ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মোংলায় বাঙ্কার বোটের ধাক্কায় কয়লাবোঝাই জাহাজডুবি, প্রাণে বাঁচলেন ১০ জন কমিউনিস্ট স্লোগান কি ‘জয় বাংলা’? ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ১১, মোট প্রাণহানি ৪০০ না ফেরার দেশে সিআইডি খ্যাত নির্মাতা বিপি সিংহ ৩০০ কোটির বিনিয়োগ, তবুও বেতন বকেয়া চালডাল কর্মীদের লন্ডন ডব্লিউটিএম-এ প্রিমিয়াম কেবিনসেবা দেখাবে মালয়েশিয়া এয়ারলাইনস সারের দাবিতে হাতীবান্ধায় মহাসড়ক অবরোধ করলেন কৃষকরা ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বড় এলাকায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঢাকা ও চট্টগ্রামের একাংশে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয় ভোলায় বসতভিটার ট্যাক্স আদায়ের নামে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

বেগম রোকেয়া উপমহাদেশের নারীদের জীবন পরিবর্তনের ধারার সূচনা করেছিলেন : রাষ্ট্রপতির

  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / 239
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, নারী পুরুষের সমতার দাবি নিয়ে কলম আন্দোলনের মাধ্যমে উপমহাদেশের নারীদের জীবন পরিবর্তনের ধারার সূচনা করেছিলেন মহিয়সী নারী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন।
আগামীকাল বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৩ এবং বেগম রোকেয়া পদক প্রদান উপলক্ষ্যে দেয়া আজ এক বাণীতে তিনি বলেন, “মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৩’ উদ্যাপন এবং ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদানের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। দিবসটি উপলক্ষ্যে নারী জাগরণের অগ্রদূত ও মানবমুক্তির অগ্নিশিখা মহিয়সী নারী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের স্মৃতির প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।”
রাষ্ট্রপতি বলেন, নারীদের জীবনমান উন্নয়নে তিনি বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার মাধ্যমেও তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। নারীর দুঃখ-দুর্দশা ও সমান অধিকারের দাবি বেগম রোকেয়ার সাহিত্যে জোরালোভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। নারী আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া নারী জাগরণের আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন ‘তোমাদের কন্যাগুলিকে শিক্ষা দিয়া ছাড়িয়া দাও, নিজেরাই নিজেদের অন্নের সংস্থান করুক’।
তিনি বলেন, বেগম রোকেয়া নারী সমাজকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন ও অধিকার সচেতন পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়াস নিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন এবং কর্ম ও ধ্যানে ধারণ করতেন- ‘মেয়ে মানুষ নয়, মানুষ হয়ে বাঁচতে হবে, তবেই স্বার্থক মানবজনমের।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয় এমন উপলব্ধি থেকেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর দেশের সংবিধানে নারী-পুরুষের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে নারী শিক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বীকরণ এবং নারী সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন এবং সকল ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি জাতির পিতার দর্শনের আলোকে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীর অর্থনৈতিক, সামাজিক, পারিবারিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের নতুন ধারা সূচিত করেন।
তিনি বলেন, সরকার জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন করেছে। পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০, পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) বিধিমালা ২০১৩, ডিএনএ আইন ২০১৪ এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৩-২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশে নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে এসব পদক্ষেপ মাইলফলক হয়ে থাকবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বেগম রোকেয়ার আদর্শ ও উদ্যোগ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশে নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর অবদান রাখবেন- এটাই সকলের প্রত্যাশা।’

বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বেগম রোকেয়া উপমহাদেশের নারীদের জীবন পরিবর্তনের ধারার সূচনা করেছিলেন : রাষ্ট্রপতির

আপডেট সময় : ০৬:৩২:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৩

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, নারী পুরুষের সমতার দাবি নিয়ে কলম আন্দোলনের মাধ্যমে উপমহাদেশের নারীদের জীবন পরিবর্তনের ধারার সূচনা করেছিলেন মহিয়সী নারী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন।
আগামীকাল বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৩ এবং বেগম রোকেয়া পদক প্রদান উপলক্ষ্যে দেয়া আজ এক বাণীতে তিনি বলেন, “মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘বেগম রোকেয়া দিবস ২০২৩’ উদ্যাপন এবং ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদানের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। দিবসটি উপলক্ষ্যে নারী জাগরণের অগ্রদূত ও মানবমুক্তির অগ্নিশিখা মহিয়সী নারী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের স্মৃতির প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।”
রাষ্ট্রপতি বলেন, নারীদের জীবনমান উন্নয়নে তিনি বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার মাধ্যমেও তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। নারীর দুঃখ-দুর্দশা ও সমান অধিকারের দাবি বেগম রোকেয়ার সাহিত্যে জোরালোভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। নারী আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া নারী জাগরণের আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন ‘তোমাদের কন্যাগুলিকে শিক্ষা দিয়া ছাড়িয়া দাও, নিজেরাই নিজেদের অন্নের সংস্থান করুক’।
তিনি বলেন, বেগম রোকেয়া নারী সমাজকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন ও অধিকার সচেতন পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়াস নিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন এবং কর্ম ও ধ্যানে ধারণ করতেন- ‘মেয়ে মানুষ নয়, মানুষ হয়ে বাঁচতে হবে, তবেই স্বার্থক মানবজনমের।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয় এমন উপলব্ধি থেকেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর দেশের সংবিধানে নারী-পুরুষের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে নারী শিক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বীকরণ এবং নারী সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন এবং সকল ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি জাতির পিতার দর্শনের আলোকে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীর অর্থনৈতিক, সামাজিক, পারিবারিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের নতুন ধারা সূচিত করেন।
তিনি বলেন, সরকার জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন করেছে। পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০, পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) বিধিমালা ২০১৩, ডিএনএ আইন ২০১৪ এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০১৩-২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশে নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে এসব পদক্ষেপ মাইলফলক হয়ে থাকবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বেগম রোকেয়ার আদর্শ ও উদ্যোগ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশে নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর অবদান রাখবেন- এটাই সকলের প্রত্যাশা।’

বিডিসংবাদ/এএইচএস