ঢাকা ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতে বিমানের অস্বাভাবিক ভাড়া নিয়ন্ত্রণে সরকারকে এক মাস সময় তিন বছর পূর্তিতে ঢাকাইয়াদের মিলনমেলায় মুখর ডিপিসি ঝিনাইদহে পারিবারিক বিবাদে পৃথক ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই ভাই প্রধানমন্ত্রী -: প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেবে সরকার শামা ওবায়েদ: মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড ‘আমাদের জন্য শিক্ষা’ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: বিস্তারিত তথ্যের জন্য চিঠি কনস্যুলেটের ঢাকা ও চট্টগ্রামে ৩ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ মুচলেকা দিয়ে দিল্লির আদালত থেকে মুক্তি পেলেন অভিজিৎ দীপকে ঢাবিতে ১০৭ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী পেলেন সাদা ছড়ি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

মেলোনিকে নিয়ে জি৭ সম্মেলনে ছবি তোলা বিতর্কে উত্তেজনা বাড়ালেন ট্রাম্প

  • আপডেট সময় : ১১:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / 32
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

জি৭ সম্মেলনে ছবি তোলা নিয়ে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে লক্ষ্য করে নতুন করে মন্তব্য করে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি এ বিরোধকে ইরান যুদ্ধ ও ন্যাটো নিয়ে দুই দেশের মতপার্থক্যের সঙ্গেও যুক্ত করেছেন। খবর এএফপির।

এই বিরোধ ট্রাম্প ও ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী ডানপন্থী নেতা মেলোনির মধ্যে এক অস্বাভাবিক ব্যক্তিগত দূরত্ব তৈরি করেছে। ট্রাম্পের ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের পর মেলোনি নিজেকে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের মধ্যে একটি সেতুবন্ধ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন।

এর আগে ট্রাম্প ইতালীয় টেলিভিশন চ্যানেল লা৭-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত এ সপ্তাহের জি৭ সম্মেলনে মেলোনি তার কাছে ছবি তোলার জন্য ‘অনুরোধ করেছিলেন’। তিনি বলেন, ‘আমি তার জন্য মায়া অনুভব করেছিলাম বলেই রাজি হয়েছিলাম।’

মেলোনি এ অভিযোগ তীব্রভাবে অস্বীকার করে একে ‘মনগড়া’ বলে অভিহিত করেন। তবে ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে দাবি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, সম্মেলন চলাকালে মেলোনি ‘বারবার’ তার সঙ্গে ছবি তোলার অনুরোধ করেছিলেন।

ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ইতালি সমর্থন না দেওয়ার পর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কারণে মেলোনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছেন।

তিনি লেখেন, ‘এখন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সামরিকভাবে পরাজিত করার পর তিনি আবার বন্ধু হতে চান, যাতে তার জনপ্রিয়তার হার বাড়ে। না, ধন্যবাদ!’

ট্রাম্প দাবি করেন, ইতালিতে মেলোনির জনপ্রিয়তা কমে যাচ্ছে। তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্রকে ইতালির বিমানঘাঁটি বা রানওয়ে ব্যবহার করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে এ পরিস্থিতির সম্পর্ক রয়েছে।

তিনি আরও দীর্ঘদিনের অভিযোগ পুনরাবৃত্তি করে বলেন, তথাকথিত ন্যাটো মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়।

ট্রাম্প বলেন, ইতালিসহ অন্যান্য মিত্র দেশকে রক্ষায় ওয়াশিংটন প্রতি বছর শত শত বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে।

এ মন্তব্যগুলো ইতোমধ্যেই দুই দেশের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধকে আরও তীব্র করেছে।

এর আগে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করে বলেন, মেলোনিকে নিয়ে ট্রাম্পের ‘গুরুতর ও অপমানজনক’ মন্তব্য ‘সমগ্র ইতালিকে অপমান করেছে’।
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মেলোনিকে নিয়ে জি৭ সম্মেলনে ছবি তোলা বিতর্কে উত্তেজনা বাড়ালেন ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১১:৫৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

জি৭ সম্মেলনে ছবি তোলা নিয়ে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে লক্ষ্য করে নতুন করে মন্তব্য করে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি এ বিরোধকে ইরান যুদ্ধ ও ন্যাটো নিয়ে দুই দেশের মতপার্থক্যের সঙ্গেও যুক্ত করেছেন। খবর এএফপির।

এই বিরোধ ট্রাম্প ও ইউরোপের অন্যতম প্রভাবশালী ডানপন্থী নেতা মেলোনির মধ্যে এক অস্বাভাবিক ব্যক্তিগত দূরত্ব তৈরি করেছে। ট্রাম্পের ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের পর মেলোনি নিজেকে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের মধ্যে একটি সেতুবন্ধ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন।

এর আগে ট্রাম্প ইতালীয় টেলিভিশন চ্যানেল লা৭-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত এ সপ্তাহের জি৭ সম্মেলনে মেলোনি তার কাছে ছবি তোলার জন্য ‘অনুরোধ করেছিলেন’। তিনি বলেন, ‘আমি তার জন্য মায়া অনুভব করেছিলাম বলেই রাজি হয়েছিলাম।’

মেলোনি এ অভিযোগ তীব্রভাবে অস্বীকার করে একে ‘মনগড়া’ বলে অভিহিত করেন। তবে ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে দাবি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, সম্মেলন চলাকালে মেলোনি ‘বারবার’ তার সঙ্গে ছবি তোলার অনুরোধ করেছিলেন।

ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ইতালি সমর্থন না দেওয়ার পর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কারণে মেলোনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছেন।

তিনি লেখেন, ‘এখন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সামরিকভাবে পরাজিত করার পর তিনি আবার বন্ধু হতে চান, যাতে তার জনপ্রিয়তার হার বাড়ে। না, ধন্যবাদ!’

ট্রাম্প দাবি করেন, ইতালিতে মেলোনির জনপ্রিয়তা কমে যাচ্ছে। তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্রকে ইতালির বিমানঘাঁটি বা রানওয়ে ব্যবহার করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে এ পরিস্থিতির সম্পর্ক রয়েছে।

তিনি আরও দীর্ঘদিনের অভিযোগ পুনরাবৃত্তি করে বলেন, তথাকথিত ন্যাটো মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়।

ট্রাম্প বলেন, ইতালিসহ অন্যান্য মিত্র দেশকে রক্ষায় ওয়াশিংটন প্রতি বছর শত শত বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছে।

এ মন্তব্যগুলো ইতোমধ্যেই দুই দেশের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধকে আরও তীব্র করেছে।

এর আগে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করে বলেন, মেলোনিকে নিয়ে ট্রাম্পের ‘গুরুতর ও অপমানজনক’ মন্তব্য ‘সমগ্র ইতালিকে অপমান করেছে’।
বিডিসংবাদ/এএইচএস