ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নেত্রকোনায় বিষ দিয়ে ২৫ লাখ টাকার মাছ নিধন

  • আপডেট সময় : ১০:০২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 14
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেত্রকোনার মদন উপজেলার কদমশ্রী বালই নদীসংলগ্ন মসুয়া হাওরের বিলে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ টাকার মাছ নিধন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী জেলে রোমান মিয়া সোমবার রাতে মদন থানায় এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি জানান, তিনটি মসজিদ ও একটি কবরস্থানের নামে প্রায় ১৩ লাখ টাকায় বিলটি ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করছিলেন তিনিসহ অন্য অংশীদাররা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মসুয়া হাওরের বিলটি তিনটি মসজিদ ও একটি কবরস্থানের নামে প্রায় ১৩ লাখ টাকায় ইজারা নেন রোমান মিয়াসহ অন্য অংশীদাররা।

অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে একই গ্রামের জিলু মিয়ার ছেলে ফরসুদ মিয়াকে বিলের মাঝে দেখা যায়। তাকে ডাকাডাকি করা হলেও তিনি পরিচয় না দিয়েই দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। পরদিন সকালে বিলে গিয়ে মাছ ভেসে উঠতে দেখে ক্ষতিগ্রস্তরা বুঝতে পারেন যে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে। এতে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে তারা দেখতে পান, বিলের সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফরসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তবে ফরসুদ মিয়া এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে মদন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অসীম কুমার জানিয়েছেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেত্রকোনায় বিষ দিয়ে ২৫ লাখ টাকার মাছ নিধন

আপডেট সময় : ১০:০২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেত্রকোনার মদন উপজেলার কদমশ্রী বালই নদীসংলগ্ন মসুয়া হাওরের বিলে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ টাকার মাছ নিধন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী জেলে রোমান মিয়া সোমবার রাতে মদন থানায় এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি জানান, তিনটি মসজিদ ও একটি কবরস্থানের নামে প্রায় ১৩ লাখ টাকায় বিলটি ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করছিলেন তিনিসহ অন্য অংশীদাররা। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মসুয়া হাওরের বিলটি তিনটি মসজিদ ও একটি কবরস্থানের নামে প্রায় ১৩ লাখ টাকায় ইজারা নেন রোমান মিয়াসহ অন্য অংশীদাররা।

অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে একই গ্রামের জিলু মিয়ার ছেলে ফরসুদ মিয়াকে বিলের মাঝে দেখা যায়। তাকে ডাকাডাকি করা হলেও তিনি পরিচয় না দিয়েই দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। পরদিন সকালে বিলে গিয়ে মাছ ভেসে উঠতে দেখে ক্ষতিগ্রস্তরা বুঝতে পারেন যে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে। এতে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে তারা দেখতে পান, বিলের সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফরসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তবে ফরসুদ মিয়া এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে মদন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অসীম কুমার জানিয়েছেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে।