ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মনপুরায় ডেঙ্গু ও পানিবাহিত রোগ রুখতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঢাকার মাদক ব্যবসায় শিশুদের সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন উদ্বেগ শেখ হাসিনাকে ফেরানোর নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই: দীনেশ ত্রিবেদী কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ৪ শীর্ষ নেতা কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছালো ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান জামালপুরের ঐতিহ্যবাহী খাবার পিঠালি: স্বাদে ও সংস্কৃতিতে অনন্য আমরা এখন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী মদিনা ফ্লাইটের অব্যবস্থাপনা ও যাত্রী হয়রানি: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি হুথিদের মোকাবিলায় ইয়েমেনে চার কার্গো অস্ত্র পাঠালো পাকিস্তান বগুড়ার শেরপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক তরুণ

বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হওয়া ট্রলারসহ ১২ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী

  • আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 14
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল সমুদ্রের মধ্যে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১২ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা পদ্মা’ এই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত টহল চলাকালে ট্রলারটি বিকল হয়ে সাগরে ভাসছে—এমন তথ্য পাওয়ার পরপরই উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে নৌবাহিনী।

ঘটনার সময় সাগরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত বহাল ছিল। বৈরী আবহাওয়া, রাতের অন্ধকার এবং সী স্টেট-৪-এর উত্তাল সমুদ্র উপেক্ষা করে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে তীব্র অনুসন্ধান। একপর্যায়ে রাডারের মাধ্যমে ভাসমান ট্রলার ‘এফবি নাঈম’-এর অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় নৌবাহিনীর জাহাজটি। রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে সফলভাবে ১২ জেলেসহ ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকালে জেলেদের প্রয়োজনীয় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি আহত এক জেলেকে প্রাথমিক চিকিৎসাও প্রদান করা হয়।

উদ্ধারকৃত জেলেদের ভাষ্যমতে, গত ৮ সেপ্টেম্বর পায়রা বন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে তারা সাগরে যাত্রা করেছিলেন। পরদিন রাতে ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়লে তারা সাগরে আটকা পড়েন এবং চরম ঝুঁকির মুখে পড়েন। প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও বানৌজা পদ্মা প্রায় ২৮ কিলোমিটার পথ ট্রলারটিকে টেনে (টোয়িং) নিয়ে সুন্দরবনসংলগ্ন দুবলার চরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের আউটপোস্টের কাছে পৌঁছে দেয়। পরে ট্রলারসহ জেলেদের কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমুদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিপদগ্রস্ত জেলে ও নৌযানকে দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদে তীরে পৌঁছে দিতে তারা সর্বদা প্রস্তুত। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিচালিত এ ধরনের মানবিক উদ্ধার অভিযান সমুদ্রপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারই প্রতিফলন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হওয়া ট্রলারসহ ১২ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল সমুদ্রের মধ্যে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে থাকা একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১২ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা পদ্মা’ এই উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। নিয়মিত টহল চলাকালে ট্রলারটি বিকল হয়ে সাগরে ভাসছে—এমন তথ্য পাওয়ার পরপরই উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে নৌবাহিনী।

ঘটনার সময় সাগরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত বহাল ছিল। বৈরী আবহাওয়া, রাতের অন্ধকার এবং সী স্টেট-৪-এর উত্তাল সমুদ্র উপেক্ষা করে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে তীব্র অনুসন্ধান। একপর্যায়ে রাডারের মাধ্যমে ভাসমান ট্রলার ‘এফবি নাঈম’-এর অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় নৌবাহিনীর জাহাজটি। রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে সফলভাবে ১২ জেলেসহ ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকালে জেলেদের প্রয়োজনীয় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাশাপাশি আহত এক জেলেকে প্রাথমিক চিকিৎসাও প্রদান করা হয়।

উদ্ধারকৃত জেলেদের ভাষ্যমতে, গত ৮ সেপ্টেম্বর পায়রা বন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে তারা সাগরে যাত্রা করেছিলেন। পরদিন রাতে ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়লে তারা সাগরে আটকা পড়েন এবং চরম ঝুঁকির মুখে পড়েন। প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও বানৌজা পদ্মা প্রায় ২৮ কিলোমিটার পথ ট্রলারটিকে টেনে (টোয়িং) নিয়ে সুন্দরবনসংলগ্ন দুবলার চরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের আউটপোস্টের কাছে পৌঁছে দেয়। পরে ট্রলারসহ জেলেদের কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমুদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিপদগ্রস্ত জেলে ও নৌযানকে দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদে তীরে পৌঁছে দিতে তারা সর্বদা প্রস্তুত। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পরিচালিত এ ধরনের মানবিক উদ্ধার অভিযান সমুদ্রপথে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারই প্রতিফলন।