ঢাকা ১১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিত করে টেকসই অর্থনীতির রূপকল্পে বুয়েটে উৎসব জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারকসহ একাধিক চুক্তিতে সই বাংলাদেশের পাবনায় ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন কৃষি কর্মকর্তা ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় দুই হাজার ভিয়েতনামের লং থান বিমানবন্দরে সপ্তাহে ৩৬৬ ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা লক্ষ্মীপুরে মাটি ব্যবসায়ীকে মৃত্যুর ঘটনায়, চাঞ্চল্য বাংলাদেশের পাঁচ খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে মশার কয়েল থেকে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব বৃদ্ধ গুটু শেখ রংপুরে বাসের ধাক্কায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাক, নিহত ৪

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিত করে টেকসই অর্থনীতির রূপকল্পে বুয়েটে উৎসব

  • আপডেট সময় : ১১:০৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 2
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নবায়নযোগ্য জ্বালানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অবকাঠামো উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। বুধবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্ট ২০২৬’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘একটি ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সবুজ জ্বালানি রূপান্তর’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই উৎসবটি দেশে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো। এসব অনুষ্ঠানে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে আগত বিশেষজ্ঞরা নিজ দেশের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার পাশাপাশি এসব অভিজ্ঞতা থেকে কীভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ বিকশিত হতে পারে সেসব বিষয় তুলে ধরা হয়।

উৎসবের আয়োজক হিসেবে ছিল একশনএইড বাংলাদেশ, বুয়েট, জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (জেটনেট-বিডি) এবং বুয়েটের ইনস্টিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (আইইএসডি)। এছাড়া সহ-আয়োজক হিসেবে সহায়তা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার রিসার্চ কাউন্সিল (বিইপিআরসি), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) ও বাংলাদেশ সোলার অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন।

অনুষ্ঠান থেকে ১২-দফার একটি বিস্তারিত ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়। এতে আলাদা নবায়নযোগ্য জ্বালানি আইন প্রণয়ন, সৌরশক্তির ব্যাপক ব্যবহার, জাতীয় গ্রিড আধুনিকায়ন ও গ্রিন ফাইন্যান্স সংগ্রহের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক ন্যায্যতা ও জবাবদিহিতাকে এখানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ঘোষণাপত্রে নারী, আদিবাসী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি তোলা হয়েছে। এছাড়া জলবায়ু অর্থায়নের স্বচ্ছতা, শ্রমিকদের সুরক্ষা কাঠামো এবং বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বান জানানো হয়েছে। এবারের উৎসব থেকে ১২-দফা ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়।

উৎসবের শেষ দিনে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হয়। তরুণদের নেতৃত্বে ‘ফ্রম কমিউটমেন্ট টু কমিউনিটি: অ্যাডভান্সিং এ জাস্ট এনার্জি ট্রান্সজিশন থ্রু বাংলাদেশ এনডিসি ৩.০’ শিরোনামে একটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে আলোচকরা বায়ুদূষণ রোধে সৌরচালিত সেচব্যবস্থা ও আইওটি প্রযুক্তির মতো উদ্ভাবনী সমাধান ব্যবহারের ওপর জোর দেন। আগামী ১২ মাসে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোক্তা তৈরির রোডম্যাপ প্রণয়ন জরুরি বলে তারা উল্লেখ করেন। একইসাথে, দেশিয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মূল শিল্পখাতগুলোয় কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অর্থায়ন ও বিনিয়োগ’ বিষয়ক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি তানজিনা দিলশাদ, গ্রিনার গার্মেন্টস ইনিশিয়াটিভের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরে আলম এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক একেএম নুরুননবী। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন খান। বক্তারা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব এবং নীতি নির্ধারণে বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর আলোকপাত করেন। শায়লা শবনম রিচির সঞ্চালনায় এই প্যানেল আলোচনায় বক্তারা বলেন, বায়ুদূষণ ও ধুলাবালি কমাতে কার্যকর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।

সমাপনী দিনে ‘রিনিউয়েবল এনার্জি ইনোভেশন, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার’সহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর একাধিক সংলাপ ও প্লেনারি সেশন আয়োজিত হয়। এছাড়া কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের পরিবেশনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের চিত্র তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে সেরা উদ্ভাবক ও তরুণ নেতৃত্বকে পুরস্কৃত করা হয়। এর মধ্যে প্রথম পুরস্কার পায় ফেলাইট প্রকল্প, দ্বিতীয় কার্বন ক্রেডিট বিডি এবং তৃতীয় হয় আইইউবি ফর্মুলা-ই প্রকল্প। এছাড়া সেরা পোস্টারের জন্য আইইউবি, বুয়েট ও ইস্টওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এদিকে সমাপনী দিনের অনুষ্ঠানে সকাল থেকেই দর্শনার্থীরা উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। প্রযুক্তি মেলায় কর্পোরেট খাতের প্রতিষ্ঠিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি পণ্য ও সেবা তুলে ধরা হয়।

উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারপারসন জাহরাত আদিব চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন একশনএইড ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ সোসাইটির বোর্ড চেয়ার ইব্রাহিম খলিল আল জায়াদ। অনুষ্ঠানে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বুয়েটের অধ্যাপক এমএএ শওকত চৌধুরী ও জেটনেট-বিডি সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ। সমাপনী বক্তব্য রাখেন একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির। উপস্থিত ছিলেন বিআইআইএসএস-এর প্রতিনিধিগণসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিত করে টেকসই অর্থনীতির রূপকল্পে বুয়েটে উৎসব

আপডেট সময় : ১১:০৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

নবায়নযোগ্য জ্বালানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অবকাঠামো উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। বুধবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্ট ২০২৬’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘একটি ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সবুজ জ্বালানি রূপান্তর’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই উৎসবটি দেশে দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হলো। এসব অনুষ্ঠানে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে আগত বিশেষজ্ঞরা নিজ দেশের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার পাশাপাশি এসব অভিজ্ঞতা থেকে কীভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ বিকশিত হতে পারে সেসব বিষয় তুলে ধরা হয়।

উৎসবের আয়োজক হিসেবে ছিল একশনএইড বাংলাদেশ, বুয়েট, জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (জেটনেট-বিডি) এবং বুয়েটের ইনস্টিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (আইইএসডি)। এছাড়া সহ-আয়োজক হিসেবে সহায়তা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার রিসার্চ কাউন্সিল (বিইপিআরসি), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) ও বাংলাদেশ সোলার অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন।

অনুষ্ঠান থেকে ১২-দফার একটি বিস্তারিত ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়। এতে আলাদা নবায়নযোগ্য জ্বালানি আইন প্রণয়ন, সৌরশক্তির ব্যাপক ব্যবহার, জাতীয় গ্রিড আধুনিকায়ন ও গ্রিন ফাইন্যান্স সংগ্রহের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক ন্যায্যতা ও জবাবদিহিতাকে এখানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ঘোষণাপত্রে নারী, আদিবাসী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি তোলা হয়েছে। এছাড়া জলবায়ু অর্থায়নের স্বচ্ছতা, শ্রমিকদের সুরক্ষা কাঠামো এবং বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রযুক্তি হস্তান্তরের আহ্বান জানানো হয়েছে। এবারের উৎসব থেকে ১২-দফা ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়।

উৎসবের শেষ দিনে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হয়। তরুণদের নেতৃত্বে ‘ফ্রম কমিউটমেন্ট টু কমিউনিটি: অ্যাডভান্সিং এ জাস্ট এনার্জি ট্রান্সজিশন থ্রু বাংলাদেশ এনডিসি ৩.০’ শিরোনামে একটি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে আলোচকরা বায়ুদূষণ রোধে সৌরচালিত সেচব্যবস্থা ও আইওটি প্রযুক্তির মতো উদ্ভাবনী সমাধান ব্যবহারের ওপর জোর দেন। আগামী ১২ মাসে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোক্তা তৈরির রোডম্যাপ প্রণয়ন জরুরি বলে তারা উল্লেখ করেন। একইসাথে, দেশিয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মূল শিল্পখাতগুলোয় কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অর্থায়ন ও বিনিয়োগ’ বিষয়ক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি তানজিনা দিলশাদ, গ্রিনার গার্মেন্টস ইনিশিয়াটিভের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরে আলম এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক একেএম নুরুননবী। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন খান। বক্তারা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব এবং নীতি নির্ধারণে বিশেষজ্ঞদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর আলোকপাত করেন। শায়লা শবনম রিচির সঞ্চালনায় এই প্যানেল আলোচনায় বক্তারা বলেন, বায়ুদূষণ ও ধুলাবালি কমাতে কার্যকর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।

সমাপনী দিনে ‘রিনিউয়েবল এনার্জি ইনোভেশন, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার’সহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর একাধিক সংলাপ ও প্লেনারি সেশন আয়োজিত হয়। এছাড়া কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের পরিবেশনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের চিত্র তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে সেরা উদ্ভাবক ও তরুণ নেতৃত্বকে পুরস্কৃত করা হয়। এর মধ্যে প্রথম পুরস্কার পায় ফেলাইট প্রকল্প, দ্বিতীয় কার্বন ক্রেডিট বিডি এবং তৃতীয় হয় আইইউবি ফর্মুলা-ই প্রকল্প। এছাড়া সেরা পোস্টারের জন্য আইইউবি, বুয়েট ও ইস্টওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এদিকে সমাপনী দিনের অনুষ্ঠানে সকাল থেকেই দর্শনার্থীরা উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। প্রযুক্তি মেলায় কর্পোরেট খাতের প্রতিষ্ঠিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি পণ্য ও সেবা তুলে ধরা হয়।

উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারপারসন জাহরাত আদিব চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন একশনএইড ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ সোসাইটির বোর্ড চেয়ার ইব্রাহিম খলিল আল জায়াদ। অনুষ্ঠানে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বুয়েটের অধ্যাপক এমএএ শওকত চৌধুরী ও জেটনেট-বিডি সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ। সমাপনী বক্তব্য রাখেন একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির। উপস্থিত ছিলেন বিআইআইএসএস-এর প্রতিনিধিগণসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।