সেন্সরবোর্ডে শিল্পী সমিতির প্রতিনিধি না থাকাটা ‘দুঃখজনক’: কলি-কাঞ্চন
- আপডেট সময় : ০৮:৫০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪
- / 126
আহমেদ তেপান্তর
গত ১২ মে দেশে নির্মিত চলচ্চিত্র পর্যবেক্ষণ ও মুক্তির সনদ দেওয়ার জন্য সেন্সর বোর্ডের নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। এতে সর্বাধিক অভিনয় শিল্পীদের প্রাধান্য দিয়ে বোর্ড গঠন করা হলেও এতে নেই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রতিনিধি, এই না থাকাটাকে ‘দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মাহমুদ কলি।
তিনি বলেন, নব্বই দশকে আমার মেয়াদে সমিতির সভাপতি হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেছি। এটা সমিতির অধিকার। বর্তমান কমিটিতে সমিতির প্রতিনিধি না থাকাটা তাই দুঃজনক।
সাবেক দুইবারের এই সভাপতি বলেন, এজন্য মিনিস্ট্রিতে একটু দৌড়ঝাঁপ দিতে হয়। বিষয়টি সেখান থেকেই নির্ধারণ হয়। তবে সমিতির অংশগ্রহণ থাকা উচিৎ। এতে করে সিস্টেমের ভারসাম্য রক্ষা হয়। আশা করছি বর্তমান কমিটি আগামীতে এ ব্যাপরে ভূমিকা রাখবে।
বিষয়টিকে ‘হতাশ’ উল্লেখ করে সাবেক সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, নব্বই দশকে আমি যখন সাধারণ সম্পাদক ছিলাম তখন একবার সমিতির প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের অংশগ্রহণ ছিলো না। পরবর্তীতে এ নিয়ে প্রতিবাদ করি অধুলুপ্ত বিচিত্রায় এ নিয়ে প্রতিবেদন লেখেন ইমরুল শাহেদ। যাক পরে মন্ত্রণালয় আমাদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেয়। সত্যি বলতে মর্যাদা আদায় করে নেওয়ার মতো বুদ্ধিমত্তাও প্রয়োজন। ভুলে গেলে চলবে না সেন্সরবোর্ডে সমিতির প্রতিনিধি না থাকাটা একটু হলেও সমিতির ঐতিহ্যকে ম্লান করেছে। এ ব্যাপারে বর্তমান নেতৃবৃন্দকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাবো।
বিষয়টি নিয়ে বর্তমান শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিশা সওদাগরের সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, নির্বাচনী ডামাডোলের কারণে এ দিকটায় মনোযোগী হতে পারিনি, তবে খুব শিগগিরই তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আমাদের অধিকারের বিষয়টি তাকে অবহিত করবো।
এদিকে শিল্পী সমিতির প্রতিধিত্ব না থাকলেও পূর্ণিমাসহ পাঁচজন অভিনয় শিল্পী সেন্সরবোর্ডে স্থান করে নিয়েছেন। এরমধ্যে টানা ষষ্ঠবারের মতো জায়গা করে নিয়েছেন অরুণা বিশ্বাস।
বহুদিন ধরেই সেন্সর বোর্ডে অভিনয় ও টেকনিক্যাল দিকে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত হবে এমন দাবি ছিলো। নতুন মন্ত্রীর কাছে এ প্রত্যাশা চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের আরো বেশি ছিলো। কিন্তু সবার সব প্রত্যাশাকে বেলুনের মতো চুপসে দিয়েছে অভিনয় শিল্পীদের নিয়ে সেন্সরবোর্ড গঠনে। প্রজ্ঞাপন প্রকাশ্যে আসার পর এ নিয়ে কার্যত কেউ আর কথাই বলতে চাচ্ছেন না। কেবল একটা কথাই বলছেন, এতো এতো অভিনয় শিল্পীরা সেন্সর বোর্ডে টেকনিক্যাল দিকগুলো কিভাবে সামলাবেন? এখানে পরিবর্তন দরকার ছিলো। বিশ^বিদ্যালয়ের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের দরকার ছিলো। অপরদিকে প্রদর্শক সমিতি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তাদের প্রতিনিধির নাম না দেখায়।
সবার একই কথা কেবল মুখেই আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলছি বাস্তবে বোর্ডকে একটা বিশেষ বৃত্তে বন্দি করে ফেললাম।
বিডিসংবাদ/আতে


























