আসেফ বারী গভর্নর, শাহ নেওয়াজ ভাইস গভর্নর
নিউইয়র্কে লায়ন্স ডিস্ট্রিক্ট নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কৃতিত্ব, নেতৃত্বে আসেফ-শাহ
- আপডেট সময় : ০১:০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
- / 374
মোঃ জহিরুল হক বশির, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
নিউইয়র্কের লায়ন্স ডিস্ট্রিক্ট ২০-আর ৩ নির্বাচনে বাংলাদেশি কমিউনিটির গর্ব, বিশিষ্ট সমাজসেবী আসেফ বারী টুটুল গভর্নর এবং বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য, সাপ্তাহিক আজকাল সম্পাদক লায়ন শাহ নেওয়াজ দ্বিতীয় ভাইস গভর্নর পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।

গত ১৮ মে রোববার, নায়াগ্রা ফলস কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী লায়ন্স কনভেনশনের চূড়ান্ত দিনে এ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ফলাফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশি লায়ন্স সদস্যদের মাঝে উচ্ছ্বাসের জোয়ার বয়ে যায়। করতালি আর ফুলেল শুভেচ্ছায় মুখর ছিল পুরো কনভেনশন সেন্টার। বিজয়ীদের অভিনন্দনে মঞ্চে উঠেন আসেফ বারীর সহধর্মিণী মুনমুন হাসিনা বারী এবং শাহ নেওয়াজের স্ত্রী রানো নেওয়াজ।

উল্লেখযোগ্যভাবে, পুরো অনুষ্ঠান পরিণত হয়েছিল এক বাংলাদেশি মিলনমেলায়। লায়ন্স ডিস্ট্রিক্ট ২০-আর ৩-এর আওতাধীন ৪৮টি ক্লাবের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই কনভেনশনে নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের প্রায় ৪০ জন সদস্য অংশ নেন।

বিশেষ করে, শাহ নেওয়াজের নির্বাচনী প্রচারণা ছিল ব্যতিক্রমী ও নজরকাড়া। কনভেনশন সেন্টার ও শেরাটন হোটেলের বিভিন্ন স্থানে তার বিশালাকৃতির ব্যানার ও পোস্টারে ছেয়ে গিয়েছিল পুরো এলাকা। অনেকের মতে, তার প্রচারণার কৌশল ও নেতৃত্বগুণই এবারের নির্বাচনে তাকে জয় এনে দিয়েছে। হোটেলের প্রবেশদ্বারে শাহ নেওয়াজের তিনটি বিশাল প্রতিকৃতি অতিথিদের নজর কাড়ে, যেন জীবন্ত তিনি সেখানে উপস্থিত।

আসেফ বারী টুটুল এবং শাহ নেওয়াজ এই দুই বাংলাদেশি প্রবাসীর জয় শুধু তাদের ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং পুরো কমিউনিটির জন্য এক অনন্য সম্মান ও গৌরবের বিষয়। লায়ন্স আন্তর্জাতিকের মত একটি বড় সংগঠনে বাংলাদেশি নেতৃত্বের এই শক্ত অবস্থান কমিউনিটির অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে বলে মত দিয়েছেন অনেকেই।
এদিকে আগামী ২৭ মে নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নায়াগ্রা ফলসেই নির্বাচনী প্রচারণা জমে উঠেছে। ডিস্ট্রিক্ট সম্মেলনে এসে প্রার্থীরা ভোট যুদ্ধে নেমে পড়েছেন। সম্মেলনে আগত প্রায় অর্ধ শতাধিক বাংলাদেশি লায়ন সদস্যদের কাছে তারা যাচ্ছেন। কুশল বিনিময় করছেন। প্রার্থীরা সাধারন সদস্যদের সেবা দিতে ও আর্শীবাদ পেতে মরিয়া। চা কফি খাওয়ানো সহ সার্বক্ষনিক সঙ্গ দিচ্ছেন । নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে সাধারন সদস্যদের গুরুত্ব যে বাড়ে তা আবার প্রমানিত হতে যাচ্ছে। ২৭ মে লায়ন্সের নির্বাচনে সভাপতি পদে লড়ছেন জেএফএম রাসেল ও এসএম আলম। সাধারন সম্পাদক পদে প্রার্থী রয়েছেন মশিউর মজুমদার ও আহমেদ সোহেল। ভোটাররা বলছেন, এবারের নির্বাচনে হাড্ডাহাডি লড়াই হে্ব। ফাস্টর্ ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হয়েছেন এম এ রশীদ ও হাসান জিলানী। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হলেন এটর্নি মঈন চৌধুরী। কমিশনের সদস্যরা হলেন মতিউর রহমান, আমেনা নেওয়াজ, আব্দুর রহিম হাওলাদার ও রেজা রশীদ।


























