ঢাকা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাহজালাল বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় দুই যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড তিন সিটির উন্নয়নসহ ১৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন লটারি বাতিল করে স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ রসায়নে নোবেল পেলেন জাপান ও ফ্রান্সের দুই বিজ্ঞানী দেশের চারটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে কমছে যাত্রী সংখ্যা জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল, লিটারে বৃদ্ধি ১৭ টাকা বড়াইগ্রামের সানাউল্লাহ বাবু নিহতের ১৬ বছর: বিচারের অপেক্ষায় পরিবার দিল্লিতে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর উচ্চপর্যায়ের সিরিজ বৈঠক রাজাপুরে যুবদল নেতাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

বিনিয়োগ বাড়াতে ২০ উদ্যোগ: বাস্তবায়িত ৭টি

  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 3
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়াতে সরকার ও ইনভেস্ট বাংলাদেশ ২০টি সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ নিয়েছিল, যার মধ্যে সাতটি ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। চলতি বছরের ১৬ মার্চ ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃক ঘোষিত এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য হলো বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন, সেবাপ্রাপ্তি সহজতর করা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা। বিনিয়োগ উন্নয়নের তিনটি বড় স্তম্ভ—শক্তিশালী অবকাঠামো, বিনিয়োগে সহায়তা এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন—এর ওপর ভিত্তি করে এই পরিকল্পনাগুলো সাজানো হয়েছে।

বাস্তবায়িত উদ্যোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ৫৫০ মিলিয়ন ডলারের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্প। এপিএম টার্মিনালসের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এর নির্মাণ শেষ করা। এটি চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা প্রায় ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে এবং সাত শতাধিক প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এছাড়া চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের (সিআরবিসি) তত্ত্বাবধানে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ এগিয়ে চলছে, যা ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ হলে এক লাখের বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। বন্দরে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম এবং কাস্টমস ও ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু করার ফলে পণ্য খালাসের জটিলতা ও সময় কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী সেসময় বলেছিলেন, ‘বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের যে লক্ষ্য, এই পরিকল্পনা তারই অংশ। এপিএম টার্মিনালস ২০৩০ সালের মধ্যে টার্মিনালটির নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে। এটি চালু হলে ৭০০’র বেশি প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান হবে। চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। এখন কাস্টমস ছাড়পত্র ও ব্যাংকিং সেবাও সার্বক্ষণিকভাবে পাওয়া যাচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা সহজ করতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের বিনিয়োগ কার্যক্রম একীভূত করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন মাত্রা যোগ করবে। এই চুক্তির আওতায় ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পাবে, যা ইলেকট্রনিকস ও উচ্চমূল্য সংযোজনকারী শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াবে। এর মধ্যে ৮ হাজার ৪২৮টি পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী-ব্যবসায়ী সংলাপের অগ্রগতি

  • উত্থাপিত সমস্যার হার: ব্যবসায়ীদের জানানো ২৮টি সমস্যার মধ্যে ২১টির সমাধান হয়েছে, অর্থাৎ ৭৫ শতাংশ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
  • নতুন প্রণোদনা: বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দেশে আনতে ইক্যুইটির ১ দশমিক ২৫ শতাংশ সমপরিমাণ প্রণোদনা দেওয়ার নীতিমালা অনুমোদন করা হয়েছে, যা ১৫ অক্টোবর থেকে চালু হতে পারে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১৩০ কোটি মার্কিন ডলারের একটি বৈচিত্র্যময় বিনিয়োগ পাইপলাইন প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে ৪০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে বা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় আছে। দেশভিত্তিক বিনিয়োগের সম্ভাবনা বিশ্লেষণে চীন থেকে ৬০ কোটি, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৩০ কোটি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০ কোটি এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১০ কোটি ডলার আসার সম্ভাবনা রয়েছে। খাতওয়ারি হিসাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ৩০ কোটি ডলার করে এবং স্বাস্থ্যসেবা ও বস্ত্র খাতে ২০ কোটি ডলার করে বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ইতিমধ্যে সক্রিয় রয়েছে।

বিনিয়োগের নতুন সুযোগ চিহ্নিত করতে ‘এফডিআই হিটম্যাপ’ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ওষুধশিল্প, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং অটোমোটিভ যন্ত্রাংশকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অবশিষ্ট ১৩টি উদ্যোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ব্যবস্থাপনা। এনসিটি পরিচালনার জন্য ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে পিপিপি চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা বন্দর ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক দক্ষতা নিশ্চিত করবে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের সদস্য নাহিয়ান রহমান রোচি জানান, অবকাঠামো ঘাটতি ও অনুমোদনের দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে উঠতে পাঁচটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জমিতে ৪৪টি নতুন বিনিয়োগ প্রকল্পের পোর্টফোলিও তৈরির কাজ চলছে। আমরা বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে অবকাঠামো, সেবার মান এবং সম্ভাবনাময় বিনিয়োগের পাইপলাইন তৈরিতে গুরুত্ব দিয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিনিয়োগ বাড়াতে ২০ উদ্যোগ: বাস্তবায়িত ৭টি

