ঢাকা ০৬:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনা দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আগামীকাল : দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচি ঘোষণা নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা, ৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত তানজিদ-মোমিনুলের সেঞ্চুরির জুটিতে লিডের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘লালা’র আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ‘এক সংস্কৃতির’ আহ্বান প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র গরমে দুর্বিষহ দিন কাটছে পাকিস্তানের খেজুর শ্রমিকদের বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড স্টার্কের এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে পদক লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে পারে ভারত-পাকিস্তান কোকোর নামে বগুড়ায় জাতীয় প্যারা স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

বিএনপি আগামী নির্বাচনে না যাওয়ার পাঁয়তারা করছে: ওবায়দুল কাদের

  • আপডেট সময় : ১০:০৮:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৭
  • / 283
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি পরাজয়ের ভয়ে ভীত হয়ে আগামী নির্বাচনে না যাওয়ার পাঁয়তারা করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়।

বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শতকরা ৯০ জন প্রার্থী জয়লাভ করেছে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে তৃণমূলে কোন দলের কী অবস্থা তা পরিষ্কার হয়ে গেছে।’
তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা দলকে সুশৃঙ্খল ও আধুনিক করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে চাই। আশা করি বিএনপি আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এবং এ নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ নির্বাচন সকলের কাছ গ্রহণযোগ্য হবে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে নির্বাচন কমিশন। আর বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন নির্বাচন কমিশনে আমাদের কোন কমিশনার ছিল না। কিন্তু বর্তমান নির্বাচন কমিশনে তাদের একজন কমিনার রয়েছে।

বিএনপির নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের দাবির জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার চায়। এ ধরনের কোনো সরকারের বিষয় সংবিধানে নেই। সংবিধানে রয়েছে নির্বাচনকালীন সরকার।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে এবং নির্বাচনকালীন সরকার সরকারের দৈনন্দিন কাযক্রম পরিচালনা করবে। এ সরকার কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে। নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনীকে তলব করতে পারে। তবে তারা নির্বাচন কমিশনের অধীনে স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।

আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে কিছু সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে জেলা, উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে যে সকল বিরোধ রয়েছে তা মীমাংসার জন্য এ বৈঠক ডাকা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

হাওর অঞ্চলের মানুষের জন্য সরকার কিছুই করেনি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি ত্রাণ তৎপরতার জন্য সেখানে যাননি। তিনি সেখানে ফটোসেশন করে ধাপ্পাবাজি করার জন্য গেছেন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ হাওর অঞ্চলে দীর্ঘ তিনদিন দুর্গত মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন। ত্রাণ ও দুযোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম এখনো হাওর অঞ্চলে অবস্থান করছেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল হাওর অঞ্চলে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ , আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এনামুল হক শামীম, আবদুস সোবহান গোলাপ, অসীম কুমার উকিল প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিএনপি আগামী নির্বাচনে না যাওয়ার পাঁয়তারা করছে: ওবায়দুল কাদের

আপডেট সময় : ১০:০৮:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি পরাজয়ের ভয়ে ভীত হয়ে আগামী নির্বাচনে না যাওয়ার পাঁয়তারা করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়।

বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শতকরা ৯০ জন প্রার্থী জয়লাভ করেছে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে তৃণমূলে কোন দলের কী অবস্থা তা পরিষ্কার হয়ে গেছে।’
তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা দলকে সুশৃঙ্খল ও আধুনিক করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে চাই। আশা করি বিএনপি আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এবং এ নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ নির্বাচন সকলের কাছ গ্রহণযোগ্য হবে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে নির্বাচন কমিশন। আর বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন নির্বাচন কমিশনে আমাদের কোন কমিশনার ছিল না। কিন্তু বর্তমান নির্বাচন কমিশনে তাদের একজন কমিনার রয়েছে।

বিএনপির নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের দাবির জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার চায়। এ ধরনের কোনো সরকারের বিষয় সংবিধানে নেই। সংবিধানে রয়েছে নির্বাচনকালীন সরকার।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে এবং নির্বাচনকালীন সরকার সরকারের দৈনন্দিন কাযক্রম পরিচালনা করবে। এ সরকার কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে। নির্বাচন কমিশন প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনীকে তলব করতে পারে। তবে তারা নির্বাচন কমিশনের অধীনে স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।

আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে কিছু সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে জেলা, উপজেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে যে সকল বিরোধ রয়েছে তা মীমাংসার জন্য এ বৈঠক ডাকা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

হাওর অঞ্চলের মানুষের জন্য সরকার কিছুই করেনি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি ত্রাণ তৎপরতার জন্য সেখানে যাননি। তিনি সেখানে ফটোসেশন করে ধাপ্পাবাজি করার জন্য গেছেন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ হাওর অঞ্চলে দীর্ঘ তিনদিন দুর্গত মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছেন। ত্রাণ ও দুযোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম এখনো হাওর অঞ্চলে অবস্থান করছেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল হাওর অঞ্চলে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ , আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এনামুল হক শামীম, আবদুস সোবহান গোলাপ, অসীম কুমার উকিল প্রমুখ।