ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে ঝরল চার প্রাণ আইআইটি মুম্বাইয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু: পরিবারের অভিযোগ ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য মানিকগঞ্জে প্রবাসীসহ তিনজনের মৃত্যু: তদন্তে পুলিশ নিখোঁজ কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্তে নেমেছে পুলিশ মিছিলের প্রস্তুতির সময় কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা ১৭ বছরে প্রভাব খাটিয়ে অযোগ্যদের পাস করানো হয়েছে: রিজভী জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো তিতাস-২৮ নম্বর কূপের গ্যাস জ্বালানি সংকটে ইউরোপ: বাড়ছে মূল্যস্ফীতি ও সরবরাহের উদ্বেগ সৌদি আরবের সুরক্ষায় শর্তহীন প্রতিশ্রুতি পাকিস্তানের পাকিস্তানের পুলিশ কম্পাউন্ডে আত্মঘাতী হামলায় নিহত বেড়ে ৩১

ধামরাইয়ে সিএনজি-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩

  • আপডেট সময় : ১২:০২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 4
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার ধামরাইয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ মোট তিনজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার আমতা ইউনিয়নের পশ্চিম নান্দেশ্বরী বটতলা এলাকায় এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন যাত্রী। নিহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে; তারা হলেন সিএনজিচালক জুয়েল (৪০), যাত্রী আঁখি আক্তার (৩০) এবং তার ১২ বছর বয়সী ভাগনে জাকারিয়া। তাদের সবার বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। নিহত জাকারিয়া আঁখির বড় বোনের ছেলে ছিলেন।

দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন আঁখির স্বামী সেলিম আহমেদ (৩৫), তার বাবা আবুল হোসেন (৬৫), লাকী আক্তার (৩২) এবং লাকী আক্তারের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে সাদিয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা আড়াইটার দিকে আরসিবি ব্রিকসের পাশে পাকা সড়কে কালামপুরগামী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটির সঙ্গে সাটুরিয়াগামী একটি অজ্ঞাত পিকআপের সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে গেলে স্থানীয়রা ও পুলিশ দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে আহতদের হাসপাতালে পাঠান।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. রোকনুজ্জামান জানান, দুপুর ২টার পর আহতদের আনা হলে দেখা যায় তাদের অনেকেরই প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিএনজিচালক জুয়েল ও জাকারিয়া মারা যান। আঁখি আক্তারের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, তবে পথেই তার মৃত্যু হয়। নিহত আঁখির স্বামী সেলিম জানান, বিয়ের পাঁচ বছর পর সন্তানের আশায় তারা মৈনট পীরের মাজারে মানত করতে যাচ্ছিলেন। পথের এই দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী ও ভাগনে প্রাণ হারালেন।

ধামরাই থানার কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন জানিয়েছেন, আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অন্য দুজনকে চিকিৎসা দেওয়া হলেও প্রায় ১০ মিনিট পর তাদের মৃত্যু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ধামরাইয়ে সিএনজি-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩

আপডেট সময় : ১২:০২:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার ধামরাইয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ মোট তিনজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার আমতা ইউনিয়নের পশ্চিম নান্দেশ্বরী বটতলা এলাকায় এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন যাত্রী। নিহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে; তারা হলেন সিএনজিচালক জুয়েল (৪০), যাত্রী আঁখি আক্তার (৩০) এবং তার ১২ বছর বয়সী ভাগনে জাকারিয়া। তাদের সবার বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। নিহত জাকারিয়া আঁখির বড় বোনের ছেলে ছিলেন।

দুর্ঘটনায় আহত চারজনকে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন আঁখির স্বামী সেলিম আহমেদ (৩৫), তার বাবা আবুল হোসেন (৬৫), লাকী আক্তার (৩২) এবং লাকী আক্তারের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে সাদিয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলা আড়াইটার দিকে আরসিবি ব্রিকসের পাশে পাকা সড়কে কালামপুরগামী সিএনজিচালিত অটোরিকশাটির সঙ্গে সাটুরিয়াগামী একটি অজ্ঞাত পিকআপের সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে গেলে স্থানীয়রা ও পুলিশ দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে আহতদের হাসপাতালে পাঠান।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. রোকনুজ্জামান জানান, দুপুর ২টার পর আহতদের আনা হলে দেখা যায় তাদের অনেকেরই প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিএনজিচালক জুয়েল ও জাকারিয়া মারা যান। আঁখি আক্তারের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, তবে পথেই তার মৃত্যু হয়। নিহত আঁখির স্বামী সেলিম জানান, বিয়ের পাঁচ বছর পর সন্তানের আশায় তারা মৈনট পীরের মাজারে মানত করতে যাচ্ছিলেন। পথের এই দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী ও ভাগনে প্রাণ হারালেন।

ধামরাই থানার কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন জানিয়েছেন, আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অন্য দুজনকে চিকিৎসা দেওয়া হলেও প্রায় ১০ মিনিট পর তাদের মৃত্যু হয়।