আপডেট সময় : ০৪:৪০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়াতে সরকার ও ইনভেস্ট বাংলাদেশ ২০টি সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ নিয়েছিল, যার মধ্যে সাতটি ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। চলতি বছরের ১৬ মার্চ ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃক ঘোষিত এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য হলো বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন, সেবাপ্রাপ্তি সহজতর করা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা। বিনিয়োগ উন্নয়নের তিনটি বড় স্তম্ভ—শক্তিশালী অবকাঠামো, বিনিয়োগে সহায়তা এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন—এর ওপর ভিত্তি করে এই পরিকল্পনাগুলো সাজানো হয়েছে।

বাস্তবায়িত উদ্যোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ৫৫০ মিলিয়ন ডলারের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্প। এপিএম টার্মিনালসের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এর নির্মাণ শেষ করা। এটি চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা প্রায় ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে এবং সাত শতাধিক প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এছাড়া চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের (সিআরবিসি) তত্ত্বাবধানে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ এগিয়ে চলছে, যা ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ হলে এক লাখের বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। বন্দরে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম এবং কাস্টমস ও ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু করার ফলে পণ্য খালাসের জটিলতা ও সময় কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী সেসময় বলেছিলেন, ‘বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের যে লক্ষ্য, এই পরিকল্পনা তারই অংশ। এপিএম টার্মিনালস ২০৩০ সালের মধ্যে টার্মিনালটির নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে। এটি চালু হলে ৭০০’র বেশি প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান হবে। চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। এখন কাস্টমস ছাড়পত্র ও ব্যাংকিং সেবাও সার্বক্ষণিকভাবে পাওয়া যাচ্ছে।

বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা সহজ করতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের বিনিয়োগ কার্যক্রম একীভূত করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন মাত্রা যোগ করবে। এই চুক্তির আওতায় ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা পাবে, যা ইলেকট্রনিকস ও উচ্চমূল্য সংযোজনকারী শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াবে। এর মধ্যে ৮ হাজার ৪২৮টি পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী-ব্যবসায়ী সংলাপের অগ্রগতি

  • উত্থাপিত সমস্যার হার: ব্যবসায়ীদের জানানো ২৮টি সমস্যার মধ্যে ২১টির সমাধান হয়েছে, অর্থাৎ ৭৫ শতাংশ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
  • নতুন প্রণোদনা: বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দেশে আনতে ইক্যুইটির ১ দশমিক ২৫ শতাংশ সমপরিমাণ প্রণোদনা দেওয়ার নীতিমালা অনুমোদন করা হয়েছে, যা ১৫ অক্টোবর থেকে চালু হতে পারে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১৩০ কোটি মার্কিন ডলারের একটি বৈচিত্র্যময় বিনিয়োগ পাইপলাইন প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে ৪০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে বা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় আছে। দেশভিত্তিক বিনিয়োগের সম্ভাবনা বিশ্লেষণে চীন থেকে ৬০ কোটি, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৩০ কোটি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০ কোটি এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১০ কোটি ডলার আসার সম্ভাবনা রয়েছে। খাতওয়ারি হিসাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ৩০ কোটি ডলার করে এবং স্বাস্থ্যসেবা ও বস্ত্র খাতে ২০ কোটি ডলার করে বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ইতিমধ্যে সক্রিয় রয়েছে।

বিনিয়োগের নতুন সুযোগ চিহ্নিত করতে ‘এফডিআই হিটম্যাপ’ তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ওষুধশিল্প, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং অটোমোটিভ যন্ত্রাংশকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অবশিষ্ট ১৩টি উদ্যোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ব্যবস্থাপনা। এনসিটি পরিচালনার জন্য ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে পিপিপি চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা বন্দর ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক দক্ষতা নিশ্চিত করবে। ইনভেস্ট বাংলাদেশের সদস্য নাহিয়ান রহমান রোচি জানান, অবকাঠামো ঘাটতি ও অনুমোদনের দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে উঠতে পাঁচটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জমিতে ৪৪টি নতুন বিনিয়োগ প্রকল্পের পোর্টফোলিও তৈরির কাজ চলছে। আমরা বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে অবকাঠামো, সেবার মান এবং সম্ভাবনাময় বিনিয়োগের পাইপলাইন তৈরিতে গুরুত্ব দিয়েছি।