ঢাকা ১২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে দেশবাসীর সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭৪ ভরি সোনা জব্দ, আটক তিন নরসিংদীর শিবপুরে শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসলে নেমে চারজন নিখোঁজ যৌথ সামরিক মহড়া শেষ হতেই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হওয়া ট্রলারসহ ১২ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ৫ লাখ রুশ সেনা নিহত: যুক্তরাজ্যের সেনাপ্রধান পাবনায় আব্দুল বারেক মৃত্যুর ঘটনা মামলার এজাহারভুক্ত দম্পতি আটক ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত সরকারের: চিফ হুইপ সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, অক্টোবরেই ফিরছে স্বাভাবিক ফ্লাইট লালবাগে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর রহস্যজনক অন্তর্ধানের ঘটনায় তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হওয়া ট্রলারসহ ১২ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী

  • আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 0
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল সমুদ্রের মধ্যে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১২ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা পদ্মা’ এই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত টহল চলাকালে ট্রলারটি বিকল হয়ে সাগরে ভাসছে—এমন তথ্য পাওয়ার পরপরই উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে নৌবাহিনী।

ঘটনার সময় সাগরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত বহাল ছিল। বৈরী আবহাওয়া, রাতের অন্ধকার এবং সী স্টেট-৪-এর উত্তাল সমুদ্র উপেক্ষা করে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে তীব্র অনুসন্ধান। একপর্যায়ে রাডারের মাধ্যমে ভাসমান ট্রলার ‘এফবি নাঈম’-এর অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় নৌবাহিনীর জাহাজটি। রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে সফলভাবে ১২ জেলেসহ ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকালে জেলেদের প্রয়োজনীয় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি আহত এক জেলেকে প্রাথমিক চিকিৎসাও প্রদান করা হয়।

উদ্ধারকৃত জেলেদের ভাষ্যমতে, গত ৮ সেপ্টেম্বর পায়রা বন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে তারা সাগরে যাত্রা করেছিলেন। পরদিন রাতে ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়লে তারা সাগরে আটকা পড়েন এবং চরম ঝুঁকির মুখে পড়েন। প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও বানৌজা পদ্মা প্রায় ২৮ কিলোমিটার পথ ট্রলারটিকে টেনে (টোয়িং) নিয়ে সুন্দরবনসংলগ্ন দুবলার চরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের আউটপোস্টের কাছে পৌঁছে দেয়। পরে ট্রলারসহ জেলেদের কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমুদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিপদগ্রস্ত জেলে ও নৌযানকে দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদে তীরে পৌঁছে দিতে তারা সর্বদা প্রস্তুত। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিচালিত এ ধরনের মানবিক উদ্ধার অভিযান সমুদ্রপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারই প্রতিফলন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হওয়া ট্রলারসহ ১২ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল সমুদ্রের মধ্যে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১২ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা পদ্মা’ এই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত টহল চলাকালে ট্রলারটি বিকল হয়ে সাগরে ভাসছে—এমন তথ্য পাওয়ার পরপরই উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে নৌবাহিনী।

ঘটনার সময় সাগরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত বহাল ছিল। বৈরী আবহাওয়া, রাতের অন্ধকার এবং সী স্টেট-৪-এর উত্তাল সমুদ্র উপেক্ষা করে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে তীব্র অনুসন্ধান। একপর্যায়ে রাডারের মাধ্যমে ভাসমান ট্রলার ‘এফবি নাঈম’-এর অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় নৌবাহিনীর জাহাজটি। রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে সফলভাবে ১২ জেলেসহ ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকালে জেলেদের প্রয়োজনীয় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি আহত এক জেলেকে প্রাথমিক চিকিৎসাও প্রদান করা হয়।

উদ্ধারকৃত জেলেদের ভাষ্যমতে, গত ৮ সেপ্টেম্বর পায়রা বন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে তারা সাগরে যাত্রা করেছিলেন। পরদিন রাতে ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়লে তারা সাগরে আটকা পড়েন এবং চরম ঝুঁকির মুখে পড়েন। প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও বানৌজা পদ্মা প্রায় ২৮ কিলোমিটার পথ ট্রলারটিকে টেনে (টোয়িং) নিয়ে সুন্দরবনসংলগ্ন দুবলার চরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের আউটপোস্টের কাছে পৌঁছে দেয়। পরে ট্রলারসহ জেলেদের কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমুদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিপদগ্রস্ত জেলে ও নৌযানকে দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদে তীরে পৌঁছে দিতে তারা সর্বদা প্রস্তুত। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিচালিত এ ধরনের মানবিক উদ্ধার অভিযান সমুদ্রপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারই প্রতিফলন।