ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতে বিমানের অস্বাভাবিক ভাড়া নিয়ন্ত্রণে সরকারকে এক মাস সময় তিন বছর পূর্তিতে ঢাকাইয়াদের মিলনমেলায় মুখর ডিপিসি ঝিনাইদহে পারিবারিক বিবাদে পৃথক ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই ভাই প্রধানমন্ত্রী -: প্রতিবন্ধী ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেবে সরকার শামা ওবায়েদ: মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড ‘আমাদের জন্য শিক্ষা’ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: বিস্তারিত তথ্যের জন্য চিঠি কনস্যুলেটের ঢাকা ও চট্টগ্রামে ৩ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ মুচলেকা দিয়ে দিল্লির আদালত থেকে মুক্তি পেলেন অভিজিৎ দীপকে ঢাবিতে ১০৭ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী পেলেন সাদা ছড়ি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সামরিক শক্তি আরও দ্রুত বাড়ানোর অঙ্গীকার কিমের

  • আপডেট সময় : ১১:০৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / 33
বিডিসংবাদ-এর সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও দ্রুত জোরদার করার অঙ্গীকার করেছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আধুনিকায়ন প্রচেষ্টা কোরীয় উপদ্বীপকে ‘পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে’ ঠেলে দিচ্ছে।

মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) এ তথ্য জানায়।

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির কারণে দেশটির ওপর একাধিক আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এছাড়া ১৯৫০-৫৩ সালের কোরিয়া যুদ্ধ শান্তিচুক্তির বদলে অস্ত্রবিরতি চুক্তির মাধ্যমে শেষ হওয়ায় দুই কোরিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

কেসিএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির তিন দিনব্যাপী বৈঠকের সমাপনী বক্তব্যে কিম বলেন, ‘দল ও রাষ্ট্রের দৃঢ় নীতি হলো জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও দ্রুত শক্তিশালী করা।’

সোমবার শেষ হওয়া ওই বৈঠকে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বিভিন্ন নীতিগত কর্মসূচি পর্যালোচনা করেন।

কিম অভিযোগ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া এই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের পদক্ষেপ আরও জোরদার করছে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিন অর্জনের প্রচেষ্টাও এগিয়ে নিচ্ছে।

তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপ কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতিকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে।’

এ পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার জন্য ‘শক্তিশালী ও সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য প্রতিরোধক্ষমতা’ আরও সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করা উত্তর কোরিয়ার অটল অবস্থান বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কেসিএনএ জানায়, বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে পারমাণবিক শক্তি ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করাই বর্তমান আন্তর্জাতিক সামরিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, পারমাণবিক প্রযুক্তিভিত্তিক যুদ্ধ প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলার কার্যক্রম আরও দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়া হবে।

এ মাসের শুরুতে কিমের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জংও বলেন, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নীতি হলো পিছু হটার কোনো সুযোগ বা পথ নেই এবং দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করার কোনো ইচ্ছা নেই।

গত সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে বলেছেন যে ‘উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে এখন নতুন করে মনোযোগ দেওয়ার সময় এসেছে।’
বিডিসংবাদ/এএইচএস

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সামরিক শক্তি আরও দ্রুত বাড়ানোর অঙ্গীকার কিমের

আপডেট সময় : ১১:০৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

বিডিসংবাদ অনলাইন ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও দ্রুত জোরদার করার অঙ্গীকার করেছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আধুনিকায়ন প্রচেষ্টা কোরীয় উপদ্বীপকে ‘পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে’ ঠেলে দিচ্ছে।

মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) এ তথ্য জানায়।

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির কারণে দেশটির ওপর একাধিক আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এছাড়া ১৯৫০-৫৩ সালের কোরিয়া যুদ্ধ শান্তিচুক্তির বদলে অস্ত্রবিরতি চুক্তির মাধ্যমে শেষ হওয়ায় দুই কোরিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

কেসিএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির তিন দিনব্যাপী বৈঠকের সমাপনী বক্তব্যে কিম বলেন, ‘দল ও রাষ্ট্রের দৃঢ় নীতি হলো জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও দ্রুত শক্তিশালী করা।’

সোমবার শেষ হওয়া ওই বৈঠকে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বিভিন্ন নীতিগত কর্মসূচি পর্যালোচনা করেন।

কিম অভিযোগ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া এই অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের পদক্ষেপ আরও জোরদার করছে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক সাবমেরিন অর্জনের প্রচেষ্টাও এগিয়ে নিচ্ছে।

তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপ কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতিকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে।’

এ পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার জন্য ‘শক্তিশালী ও সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য প্রতিরোধক্ষমতা’ আরও সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করা উত্তর কোরিয়ার অটল অবস্থান বলে তিনি উল্লেখ করেন।

কেসিএনএ জানায়, বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে পারমাণবিক শক্তি ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করাই বর্তমান আন্তর্জাতিক সামরিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, পারমাণবিক প্রযুক্তিভিত্তিক যুদ্ধ প্রতিরোধক্ষমতা গড়ে তোলার কার্যক্রম আরও দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়া হবে।

এ মাসের শুরুতে কিমের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জংও বলেন, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নীতি হলো পিছু হটার কোনো সুযোগ বা পথ নেই এবং দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করার কোনো ইচ্ছা নেই।

গত সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে বলেছেন যে ‘উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে এখন নতুন করে মনোযোগ দেওয়ার সময় এসেছে।’
বিডিসংবাদ/এএইচএস