে প্রায় ১,৫০০ ছাত্র, শ্রমিক ও অন্যান্য বিক্ষোভকারী স্বৈরশাসকের হাতে নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছিলেন প্রায় বিশ হাজার।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই বৈশ্বিক সংলাপের মাধ্যমে, আসুন আমরা সেই মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই, যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, যারা তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, চোখ এবং অন্যান্য শারীরিক সক্ষমতা হারিয়েছেন, এবং যারা এখনও জীবন নিয়ে লড়াই করছেন।’

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

তরুণদের আঁকা গ্রাফিতি দেখার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

আপডেট সময় : ০৪:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকায় ‘বে অব বেঙ্গল’ সংলাপে অংশ নেয়া বিদেশি অতিথিদের বাংলাদেশের তরুণ বিপ্লবীদের আবেগ ও আকাঙ্ক্ষার প্রতীক গ্রাফিতি ও চিত্রকর্মগুলো ঘুরে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে তিন দিনব্যাপী ‘বে অব বেঙ্গল’ সংলাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বিদেশি অতিথিদের প্রতি আমার আহ্বান: ঢাকার রাস্তায় হাঁটার সময় রাস্তার দেয়ালে আঁকা বর্ণিল চিত্রকর্মগুলো দেখার ঐতিহাসিক সুযোগ আপনারা মিস করবেন না। এই চিত্রকর্মগুলো তরুণদের আবেগ ও আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ, যা হত্যাযজ্ঞের সময় আঁকা হয়েছিল।’

তিনি আরো বলেন, ‘এগুলো দেখলে যে কেউ বিস্মিত হবেন, কী গভীর শক্তিশালী চিত্রকর্ম হত্যার সময় তরুণরা তুলে ধরেছে।’

অতিথিদের প্রতি উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে আপনাদের সঙ্গে থাকতে পারা সত্যিই আনন্দের। এই শহরটি মাত্র ১০০ দিন আগে এক অনন্য রাজনৈতিক উত্থানের সাক্ষী হয়েছে।’

২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস স্মরণ করিয়ে দেন, এটি ছিল একটি ছাত্র-নেতৃত্বাধীন বিপ্লব, যা গত ১৬ বছর ধরে দেশ শাসনকারী এক ফ্যাসিবাদী শাসকের পতন ঘটিয়েছে। তিনি বিদেশি অতিথিদের ‘নতুন বাংলাদেশ’-এ স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি পুরাতন বাংলাদেশের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা এক বাংলাদেশ।

তিনি জানান, ১০০ দিন আগে প্রায় ১,৫০০ ছাত্র, শ্রমিক ও অন্যান্য বিক্ষোভকারী স্বৈরশাসকের হাতে নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছিলেন প্রায় বিশ হাজার।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই বৈশ্বিক সংলাপের মাধ্যমে, আসুন আমরা সেই মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই, যারা তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, যারা তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, চোখ এবং অন্যান্য শারীরিক সক্ষমতা হারিয়েছেন, এবং যারা এখনও জীবন নিয়ে লড়াই করছেন।’

বিডিসংবাদ/এএইচএস